দোয়া করলে বা কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে।আপনারা যদি না জেনে থাকেন তাহলে আজকের এই
আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে।
তাহলে এই দোয়ার বরকতে আপনার টাকা পয়সার অভাব থাকবে না। তাহলে চলুন দেরি না করে
জেনে নেই কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে। আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি আপনার অনেক উপকারে
লাগবে তাই একটুও মিস করবেন না।
কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে
কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে ভাগ্যের চাকা কে ঘুরিয়ে কীভাবে আপনারা দারিদ্রতা
থেকে উপরে উঠবেন ৷ কিভাবে আপনি সাবলম্বি হবেন এমন একটি আকাঙ্খা সবার মনে থাকে ৷
এবং আল্লাহ তায়ালার রাসূল ( সা ) তার পুরো জীবন ব্যাপী এই দারিদ্রতা বিপক্ষে
যুদ্ধ করে গিয়েছেন অনেক টা বলা যায় ৷ তিনি সব সময় সকলের জন্য দারিদ্রতা বিমোচন এর
জন্য কাজ করে গিয়েছেন এবং তিনি নিজে ও আল্লাহ তায়ালার কাছে দারিদ্রতা থেকে পানাহ
চায়তেন ৷
( সা ) প্রায় এই দোয়া টি পড়তেন যে ” আল্লাহুম্মা ইন্নি আয়ুযুবিকা মিনাল ফাকরি
ওয়াল কিল্লাতি ওয়াল যিললা ” এর মানে হচ্ছে হে আল্লাহ আমি দারিদ্রতা থেকে আপনার
কাছে পানাহ চাই ৷ তোমার স্বল্পতা থেকে আমি মুক্তি চাই ৷ এই লাঞ্ছনা থেকে আমি
মুক্তি চাই ৷ আমি বড় হতে চায় আমি ইনকাম করতে চায় আমি ভালো থাকতে চায় ৷ এমন একটি
ইচ্ছা কার না থাকে না ৷
৷ এমন ইচ্ছা থাকার কথা ৷ কারণ এই ইচ্ছা টি তো খারাপ না বা আপনি যদি সত পথে ইনকাম
করে সাবলম্বি হতেই চান তাহলে তো এটা কোন হারাম ইচ্ছা না ৷ আর একটি কথা ওলামা
ইকরামেরা বলে থাকে সমাজে ইসলাম জাকাত কে প্রেসক্রাইব করেছে বা আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিন জাকাত কে ফরজ করেছেন কেন , কারণ সমাজ থেকে দারিদ্রতা দূর করতে ৷
আর এক পাশে মানুষ রাস্তার পাশে বস্তিতে না খেয়ে থাকবে অর্থাৎ রাস্তার এক পাশে
মানুষ গুলো ৫ তলা বিল্ডিং এ থাকবে আর রাস্তার এক পাশে মানুষ গুলো গাছ তলাতে থাকবে
এটা ইসলাম কখনোই চায় না ৷ বরম ইসলাম চায় সম্পদের এই তারল্য অর্থাৎ সমতা সবার কাছে
পৌছে যাক ৷ সমাজের সকলে সুখে , শান্তিতে , সৌহার্দ পূর্ণ ভাবে বেঁচে থাকুক ৷ এটা
একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি নেট অথবা সমাজের সতর্কতা ৷ আমাদের সমাজের অর্থ পরিমাপ করে
দেখা থাকে যে আমাদের সমাজের ৯৫ % সম্পদ এর মালিক আমাদের সমাজ এর ৫ % লোক ৷
এর এই দারিদ্রতা বা বৈষম্য গুলো তৈরি হয়েছে ৷ সূরাতুল হাশর এর ৭ নাম্বার আয়াতে
আল্লাহ তায়ালা এই দিক টা ইঙ্গিত করে বলেছেন ” কাইলা ইয়াতুন দু না বাই তাল নিয়া
ইয়া মিনকুম ” ইসলাম চায় সম্পদ যেন আমাদের কারো মাঝে কুক্খিগত হয়ে না থাকে ৷ এবং এ
সম্পদের তারল্য যেন সবার কাছে পৌছে যায় ৷
যে দোয়া পড়লে টাকার অভাব হয় না। কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে
মানুষের চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই ৷ জন্মের পর থেকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত পুরো এই
