প্রিয় পাঠক আপনি যদি ছাগল পালন পদ্ধতি ২০২৪ সম্পর্কে জানতে চান তাহলে
আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই আর্টিক্যাল এর মাধ্যমে আপনি
জানতে পারবেন ছাগল পালন পদ্ধতি ২০২৪ সম্পর্কে।বর্তমানে ছাগল পালন একটি
লাভজনক ব্যবসা। কি করে ছাগল পালন করে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করা যায়। এ সম্পর্কে
জানতে হলে পোস্টটি সম্পন্ন পড়ুন।
লাগবে, ছাগল পালনে লাভ ক্ষতির হিসাব কোন জাতের ছাগল পালনে লাভ বেশি হয় এসব
বিষয়। তাহলে দেরি না করে চলুন দেখে নেই কি করে ছাগল পালন করতে হয়
এবংছাগল পালন পদ্ধতি ২০২৪।
ছাগলের খামার করার নিয়ম
পোস্টটি আপনার জন্য তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই ছাগল এর খাবার করার
নিয়ম। ছাগল পালন করার জন্য সর্বপ্রথম আমাদের প্রয়োজন হবে একটি ঘর বা একটি
ছাগলের খামার।
৪থেকে ৮বর্গফুট জায়গা প্রয়োজ্ন।ছাগলের খামার হতে হবে এমন, যা মাটি থেকে এক
মিটার উচ্চতা থাকতে হবে এবং মেঝেটা কাঠের মাচান হলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ
মাচানের ওপর ছাগলছানা ভালোভাবে হাঁটা চলাফেরা করতে পারবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো-বাতাস ঢুকতে পারে। ছাগলের খামার করার জন্য এমন জায়গা
চয়েস করতে হবে যেখানে বর্ষাকালে পানি জমে থাকবেনা।
ছাগলের জাতের নাম ও ছবি
সোজাতঃ এই জাতের ছাগলগুলো ইন্ডিয়ান ছাগল। ছাগল গুলো দেখতে সাধারণত
সাধারণের হয়ে থাকে। আর এগুলো এগুলো আকারেও অনেক বড় এবং খুব দ্রুত বড়
হয়। ১২০ থেকে ১৩০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। এরা নয় মাস পর পর মূলত বাচ্চা
দিয়ে থাকে। অন্যান্য সাগরে তুলনায় এ ছাগলগুলোর দামও অনেক বেশি হয়ে থাকে।
কামরিঃ এটি একটি পাকিস্তানের জাতের ছাগল। এই ছাগলের গায়ের রং
সাধারণত কালো রঙের হয়ে থাকে। তার পাশাপাশি এরা অনেক লম্বা হয়। অন্যান্য
ছাগলের থেকে এদের অনেক কান অনেক বড় হয়ে থাকে। অন্যান্য ছাগলের থেকে এ
ছাগলকে আলাদা করা যায় তার শিং দেখে। ছাগলগুলোর গান প্যাঁচানো হয়ে থাকে
এবং মোটা হয়ে থাকে।
শিরোহিঃ এ জাতের ছাগলগুলো ভারতীয় ছাগলের একটি জাতের মধ্যে পরে।
জাতের ছাগলের নামকরণ করা হয়েছে প্রথম যে স্থানে এই ছাগল পালন করা হতো।
এটাতে ছাগল সাধারণত মাংস ও দুধের জন্য পালন করা হয়। এই জাতের ছাগলের রং
বাদামী সঙ্গে হালকা কালো রঙের হয়ে থাকে।
ছাগলের খামার করতে কত টাকা লাগবে
সম্পর্কে? তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক ছাগলের খামার করতে কত টাকা লাগে।একটি
ছাগলের খামারের জন্য কত খরচ,হবে এটা নির্ভর করে আপনার উপরে, আপনি কিভাবে শুরু
করবেন এটা উপর নির্ভর করবে আপনার পরিকল্পনার উপরে।
পালন করতে কিরকম খরচ হবে এ সম্পর্কে। নিচে দশটি ছাগল পালনের খরচের লিস্ট
দেওয়া হলঃ
১ম খরচ
৬0 থেকে ৭0 হাজার টাকা।
এই যেমন ধরুন বাঁশ কাঠ লোক বল এসব আরকি।
কাজ হচ্ছে ছাগলের জন্য ঘাস চাষ করতে হবে, এর জন্য আপনাকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার
টাকা খরচ করতে হবে। প্রথমে ঘাসের চারা সংগ্রহ করতে হবে, তারপর আপনাকে জমি চাষ
করে সেই জমিতে ঘাসের চারা রোপন করতে হবে সেখান থেকে আপনি ছাগলের জন্য ঘাস
