কারণে মানুষ সারা বছর খাওয়ার জন্য জলপায়ের বিভিন্ন রকমের আচার তৈরি করে রাখে।
যেন তারা সারা বছর এই জলপাই খেতে পারে। আর এর আচরণ অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
কাঁচা জলপাই খাওয়ার পাশাপাশি জলপাইয়ের আচার ও আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক
উপকারী।
জানেনা। শুধু তাই নয় এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
তবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার তুলনায় এর উপকারিতায় অনেক
বেশি। এই পর্বে আমরা আলোচনা করব গর্ভাবস্থায় জোর খাওয়ার উপকারিতা
সম্পর্কেও। জানতে হলে পুরো পর্ব টি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
ভূমিকা
আমাদের শরীরের ক্ষতি করে না। তাই অন্যান্য ফলের থেকে এই জলপাই অনেক উপকারী একটি
ফল। তাই এটি খুব বেশি পরিমাণে খেলেও তেমন বড় ধরনের কোন সমস্যা হয় না। তবে যাদের
সমস্যা রয়েছে কিংবা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে তাদের জলপাই কম খাওয়ায়
ভালো।
জন্য অনেক উপকারী। আজকে আমরা আলোচনা করব গর্ভাবস্থায় যোগ করা খাওয়ার উপকারিতা
সম্পর্কে।
জলপাই খাওয়ার উপকারিতাঃ
খেতে পছন্দ করে। শুধু তাই নয় এটি সিলন অলিভ নামেও অনেকের কাছে পরিচিত।
বাংলাদেশের মতো আরও বিভিন্ন দেশে এই জলপাই পাওয়া যায়। জলপাই যেমন খেতে
সুস্বাদু। তেমনি এর উপকারিতা অনেক বেশি। জলপায়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন
সি।
ডায়াবেটিস রোগীদের দের জন্য অনেক উপকারী। কারণ এটি তাদের রক্তের শর্করার পরিমাণ
নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়াও এছাড়াও জল পায় একটি ক্যালরিযুক্ত
খাবার। এতে আরো রয়েছে ক্যালসিয়াম যেটি আমাদের হাড়ের সমস্যা দূর করতে সাহায্য
করে। এতক্ষণ আমরা জলপাইয়ের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানান তাহলে চলুন জেনে নেই এর
উপকারিতা সম্পর্কে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে
জল পায়ে ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি রয়েছে। ভিটামিন সি আমাদের ঠান্ডা জনিত রোগ দূর
করতে অনেক সাহায্য করে। শুধু তাই নয় এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও
সাহায্য করে। এতে আরো রয়েছে এনটিঅক্সিডেন্ট আমরা হয়তো সকলেই জানি যে,
করে। সেই সঙ্গে এটি আমাদের শরীরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলো দূর করতেও সাহায্য
করে। তাই জল পায় খাওয়া আমাদের জন্য অনেক উপকারী। আপনারা চাইলে আপনাদের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারেন এই জলপাইয়ের মাধ্যমে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী
জল পায়ে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী কারণ, এটি রক্তের শর্করার পরিমাণ
কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। আমরা হয়তো সকলে ডায়াবেটিস রোগীদের সবসময় ব্লাড সুগার
নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে ডায়াবেটিস
নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। তাই তাদের অধিকাংশ সময়ে ডায়েট কন্ট্রোল করতে হয়। সেই
সঙ্গে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখার খাবার খেতে হয়।
আপনারাও যদি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে জলপাই খেতে পারেন। এটি
আপনার ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এতে থাকা আরো
উপাদানগুলো ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। তাই যারা ডায়াবেটিস রোগে
ভুগছেন তার অবশ্যই জলপাই খাবেন। আর জলপাই খেলে ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা
অনেকটাই কমে যাবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। জলপাইও রয়েছে ফাইবারের একটি
ভালো। উৎস যেটি কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে। এছাড়াও ফাইবার শুধু
কোষ্ঠকাঠিন্য নয় হজম শক্তি বৃদ্ধি করতো সাহায্য করে। তার পাশাপাশি এটি আমাদের
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখত সাহায্য করে। তাই যারা বেশি ওজনের সমস্যায় ভুগছেন তারা
জলপাই খেতে পারেন। অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।
এছাড়াও যারা ডায়েট কন্ট্রোল করতে চাচ্ছেন এটি তাদের জন্যও অনেক উপকারী। কারণ