জীবনে প্রত্যেক টি মানুষের জন্য ব্যাপক সংখ্যক চাহিদা এর সৃষ্টি হয় ৷ এই জন্য
রাব্বুল আলামিন বলেছেন , তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব ৷ আবার
মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন অতি লোভিদের উদ্দেশ্যে নিজেই কোরআনে বলে
দিয়েছেন , আলহা – কুমু ত্তাকা – ছুরু , হাত্তা – র্যুতুমুল মাক্কা র্বি ৷
অর্থাৎ তোমাদের বেশি বেশি চাওয়া তোমাদের কবর পর্যন্ত নি যাচ্ছে ৷ তাই মানুষ এর
আরো আরও চাওয়ার কিন্তু শেষ নেই ৷ আল্লাহ তায়ালা নিজেই বর্ণনা করেছেন মানব জাতি আর
ও বাঁচবো , আর ও খাব , আর ও চাই অর্থাৎ আপনার যদি ১ তলা বাড়ি থাকে তাহলে আমি ২
তলা বাড়ি কবে করব এমন চাওয়ার শেষ নেই ৷ যার যত আছে তার তত বেশি চায় ৷ সবাই আবার
এক রকম না আমাদের সমাজের এমন অনেক মানুষ আছে যারা সত্যি অর্থে গরীব ৷
তারা ঠিক মতো খেতে পায় না , পরতে পায় না আবার ঠিক মতো থাকার জায়গায় পর্যন্ত নেই ৷
তারা সব সময় আল্লাহ তায়ালার কাছে দারিদ্রতা থেকে পানাহ চাই অর্থাৎ আপনার যদি
নিজের দরিদ্রতা প্রতি অনিহা থেকে থাকে তাহলে আপনি কোন আমল করবেন খুজে পাচ্ছেন না
৷ তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে কোন আমল করলে আপনি আপনার দারিদ্রতা থেকে
পানাহ পাবেন ৷ কিভাবে আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন কে সন্তুষ্ট করবেন ৷
আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন কখনো বলেন নি যে তোমরা তোমাদের দুনিয়াবি প্রয়োজনীয়
কিছু চাও আর আমি তা দিব না ৷ বরং আপনারা যদি যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহর মুখাপেক্ষি
হন তাহলে আল্লাহ খুশি হবেন ৷ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে
বান্দার কোন ইচ্ছে বিফলে যায় না ৷ আল্লাহ সকল এর চাওয়া পূরণ করে ৷ শুধু কারো আগে
কারো পরে ৷ আপনার চাওয়া যদি সঙ্গে সঙ্গে পূরণ হয় তাহলে আপনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
করবেন আর যদি পূরণ না হয় তাহলে শবর করবেন৷
কারণ আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন সকলের ইচ্ছা পূরণ করে আপনার ইচ্ছে পূরণ
হতে যদি দেরি হয় তাহলে আল্লাহ নিশ্চয় আপনার জন্য উত্তম কিছু রেখেছেন ৷ কারণ
আল্লাহ উত্তোম পরিকল্পনাকারী ৷ আল্লাহ কাছে যারা চায় বা আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল
আলামিন এর কাছে যারা চাইতে পারেন তারা দুনিয়া এবং আখিরাতে অধিক কল্যাণ কামী ৷
আজকের এই আমল টি করে আল্লাহর কাছে চাইলে ইনশাআল্লাহ জীবনে কোন দিন ধন সম্পদ বা
অর্থের অভাব হবে না ৷
পূরণ করবেন ৷ খালেজ নিয়তে এই দোয়াটি পড়ার পূর্বে অবশ্যই দরুদ শরীফ পড়বেন এবং
দোয়াটি শেষ হওয়ার পর পুনরায় ৩ – ৪ বার দরুদ শরীফ পড়বেন ৷
দোয়া টি হচ্ছে –
আল্লাহুম্মা ইন্নি আয়ুযুবিকা মিনাল কুফরি , ওয়াল ফাকরি , ওয়া আয়রযুবিকা মিন
আযাবিল কাবরী , লা ইলাহা ইললা আনতা ৷ ( সুবাহানাল্লাহ ) ৷
কোন দোয়া পড়লে মনের আশা পূরণ হয়। কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে
