আপনি যদি ফ্রান্স ভিসা আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য।
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব ফ্রান্সে যাওয়ার জন্য কতটি ভিসা
বাংলাদেশ চালু রয়েছে এবং ফ্রান্সের ভিসার দাম কত সেই সম্পর্কে। ফ্রান্সের ভিসার
আবেদন সংক্রান্ত সকল তথ্য জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন আজকের এই
পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স ভিসা আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু
তথ্য।
বর্তমান সময়ে অনেকেই বিভিন্ন কাজে ফ্রান্সে গিয়ে থাকে। অনেকেই রয়েছে যারা
পড়াশোনার জন্য ফ্রান্সে যায় আবার অনেকেই রয়েছে কাজের সন্ধানে ফ্রান্সের মতো
দেশে পাড়ি দেয়। আপনি যদি ফ্রান্সে যেতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে ফ্রান্সের ভিসা
সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। তাই চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া
যাক ফ্রান্স ভিসা আবেদন ২০২৩ সম্পর্কে।
ফ্রান্স ভিসা আবেদন
পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব
ফ্রান্সের ভিসার আবেদন সংক্রান্ত সকল বিষয় সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই
পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স ভিসা আবেদন।
-
ফ্রান্সের জিনিস যাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিগতভাবে তাকে আবেদন করতে হবে। তার
পরিবর্তে কোন ট্রাভেল এজেন্ট বা অন্য কেউ আবেদন করে দিতে পারবে না। - সরাসরি ফ্রান্সের দূতাবাসে আবেদন করতে হবে
-
ফ্রান্সের ভিসা আবেদন করার পর ভিসা পাওয়ার জন্য আপনাকে কমপক্ষে হলেও ১০
কর্ম দিবস অপেক্ষা করা লাগবে। তবে একটি কথা মাথায় রাখতে হবে কোন কারণে যদি
আপনার ভিসার ইসু দেখা দেয় তাহলে আপনি আপনার ভিসার পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে
পারবেন না বরং আপনাকে সরাসরি বাদ দেওয়া হবে। -
আপনার সকল কাগজপত্রের ফটোকপি এবং মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। সব থেকে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার ভিসার আবেদন এবং ভিসা ফি জমা দেওয়ার
প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হয় না।
ফ্রান্স ভিসা খরচ
পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব ফ্রান্সে যেতে কত টাকা লাগে
এবং ফ্রান্সের ভিসার দাম কত সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স ভিসা খরচ সম্পর্কে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সের
বিভিন্ন ধরনের ভিসার উপরে গিয়ে থাকে মানুষ। তবে সব ভিসার খরচ একই না।
ভিন্ন ভিসার আলাদা অ্যামাউন্ট নিয়ে থাকে। অতএব আপনি কোন বিষয়ের উপরে ফ্রান্সে
যেতে চান সেই খরচটা নির্ভর করবে সেই ভিসার উপরে।
তাহলে আপনার সব মিলিয়ে ভিসার খরচ পড়বে ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকার মত। যেহেতু
ভিসার উপরে টাকার পরিমাপ নির্ভর করে সেহুতু এই টাকার পরিমাপটা পরিবর্তন হতে
পারে। এখানে সাধারণভাবে বলা হয়েছে।
ফ্রান্স কাজের ভিসা
পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব ফ্রান্সে কাজের ভিসায় যেতে কত
টাকা লাগে এবং ফ্রান্সের কাজের ভিসার চাহিদা কেমন সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স কাজের ভিসা সম্পর্কে
বিস্তারিত তথ্য। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি আপনি সরকারিভাবে ফ্রান্সে যেতে পারবেন।
চাইলে ভারতের দিল্লি এজেন্সির মাধ্যমেও ফ্রান্সে যেতে পারবেন। তবে এই ক্ষেত্রে
খরচের পরিমাণ অনেক বেশি হবে। ভারতের দিল্লি এজেন্সির মাধ্যমে আপনি যদি ফ্রান্সে
যেতে চান তাহলে আপনার সর্বমোট খরচ পড়বে ১২ লক্ষ টাকার মতো।
বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে সরাসরি ফ্রান্সে যেতে চান তবে আপনার খরচ হবে ৪ লক্ষ
থেকে ৫ লক্ষ টাকার মত।
ফ্রান্স জব ভিসা
এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব ফ্রান্সের জব ভিসা পেতে কত টাকা খরচ হয় এবং
জব ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত।
যাক ফ্রান্স জব ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি আপনি
সরকারিভাবে ফ্রান্সে যেতে পারবেন। তবে এই ক্ষেত্রে আপনার অনেক প্রয়োজনীয়
ডকুমেন্টসের প্রয়োজন হবে। তবে আপনি চাইলে ভারতের দিল্লি এজেন্সির মাধ্যমেও
ফ্রান্সে যেতে পারবেন।
