আপনি যদি ইসলামী ব্যাংক লোন পদ্ধতি – ইসলামী ব্যাংকের পার্সোনাল লোন সম্পর্কে
জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি ইসলামী ব্যাংক লোন
পদ্ধতি এবং ইসলামী ব্যাংকের পার্সোনাল লোন সম্পর্কে সঠিক ধারণা নিতে পারবেন।
অনেকগুলো নিয়ম মেনে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে পার্সোনাল লোন দেওয়া হয়। চলুন
আজকে এই পর্বের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক লোন পদ্ধতি – ইসলামী ব্যাংকের পার্সোনাল
লোন সম্পর্কে জানা যাক।
আজকের এই পর্বটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি জানতে পারবেন ইসলামী ব্যাংকের
লোন নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে। ইসলামী ব্যাংকের লোন নিতে হলে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ
করতে হবে এবং কোন কোন ডকুমেন্টস প্রয়োজন হবে সেই সকল তথ্য নিয়ে আজকের পর্বটি।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ইসলামী ব্যাংক লোন পদ্ধতি – ইসলামী ব্যাংকের পার্সোনাল
লোন সম্পর্কে।
ইসলামী ব্যাংক লোন
মানতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের লোনের পদ্ধতি অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় কিছুটা আলাদা
রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক রয়েছে যারা মানুষকে বিভিন্ন ভাবে ঋণ
প্রদান করে থাকে। এ সকল ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবথেকে অন্যতম এবং ঋণগ্রহীতাদের বেশি
সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছে ইসলামী ব্যাংক। অর্থ সামাজিক উন্নয়নের ইসলামী ব্যাংক ঋণ
প্রদানের সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ঋণ প্রদানের লক্ষে ইসলামী ব্যাংক
অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় কিছু নীতিমালা গ্রহণ করেছে। যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে
ঋণ গ্রহণ করতে অবশ্যই সেই ঋণ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা পূরণ করতে হবে।
ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে ঋণ গ্রহিতাদের সব থেকে বেশি সুবিধা দিয়ে আসছে।
ইসলামী ব্যাংক লোন পদ্ধতি
আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি ইসলামী ব্যাংকের লোন নেওয়ার পদ্ধতি
সম্পর্কে অবগত হবেন। ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিতে হলে প্রথমেই আপনাকে ইসলামী
ব্যাংকের একজন গ্রাহক হতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের লোন নিতে হলে কি কি পদ্ধতি
পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে তা তুলে ধরা হলোঃ
-
ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিতে হলে প্রথমে আপনাকে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃক একটি
ফরম পূরণ করতে হবে এবং সেই ফর্মটি আপনার এলাকার ইসলামী ব্যাংকে জমা দিতে
হবে। - আপনার বেতনের স্টেটমেন্ট অথবা আয়ের স্টেটমেন্ট তাদের জমা দিতে হবে।
-
মাসিক ইনকাম ৫০ হাজার টাকার বেশি হলে আপনি ১০ লক্ষ টাকা লোন নিতে
পারবেন। -
Investment নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের যে সকল শর্ত বলে রয়েছে
সেগুলো সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।
ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি
শুধু বাংলাদেশেরাই নয় প্রবাসী রাও এই ব্যাংকের মাধ্যমে বর্তমানে আদান-প্রদান
করেন। লেনদেনের পাশাপাশি একজন প্রবাসী চাইলেই এই ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী লোন
নিতে পারবে। চলুন এই পর্বে ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি সম্পর্কে জানা
যাক। ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি নিচে আলোচনা করা হলোঃ
-
ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী লোন নিতে হলে অবশ্যই আপনাকে ইসলামী ব্যাংক
লিমিটেডের বাংলাদেশের যে কোন শাখা থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে। -
আবেদন সংগ্রহ করার পর সম্পূর্ণ পূরণ করে আবেদন পত্রটির সাথে প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র ইসলামী ব্যাংকে জমা দিতে হবে। -
ঋণ গ্রহিতার আবেদন পত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার পর যদি
আপনি ঋণ পাওয়ার উপযুক্ত হন তবে আপনাকে লোন দেওয়ার অনুমতি প্রদান করা
হবে।
ইসলামী ব্যাংক লোন ইন্টারেস্ট রেট
ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে লোন নিয়ে থাকেন তবে আপনার অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায়
ইন্টারেস্ট রেট অনেকটাই কম এবং অনেক সুবিধা পাবেন। অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায়
ইসলামী ব্যাংক ও বর্তমান সময়ে গ্রাহককে বিভিন্ন প্রকারের লোন দিয়ে থাকে।
আপনার আয়ের উপর নির্ভর করে আপনার লোনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে বাধ্য থাকবে। ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকরা
বর্তমানে বেশি লোন নিয়ে থাকে। কারণ ইসলামী ব্যাংক লোন ইন্টারেস্ট রেট বর্তমানে
৭.৬০% নিয়ে থাকে। এক কথায় বলা যায় ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ করার পর ইসলামী
ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট এর পরিমাণ হয়ে থাকে ৭.৬০%।
ইসলামী ব্যাংক গাড়ি লোন
জন্য লোন নিতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি ইসলামী
ব্যাংক গাড়ি লোন নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমি যদি গাড়ির
ইন্সুরেন্স এর জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ৪
থেকে ৫ বছরের মধ্যে এই টাকাগুলো পরিশোধ করে দিতে হবে।