এতে থাকা ফাইবার পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তাই অল্প খাবার খেয়ে পেট তাড়াতাড়ি
ভরে যায়। আর খুব সহজে ডায়েট কন্ট্রোল করা যায়। তাই আপনাদের যদি হজমের
সমস্যা থাকে কিংবা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকে তাহলে নিয়মিত জলপাই খান। তাহলে এ
ধরনের সমস্যা খুব সহজেই দূর হয়ে যাবে।
হাড় ভালো রাখতে সাহায্য করে
ক্যালসিয়াম। আর আমরা হয়তো সকলে জানি যে ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের জন্য অনেক
উপকারে। এই ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের যেকোনো ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
শুধু তাই নয় ক্যালসিয়ামের অভাবে মূলত আমাদের হাড়ের বিফল ধরনের সমস্যা দেখা
যায়। তাই হারের যেকোনো ধরনের সমস্যা হলে জলপাই খেতে পারেন।
গর্ভ অবস্থায় জলপাই খাওয়ার উপকারিতাঃ
জলপাই এটি টক জাতীয় খাবার হিসেবে গর্ভবতীদের জন্য অনেক সুস্বাদু একটি খাবার।
কারণ বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় টক জাতীয় খাবার খেতে খুব ভালো লাগে। এটি শুধু
খেতে সুস্বাদু নয় বরং এর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। জল পাইয়ে থাকা
ভিটামিন সি গর্ভবতী মায়েদের জন্য অনেক উপকারী। কারণ নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্য
ভালো রাখতে অনেক সাহায্য করে। এছাড়া এটি নবোদয় শিশু চুল ও ত্বক ভালো করত
সাহায্য করে। এছাড়াও এটি দেহের রক্ত চলাচল ঠিক রাখতে অনেক সাহায্য করে।
জলপাইয়ের খুব বেশি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না থাকলেও কিছু কিছু ক্ষতিকারক দিক
রয়েছে। তাই গর্ভাবস্থায় জলপাই খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ না প্রয়োজন।
এছাড়াও যারা রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য জলপাই ক্ষতিকারক হতে পারে।
তাই গর্ভাবস্থায় প্রতিটা জিনিস সতর্কতার সাথে খেতে হবে। তাই জলপাই থেকে
আপনার যদি কোন ধরনের সমস্যা না হয় তাহলে আপনি জলপাই খেতে পারেন।
জলপাই খাওয়ার অপকারিতাঃ
রয়েছে। তাই জল পায়ের উপকারিতা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি অবশ্যই অপকারিতা
সম্পর্কে জানতে হবে। জলপাই বেশ কিছু অপকারের দিক রয়েছে তাহলে চলুন জেনে নেই এর
কিছু অপকারিতা সম্পর্কে।
-
জলপাই অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কলেরা, ডায়রিয়া, বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দিতে
পারে। এছাড়া বারবার বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে। তাই তাদের আগে থেকেই
গ্যাসটিকে সমস্যা রয়েছে তাদের জলপাই না খাওয়াই ভালো। -
আবার যাদের ব্লাড প্রেসার লো রয়েছে জলপাই তাদেরও খাওয়া উচিত নয়। তবে জলপাই
যে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে অনেক বড় ধরনের সমস্যা হয় তা কিন্তু নয়। এটা খুব
একটা বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না। আর এর তেমন কোন ক্ষতিকারক দিক
নেই।
জলপাই তেল অর্থাৎ অলিভ অয়েলের উপকারিতাঃ
জলপাই টেলি মূলত অলিভ অয়েল। আর আমরা হয়তো প্রায় সকলেই জানি অলিভ অয়েলের
উপকারেরী দিক সম্পর্কে। কিন্তু এরা আরো উপকারিতা আছে যেগুলো সম্পর্কে আমরা এখনো
জানিনা। অলিভ অয়েল তেল ত্বকে ব্যবহার করার পাশাপাশি খেলেও বিভিন্ন
ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায়।
-
অলিভ অয়েল তেল আমাদের ত্বকের জন্য কিন্তু বিশেষ করে অনেক উপকারী। এটি আমাদের
ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া অলিভ অয়েল আমাদের ত্বক পরিষ্কার
রাখত সাহায্য করে। -
এছাড়া আর এবার আমাদের চুলের জন্য অনেক উপকারী। এটি আমাদের চুলে ব্যবহার করার
ফলে, চুলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর হয়ে যায়। -
অন্যান্য খাবার তেলের তুলনায় অলিভ অয়েল তেলের টেক্সচার অনেক পরিমাণে হালকা
হয়।
লেখকের মন্তব্য
জলপাই খাওয়ার উপকারিতা এবং গর্ব অবস্থায় খাবার উপকারিতা সম্পর্কে। আজকের পর্ব
থেকে যদি আপনি কিছু শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন তাহলে আজকের আর্টিকেলটি লেখা
আমাদের সার্থক হবে আর যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।



Leave a Reply