মুজিব যেমন স্নেহের সাথে পরিচিত ছিলেন, তেমনি ছোটবেলা থেকেই রাজনীতিতে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি অল ইন্ডিয়া মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনে যোগ দেন এবং পাকিস্তানের বৃহত্তর কাঠামোর মধ্যে বাঙালিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার উকিল হয়ে ওঠেন। সময়ের সাথে সাথে, তিনি পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা হিসাবে আবির্ভূত হন।
ভূমিকাঃবঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা রচনা
প্রতিটি স্বাধীন দেশের পিছনে রয়েছে এক বীরত্বের কাহিনী। প্রত্যেক
দেশপ্রেমীরাই তাদের দেশের জন্য জীবন দিতে রাজি থাকলেও, দেশকে স্বাধীন করতে হলে
প্রয়োজন হয় একজন নেতার। সেই নেতার সঠিক নেতৃত্বে সকলের যদি একসাথে মিলে যুদ্ধ
করে তাহলে সেই দেশের স্বাধীন হতে আর কেউ বাধা দিতে পারবে না।
তেমনি আমাদের
বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পেছনেও কিন্তু রয়েছে এক বীরের কাহিনী। তিনি হলেন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নেতৃত্বে আজ আমাদের বাংলাদেশ স্বাধীন। তার
আত্মত্যাগের কারণে আমরা আজ নিজের মাতৃভাষায় কথা বলতে পারছি। বঙ্গবন্ধুর সেই
৭ই মার্চের ভাষণ বাঙ্গালীদের মনে জাদুর ছোঁয়ার মতো গেঁথে গিয়েছিল।
তারা সে
ভাষণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেমে পড়েছিলেন। তারা তাদের জীবনের
পরোয়া না করে যুদ্ধ করেছেন এবং আমাদের বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন।
জন্ম পরিচয়ঃ
শেখ মুজিবুর রহমান যে বাংলার মাটিতে জন্ম ছিলেন এটি বাংলাদেশের অনেক বড় সৌভাগ্য।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে
জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন(৩ই চৈত্র ১৩২৭
বঙ্গাব্দ)। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম ছিল লুৎফর রহমান এবং মাতার
নাম ছিল সায়েরা খাতুন।
শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তার মাতা পিতার
তৃতীয়তম সন্তান। শেখ মুজিবুর রহমানের ছোটবেলার ডাকনাম ছিল খোকা। শেখ
মুজিবুর রহমানের মাতা তাকে আদর করে খোকা বলে ডাকতেন। ছোটবেলা থেকেই
তিনি মানুষের কষ্ট দেখে তাদের সাহায্য করতেন। নিজের ছাতা অন্যজনকে দিয়ে
বৃষ্টিতে ভিজেও তিনি বাড়ি ফিরেছেন। তাই ছোটবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের দেশ প্রেম অটুট ছিল।
শিক্ষাজীবনীঃ
বিবাহিত জীবনঃ
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনঃ
বলতে গেলে ভালো মানুষ শেখ মুজিবুর রহমানের ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির হাতে খড়ি
হয়েছে। কারণ তিনি ছোটবেলা থেকে গরিব দুঃখীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। অন্যের বিরুদ্ধে
প্রতিবাদ করেছে। এই প্রতিবাদ করতে যেয়ে তিনি অষ্টম শ্রেণীতে থাকাকালে জেলে
গিয়েছিলেন। তিনি যখন ইসলামিয়া কলেজে অধ্যায়ন করছিলেন তখন হোসেন শহীদ
সোহরা ওয়ারদির সন্নিধ্যে আসেন।
এখান থেকেই তিনি রাজনৈতিক জীবনের দিকে ক্রমশ
এগিয়ে যেতে থাকেন। তিনি ছাত্র জীবনে থাকা অবস্থায় অনেক সংগ্রাম এবং আন্দোলন
করেছেন। এরপর থেকে রাজনৈতিক জীবনী তার কাছে প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। এরপরেই তিনি
বঙ্গবন্ধু উপাধি পেয়েছিলেন। কে রাজনৈতিক জীবনে আসার পরে তিনি বাঙালির নেতা
হিসেবে পরিচিত হন। তার ৭ই মার্চের ভাষায় বাঙালির মনে যখন জাদুর ছোঁয়ার মত কাজ
করে, তখন বাঙালিরা যুদ্ধের জন্য মাঠে নেমে পড়েন। আর এরপরে বাংলাদেশ স্বাধীন
হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুঃ
বঙ্গবন্ধুর দেশের জন্য আত্মত্যাগঃ
শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুঃ
উপসংহারঃবঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা রচনা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের বাংলার জাতির পিতা। তিনি আজ আমাদের মধ্যে না
থাকলেও তার অবদান চিরকাল আমাদের মাঝে থেকে যাবে। তিনি অনেক দিন বাঁচতে চেয়েছিলেন
কিন্তু তিনি বাঁচতে পারেননি সেই ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য। কিন্তু সব থেকে বড়
সৌভাগ্যের ব্যাপার এই যে চিরকাল তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন। তার এই আমরা কখনো
ভুলতে পারবো না। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা
নিয়ে আমাদের দেশের জন্য কাজ করতে হবে।


Leave a Reply