এমন কিছু সময় আছে যে সময়ে দেওয়াল এ পিঠ ঠেকে যায় ৷ এমন সময় নিজের মনের আশা পূরণ
করা ছাড়া আর কোন শেষ উপায় নেই ৷ এমন সময় এমন পরিস্থিতি তে আমাদের মনে সকল ইচ্ছা
একান্ত ইচ্ছা প্রকাশ এবং মনের বাসনা পূরণ এর জন্য আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন এর
কাছে পোশন করার জন্য একটি পন্থা বা পথ শিখিয়ে দিয়েছেন আমাদের রাসূল পাক ( সা )
৷
পথ বা পন্থাটি হলো ইসমে আজম ৷ ইসমে আজম মানে হচ্ছে মহান নাম ৷ আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিন এর এই ইসমে আজম তথা মাহান নামের মাধ্যমে কোন কিছু চাওয়া হলে তিনি
সেটা পূরণ করেন ৷ এই নাম এর মাধ্যমে ডাকা হলে তিনি সেই ডাকে সাড়া দেন ৷ ইসমে আজম
–
” আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিয়ান্নাকা আন্তাল্ললাহু লা ইলাহা ইললা আনতা আহাদুন
সামাদু ল্লাযি লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ ” ৷
দারিদ্রতা দূর করার দোয়া। কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে
কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে আল্লাহ তায়ালার রাসূল ( সা ) তার পুরো
জীবন ব্যাপী এই দারিদ্রতা বিপক্ষে যুদ্ধ করে গিয়েছেন অনেক টা বলা যায় ৷ তিনি সব
সময় সকলের জন্য দারিদ্রতা বিমোচন এর জন্য কাজ করে গিয়েছেন এবং তিনি নিজে ও আল্লাহ
তায়ালার কাছে দারিদ্রতা থেকে পানাহ চায়তেন ৷
সুনানে আবু দাউদ এর একটি হাদিস আমি এখানে উল্লেখ করছি যে , আল্লাহ তায়ালার
রাসূল ( সা ) প্রায় এই দোয়া টি পড়তেন যে ” আল্লাহুম্মা ইন্নি আয়ুযুবিকা মিনাল
ফাকরি ওয়াল কিল্লাতি ওয়াল যিললা ” এর মানে হচ্ছে হে আল্লাহ আমি দারিদ্রতা থেকে
আপনার কাছে পানাহ চাই ৷ তোমার স্বল্পতা থেকে আমি মুক্তি চাই ৷ এই লাঞ্ছনা থেকে
আমি মুক্তি চাই ৷
একটি কথা ওলামা ইকরামেরা বলে থাকে সমাজে ইসলাম জাকাত কে প্রেসক্রাইব করেছে বা
আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন জাকাত কে ফরজ করেছেন কেন , কারণ সমাজ থেকে
দারিদ্রতা দূর করতে ৷ এর মধ্যে অন্যতম একটা কারণ হলো আমাদের সমাজের একপাশে মানুষ
৫ তলা বিল্ডিং এ থাকবে আর এক পাশে মানুষ রাস্তার পাশে বস্তিতে। না খেয়ে থাকবে
অর্থাৎ রাস্তার এক পাশে মানুষ গুলো ৫ তলা বিল্ডিং এ থাকবে আর রাস্তার এক পাশে
মানুষ গুলো গাছ তলাতে থাকবে এটা ইসলাম কখনোই চায় না ৷ বরম ইসলাম চায় সম্পদের এই
তারল্য অর্থাৎ সমতা সবার কাছে পৌছে যাক ৷ সমাজের সকলে সুখে , শান্তিতে , সৌহার্দ
পূর্ণ ভাবে বেঁচে থাকুক ৷
দারিদ্রতা ও ঋণ দূর করার দোয়া
সুপ্রিয় কাটুক আমরা আগের পর্ব জেনেছি কোন দোয়া পড়লে টাকা আসে। আমরা জানবো দারিদ্রতা ও ঋণ দূর করার দোয়া।আমাদের সমাজের এমন অনেক মানুষ আছে যারা সত্যি অর্থে গরীব ৷ তারা ঠিক মতো খেতে পায়
না , পরতে পায় না আবার ঠিক মতো থাকার জায়গায় পর্যন্ত নেই ৷ তারা সব সময় আল্লাহ
তায়ালার কাছে দারিদ্রতা থেকে পানাহ চাই অর্থাৎ আপনার যদি নিজের দরিদ্রতা প্রতি
অনিহা থেকে থাকে তাহলে আপনি কোন আমল করবেন খুজে পাচ্ছেন না ৷
তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে কোন আমল করলে আপনি আপনার দারিদ্রতা থেকে পানাহ