আপনি যদি ফ্রান্সে যেতে চান তাহলে আপনার সর্বমোট খরচ পড়বে ১২ লক্ষ টাকার মতো।
আর যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে সরাসরি ফ্রান্সে যেতে চান তবে আপনার খরচ
হবে ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মত।
ফ্রান্স ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং টাইম
চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিং
টাইম কত লাগতে পারে। ফ্রান্সের ফ্যামিলি ভিসা করতে হলে নিচের পদক্ষেপ গুলো
আপনাকে গ্রহন করতে হবে।
-
শেনজেন পাসপোর্টঃ আবেদনকারীকে অবশ্যই আসল পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। সমস্ত
সেনজেন সদস্য রাষ্ট্র থেকে প্রস্থানের উদ্দেশ্যই তারিখ এর পরে পাসপোর্ট এর
বৈধতা ছয় মাসের বেশি থাকতে হবে। - শেনজেন ফটোগ্রাফঃ আবেদনকারী কে দুটি পাসপোর্ট আকারের ছবি জমা দিতে হবে।
- শেনজেন ভিসা আবেদন পত্র
- ফ্রান্সের জন্য কভার লেটার
- ফ্রান্সে বসবাসরত এমন কোন ব্যক্তির থেকে আমন্ত্রণপত্র
- ফরওয়ার্ডিং লেটার
- আমন্ত্রিত ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক
- হোস্টের বাসিন্দার প্রমাণ
- আমন্ত্রিত ব্যক্তির আইডি কার্ড এবং ইউটিলিটির কপি
- আমন্ত্রিত ব্যক্তির ব্রাস্ট স্টেটমেন্ট
- অফিস আইডি কার্ড
- ব্যক্তিগত আইটিআর প্রশংসা পত্র
ফ্রান্স ভিসা আবেদন ২০২৩
পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব
ফ্রান্সের ভিসার আবেদন সংক্রান্ত সকল বিষয় সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই
পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স ভিসা আবেদন ২০২৩।
-
ফ্রান্সের জিনিস যাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিগতভাবে তাকে আবেদন করতে হবে। তার
পরিবর্তে কোন ট্রাভেল এজেন্ট বা অন্য কেউ আবেদন করে দিতে পারবে না। - সরাসরি ফ্রান্সের দূতাবাসে আবেদন করতে হবে
-
ফ্রান্সের ভিসা আবেদন করার পর ভিসা পাওয়ার জন্য আপনাকে কমপক্ষে হলেও ১০
কর্ম দিবস অপেক্ষা করা লাগবে। তবে একটি কথা মাথায় রাখতে হবে কোন কারণে
যদি আপনার ভিসার ইসু দেখা দেয় তাহলে আপনি আপনার ভিসার পরিকল্পনা
পরিবর্তন করতে পারবেন না বরং আপনাকে সরাসরি বাদ দেওয়া হবে। -
আপনার সকল কাগজপত্রের ফটোকপি এবং মূলক কপি প্রদর্শন করতে হবে। সব থেকে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার ভিসার আবেদন এবং ভিসা ফি জমা দেওয়ার
প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হয় না।
ফ্রান্স যেতে কত টাকা লাগে
মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফ্রান্স
যেতে কত টাকা লাগে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সের বিভিন্ন ধরনের ভিসার
উপরে গিয়ে থাকে মানুষ। তবে সব ভিসার খরচ একই না।
অ্যামাউন্ট নিয়ে থাকে। অতএব আপনি কোন বিষয়ের উপরে ফ্রান্সে যেতে চান সেই
খরচটা নির্ভর করবে সেই ভিসার উপরে। তবে সাধারণভাবে ধারণা করা হয় যে আপনি যদি
বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে যেতে চান তাহলে আপনার সব মিলিয়ে ভিসার খরচ পড়বে ১০
লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকার মত। যেহেতু ভিসার উপরে টাকার পরিমাপ নির্ভর করে সেহুতু
এই টাকার পরিমাপটা পরিবর্তন হতে পারে। এখানে সাধারণভাবে বলা হয়েছে।
ফ্রান্স ভিজিট ভিসা
ভিজিট ভিসায় যেতে চান এবং ভিজি ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তবে পর্বটি
মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক
ফ্রান্স ভিজিট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত।
নিয়ম সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে। একই নিয়মে আপনি ফ্রান্সে ভিজিট ভিসার
মাধ্যমে যেতে পারবেন। ফ্রান্সের ভিজিট ভিসা দিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কি কি
লাগবে নিচে দেওয়া হলঃ
- পাসপোর্ট(সর্বনিম্ন ৬ মাস মেয়াদে)
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি(দুই কপি)
- চার মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- ব্যাংক সলভেন্সি লেটার
- ট্যাক্স রিটার্ন
- ট্যাক্সের সনদ
- কোম্পানির লেটার প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড
শেষ কথা
সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত থেকে থাকে তবে
অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে
অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।



Leave a Reply