পাবেন।
করতে হবে ধরে নেওয়া যাক সেটার জন্য ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হবে। যে
জায়গা আপনি খামার করবেন তার চারিদিকে কোন কিছু বেরা বা বাঁশ দিয়ে ঘিরে দিতে
হবে সেটার জন্য খরচ বাবদ ধরা হয়েছে 10 থেকে 12 হাজার টাকা।
মূল্য ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা লাগবে।
হবে। এই খরছ করতে হবে গাছের ডাল পাতা, ভাতের মার, ভুসি এসবের জন্য।
থাকবে তাদের চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমান খরচ করতে
হবে। ধরে নিন মোট ৫000 টাকা।
আমাদের ১,২্০,০০০ হাজার টাকা।
ছাগল পালনে লাভ ক্ষতির হিসাব
১৫ টাকা করে তাহলে মোট দশটি মেয়ে ছাগলের পিছনে খরচ ১৫০ টাকা। মাসে ৪৫০০ টাকা
খরচ। ১৫ মাসের খরচ হবে মোট ৬৭ হাজার ৫00 টাকা।ছাগলের দাম৬০০০০+৬৭৫০০=১২৭৫০০,
(ছাগলের দাম + খাবার খরচ) এতক্ষণ আমরা দেখলাম খরচের হিসাব। এখন দেখব এই ১৫
মাস পরে ছাগল আমাদের কি ফিডব্যাক দিল।
১২০০০+২৫০০=১৪৫০০
এক লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা, আমার খরচ হয়েছিল ১২৭৫০০আমি পেলাম এক লক্ষ ৪৫ হাজার
টাকা তাহলে আমার আয় দাঁড়ালো ১৭৫০০ টাকা।
কোন জাতের ছাগল পালনে লাভ বেশি
কথা। ছাগল পালনে বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ স্থানে অবস্থান করেছে।ব্ল্যাক
বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড হিসেবে পরিচিত। এমন কোন বাড়ী নেই যে
বাড়িতে ব্লাক বেঙ্গল ছাগল নেই।
তিনটি বাচ্চা প্রসব করে আট থেকে নয় মাস পর পর বাচ্চা দেয় সবমিলিয়ে ছাগল
লালন পালন করা লাভজনক। তাই আপনারা যদি কেউ ছাগল পালন করতে চান তাহলে অবশ্যই
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করবে।
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল চেনার উপায়
কি? তাহলে চলুন দেরি না করে ব্লাক বেঙ্গল ছাগল চেনার উপায় জেনে নেই।ব্ল্যাক
বেঙ্গল ছাগল বাংলাদেশের কালো ছাগল বলে পরিচিত, বাংলাদেশ এবং ভারতের কিছু
রাজ্যে বসবাসরত ছাগলের একটি প্রজাতি। বাচ্চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ছাগলটির
অন্য জাতের ছাগলের তুলনায় বেশি বাচ্চা প্রসব করে, বিশ্ববাজারে এর চামড়া এবং
মাংস খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
এবং নরম ও মসৃণ এবং পা খাটো হয়ে থাকে এদের কান১১ থেকে ১৪ সেন্টিমিটার এর
মধ্যে হয়, এবং সামনের দিকে সূচালো থাকে।
কোন জাতের ছাগল বেশি দুধ দেয়
পোস্টটি আপনার জন্য। দেরি না করে মনোযোগ সহকারে পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন কোন
জাতের ছাগল বেশি দুধ দেয়। ছাগলের বহু রকমের জাত আছে তার মধ্যে সবচাইতে দুধ
এবং মাংসের জন্য বিটল প্রজাতির ছাগল ভালো। বিটল প্রজাতির ছাগল বেশি দুধ
দেয় এবং মাংসের পরিমাণও অনেক বেশি।
জনপ্রিয় উঠেছে এই বিটল প্রজাতির ছাগল।
শেষ কথা।ছাগল পালন পদ্ধতি ২০২৪
ছাগলের খামার করতে কত টাকা লাগব, এবং ছাগল পালনে লাভ ক্ষতির হিসাব এই পোস্টটি
সম্পর্কে যদি আপনার কোন মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে
জানাবেন আর আপনার বন্ধু বান্ধবের মধ্যে পোস্টটি শেয়ার করে দেবেন।




Leave a Reply