পাবেন ৷ কিভাবে আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন কে সন্তুষ্ট করবেন ৷ আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিন কখনো বলেন নি যে তোমরা তোমাদের দুনিয়াবি প্রয়োজনীয় কিছু চাও আর
আমি তা দিব না ৷ বরং আপনারা যদি যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহর মুখাপেক্ষি হন তাহলে
আল্লাহ খুশি হবেন ৷
না ৷ আল্লাহ সকল এর চাওয়া পূরণ করে ৷ শুধু কারো আগে কারো পরে ৷ আপনার চাওয়া যদি
সঙ্গে সঙ্গে পূরণ হয় তাহলে আপনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন আর যদি পূরণ না হয়
তাহলে শবর করবেন ৷ কারণ আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন সকলের ইচ্ছা পূরণ করে আপনার
ইচ্ছে পূরণ হতে যদি দেরি হয় তাহলে আল্লাহ নিশ্চয় আপনার জন্য উত্তম কিছু রেখেছেন ৷
কারণ আল্লাহ উত্তোম পরিকল্পনাকারী ৷
তারা দুনিয়া এবং আখিরাতে অধিক কল্যাণ কামী ৷ আজকের এই আমল টি করে আল্লাহর কাছে
চাইলে ইনশাআল্লাহ জীবনে কোন দিন ধন সম্পদ বা অর্থের অভাব হবে না ৷ ইনশাআল্লাহ
আপনার এই দোযার বদৌলতে আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন আপনার সকল চাওয়া পূরণ করবেন
৷ খালেজ নিয়তে এই দোয়াটি পড়ার পূর্বে অবশ্যই দরুদ শরীফ পড়বেন এবং দোয়াটি শেষ
হওয়ার পর পুনরায় ৩ – ৪ বার দরুদ শরীফ পড়বেন ৷
দোয়া টি হচ্ছে –
আল্লাহুম্মা ইন্নি আয়ুযুবিকা মিনাল কুফরি , ওয়াল ফাকরি , ওয়া আয়রযুবিকা মিন
আযাবিল কাবরী , লা ইলাহা ইললা আনতা ৷ ( সুবাহানাল্লাহ ) ৷
বেকারত্ব দূর করার দোয়া
আমাদের বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের অবস্থা বিবেচনা করে দেখা যায় আমাদের বাংলাদেশের
তরুণ তরুণীদের সব প্রায় বেকার ৷ আমাদের বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের সকল দিক বিবেচনা
করলে দেখা যাবে বেকারত্বের সংখ্যা সব থেকে বেশি ৷ আমাদের বাংলাদেশের তরুণ
তরুণীদের মাঝে এখন হতাশা বেশি কাজ করে কারণ তারা তাদের বেকার জীবন নিয়ে ডিপ্রেশন
এর শিকার হয় বেশি ৷ তাই তারা সব সময় একটি প্রশ্ন করে যে বেকারত্ব দূর করার কোন
আমল আছে কি ৷ তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বেকারত্বের সংখ্যা বা বেকারত্ব দূর করার
আমল ৷
বেকারত্ব দূর করার সব থেকে ভাল আমল হলো খুব সিরিয়াস এর সাথে কাজ করা ৷
আপনি আপনার বেকারত্ব দূর করার জন্য যে কোন হালাল কাজ করতে পারেন ৷
আপনাকে আল্লাহর উপর ভর্সা রেখে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে ৷ বেশি বেশি
ইস্তেগফার পাঠ করবেন ৷
আল্লাহুম্মা আসআলুকা আল মান্না ফেয়া ওয়ালাসকান তায়্যিবা ওয়ালামা মুতাকাব্বালা এই
দোয়া টি পাঠ করবেন সকাল সন্ধ্যা ৷
রিজিক বৃদ্ধির দোয়া
রিজিক বৃদ্ধি করতে বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করবেন ৷ এবং সকাল সন্ধ্যা এই দোয়া টি
পাঠ করতে পারেন এতেও রিজিক বৃদ্ধি পায় ৷ দোয়া টি হল –
আল্লাহুম্মা আসআলুকা আল মান্না ফেয়া ওয়ালাসকান তায়্যিবা ওয়ালামা মুতাকাব্বালা এই
দোয়া টি পাঠ করবেন সকাল সন্ধ্যা ৷



Leave a Reply