-
রিকন্ডিশন গাড়ির জন্য আপনি ইসলামী ব্যাংক থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ
নিতে পারবেন - ব্রান্ড নিউ গাড়ির জন্য আপনি ৩০ লক্ষ টাকা লোন নিতে পারবেন
-
এই লোন নিতে হলে অবশ্যই আপনার বয়স সর্বনিম্ন ২১ বছর হতে হবে এবং সর্বোচ্চ
৬৫ বছরের মধ্যে।
ইসলামী ব্যাংক স্যালারি লোন
লাগবে। আপনি যদি চাকরিজীবী না হন তাহলে আপনি স্যালারি লোন নিতে পারবেন না। আপনি
যদি ইসলামী ব্যাংক স্যালারি লোন সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পর্বটি মনোযোগ
সহকারে পড়ুন। ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আপনার বেতনের উপর লোন দিয়ে থাকে এটাকে
মূলত স্যালারি লোন বলা হয়। স্যালারি লোন নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়ে নিচে
আলোচনা করা হলোঃ
-
ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে স্যালারি লোন নিতে হলে অবশ্যই আপনার বয়স ২২ বছর
থেকে শুরু করে ৬০ বছরের মধ্যেও হতে হবে। -
ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে স্যালারি লোন নেওয়ার আবেদন করতে হলে আপনার চাকরির
বেতন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা হতে হবে -
এই লোন আপনি সর্বনিম্ন ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ ২
কোটি টাকা পর্যন্ত।
ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে সাধারণ উন্নয়নের জন্য যেসব কাগজপত্র আপনার
প্রয়োজন
- গত এক বছরের ব্যাংক বিবৃত(বেতন একাউন্টের)
- স্যালারি সার্টিফিকেট
- জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি
- সদ্য তোলার রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি
- আপনার বিদ্যুৎ বিল/পানির বিল অথবা গ্যাস বিল এর ফটোকপি
- দুজন ব্যক্তির রেফারেন্স
ইসলামী ব্যাংক ব্যবসা লোন
চান তাহলে আপনি বিভিন্ন ধরনের লোন নিতে পারবেন। ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের ব্যবসা
করার জন্য এখন লোন দিয়ে থাকে। আপনি যদি শহরকেন্দ্রিক একটি ছোট ব্যবসা করতে চান
তাহলে আপনাকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক লোন দিয়ে থাকবে।
যদি উপজেলা পর্যায়ে কোনো ছোটখাটো ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনি ইসলামী ব্যাংক
থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন নিতে পারবেন। ঋণের পরিমাণটা নির্ভর করবে আপনি
কোন স্থানে প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা করতে চাচ্ছেন তার উপরে। তবে এই লোন নেওয়ার পর
আপনাকে এক থেকে দুই বছরের মধ্যে লোন পরিশোধ করতে হবে।
ইসলামী ব্যাংক খামার লোন
নিতে পারবেন। বর্তমান সময়ে অনেকেই খামার করার জন্য ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন
নিয়ে থাকে। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ইসলামী ব্যাংক এই সুবিধাটি চালু করেছে।
তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ইসলামী ব্যাংক খামার লোন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু
তথ্য।
পর্যন্ত থামার লোন দিয়ে থাকে। আবার যারা গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে থাকে তাদের
জন্য ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত থামার লোন দিয়ে থাকে। ইসলামী
ব্যাংকের মাধ্যমে থামানোর জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপনার প্রয়োজন
হবেঃ
- ঋণগ্রহীতার জাতীয় পরিচয় পত্র ফটোকপি
- আবেদনকারী দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
-
আবেদনকারীর অবশ্যই ইসলামী ব্যাংকে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। গত ছয় মাসের
ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইসলামী ব্যাংকের জমা দিতে হবে
ইসলামী ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবীদের লোন
ব্যাংক সরকারি চাকরিজীবীদের লোন দেওয়ার পদ্ধতি চালু করেছে। সহজ পদ্ধতি মাধ্যমে
আপনি ইসলামিক ব্যাংক থেকে লোন পেতে পারেন।
লোন নিতে হলে অবশ্যই আপনাকে কর্মস্থানে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বা চাকরির
কর্মরত এক বছর হতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন হবে আপনার বেতনের পূর্বের এক
বছরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
নিতে হলে অবশ্যই ইসলামী ব্যাংকে আপনার একাউন্ট থাকতে হবে এবং লোন নেওয়ার
ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার চাকরির জীবনের এক বছরের অভিজ্ঞতা
হতে হবে।
সহজে ইসলামী ব্যাংক এর মাধ্যমে লোন নিতে পাবেন।
ইসলামী ব্যাংক কৃষি লোন
দিয়ে আসছে। আপনি যদি কৃষক হয়ে থাকেন বা কৃষিকাজে নিয়োজিত থেকে ইসলামী
ব্যাংকের মাধ্যমে লোন নিতে পারবেন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে কৃষির উপর বেশি
নির্ভরযোগ্য হওয়ায় এই লোনের সুবিধার দিয়ে থাকে বিভিন্ন ব্যাংকগুলো।
কৃষি লোন নেওয়ার জন্য আপনার যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে তা নিচে দেওয়া
হলঃ
- আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র ফটোকপি
- জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র(ট্যাক্স প্রদানের কাগজ/দলিল)
- কৃষি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা
শেষ কথা
– ইসলামী ব্যাংকের পার্সোনাল লোন সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন। আপনার যদি ইসলামী
ব্যাংক লোন পদ্ধতি এবং ইসলামী ব্যাংকের পার্সোনাল লোন সম্পর্কে কোন মতামত থেকে
থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি ভালো লেগে থাকে তবে
অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।


Leave a Reply