প্রিয় পাঠক আপনি যদি সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তবে এই
পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেটে ভুল থাকলে
কিভাবে সংশোধন করা যায় সেই সম্পর্কে। সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন করার নিয়ম জানতে
এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন
করার নিয়ম।
পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেটে ভুল থাকলে
কিভাবে সংশোধন করা যায় সেই সম্পর্কে। সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন করার নিয়ম জানতে
এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন
করার নিয়ম।
আপনি নিশ্চয়ই সার্টিফিকেটে ভুল হলে কিভাবে সংশোধন করতে হবে জানতে চাচ্ছেন? হ্যাঁ
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেট এ
ভুল থাকলে সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে। তাহলে চলুন এই পর্বে জেনে নেয়া
যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম।
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেট এ
ভুল থাকলে সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে। তাহলে চলুন এই পর্বে জেনে নেয়া
যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম।
সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ঢাকা বোর্ড
প্রিয় পাঠক আপনি যদি সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ঢাকা বোর্ড জানতে চান তবে
এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব ঢাকা বোর্ডে
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কি কি প্রয়োজন হয় এবং কিভাবে করতে হয় সেই
সম্পর্কে।
এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব ঢাকা বোর্ডে
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কি কি প্রয়োজন হয় এবং কিভাবে করতে হয় সেই
সম্পর্কে।
ঢাকা বোর্ডের সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে
পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ঢাকা বোর্ড।
ঢাকা বোর্ডের সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম নিতে দেওয়া হলঃ
পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ঢাকা বোর্ড।
ঢাকা বোর্ডের সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম নিতে দেওয়া হলঃ
- সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য প্রথমে আপনাকে সংশোধন ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে।
-
এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ সংশোধন ফি 558 টাকা সোনালী সেবার মাধ্যমে
ব্যাংক ড্রাফট করে শিক্ষা বোর্ড বরাবর আবেদন করতে হবে। -
অনলাইনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য ঢাকা বোর্ডের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন এপ্লিকেশন করতে হবে। -
মোবাইল নাম্বার ও জন্ম নিবন্ধন সনদ পিডিএফ এবং আবেদনকারীর ছবি দিয়ে সাবমিট
করতে হবে। -
আবেদনপত্র প্রিন্টের কপি অপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো সংগ্রহ করে রাখতে
হবে। -
আপনার সকল তথ্য যাচাই করার পরে বোর্ড থেকে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকা
হবে তখন ডকুমেন্টগুলোর সাথে নিয়ে যেতে হবে। -
অবশ্যই পেমেন্ট জমা দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে অনলাইন ব্যাংকিং অথবা সোনালী
ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন ফ্রি পরিশোধ করতে হবে।
সার্টিফিকেট বাবার নাম সংশোধন করার নিয়ম
আপনি যদি সার্টিফিকেট বাবার নাম সংশোধন করার নিয়ম জানতে চান তবে এই পর্বটি
আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন বাবার নাম সার্টিফিকেটে
সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে। সার্টিফিকেটের বাবার নাম কিভাবে সংশোধন করবেন
জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট
বাবার নাম সংশোধন করার নিয়ম।
আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন বাবার নাম সার্টিফিকেটে
সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে। সার্টিফিকেটের বাবার নাম কিভাবে সংশোধন করবেন
জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট
বাবার নাম সংশোধন করার নিয়ম।
প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছরের কম হয়ে থাকে অথবা যদি তার বাবার বা মায়ের নাম
সংশোধন করতে চান তাহলে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম
শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নটারি পাবলিকের কাছ থেকে এবি ডেভিড করতে হবে।
সংশোধন করতে চান তাহলে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম
শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নটারি পাবলিকের কাছ থেকে এবি ডেভিড করতে হবে।
একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার মাধ্যমে হলফনানা সম্পাদন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেটের নাম বাবার নাম, মায়ের নাম,
শাখা,অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম – বিদেশে যাওয়ার চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম
পরীক্ষার সাল পরীক্ষার কেন্দ্রের নাম, রোল নাম্বার বোর্ডের নাম এবং জন্ম তারিখ
উল্লেখ করে বাবার নাম সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেটের নাম বাবার নাম, মায়ের নাম,
শাখা,অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম – বিদেশে যাওয়ার চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম
পরীক্ষার সাল পরীক্ষার কেন্দ্রের নাম, রোল নাম্বার বোর্ডের নাম এবং জন্ম তারিখ
উল্লেখ করে বাবার নাম সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
পরবর্তীতে সকল কাগজপত্র আপনি যে বোর্ডের আওতাধীন রয়েছেন সেই বোর্ডে জমা দিতে
হবে।
হবে।
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে
আপনি যদি সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে জানতে চান তবে এই পর্বটি
আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য
কতদিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে সেই সম্পর্কে। কয়দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট
সংশোধন করা যায় জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য
কতদিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে সেই সম্পর্কে। কয়দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট
সংশোধন করা যায় জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
তাহলে চলুন এই পর্বে জেনে নেয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে।
আপনি আবেদন করা মাত্র যে আপনার সার্টিফিকেট সংশোধন হবে এমন কিন্তু নয়। আবেদন
ফরম জমা দেওয়ার পর আপনি যদি আবেদন ফ্রি জমা না দেন তাহলে আবেদন গৃহীত হবে না।
আবেদন ফি জমা করার পরে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আলাদা একটি প্রোফাইল তৈরি
হবে।
আপনি আবেদন করা মাত্র যে আপনার সার্টিফিকেট সংশোধন হবে এমন কিন্তু নয়। আবেদন
ফরম জমা দেওয়ার পর আপনি যদি আবেদন ফ্রি জমা না দেন তাহলে আবেদন গৃহীত হবে না।
আবেদন ফি জমা করার পরে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আলাদা একটি প্রোফাইল তৈরি
হবে।
সেখানে লগইন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আপনি জানতে
পারবেন। টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে তিন মাস বা এর বেশি
সময় লাগতে পারে।
পারবেন। টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে তিন মাস বা এর বেশি
সময় লাগতে পারে।
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে
সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে আপনি যদি জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার
জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য কত
টাকা খরচ হয় বা কত টাকার প্রয়োজন সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বে
জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে।
জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য কত
টাকা খরচ হয় বা কত টাকার প্রয়োজন সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বে
জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেট সংশোধন করতে কত টাকা লাগে।
প্রত্যেকটি শিক্ষা বোর্ডের সার্টিফিকেট সংশোধন সেই আলাদা হয়ে থাকে। যেমন ঢাকা
বোর্ডে সার্টিফিকেট সংশোধন ফি ৫৫৮ টাকা। এসএসসি এবং এসএসসি দুটি সার্টিফিকেট
সংশোধন করতে চান তাহলে সংশোধন ফ্রি হবে ১১১৬ টাকা।
বোর্ডে সার্টিফিকেট সংশোধন ফি ৫৫৮ টাকা। এসএসসি এবং এসএসসি দুটি সার্টিফিকেট
সংশোধন করতে চান তাহলে সংশোধন ফ্রি হবে ১১১৬ টাকা।
এছাড়াও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে ১০০০ থেকে ২ হাজার টাকা লাগতে পারে। এফিডেভিট
খরচ ৫৫০ টাকা বা তারও কম লাগতে পারে। সার্টিফিকেট উত্তোলন ফি প্রতিটি
সার্টিফিকেট এর জন্য ৫৫৮ টাকা।
খরচ ৫৫০ টাকা বা তারও কম লাগতে পারে। সার্টিফিকেট উত্তোলন ফি প্রতিটি
সার্টিফিকেট এর জন্য ৫৫৮ টাকা।
সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ২০২৪
আপনি যদি সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ২০২৩ জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার
জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন বর্তমানে সার্টিফিকেট সংশোধন করার
পদ্ধতি সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনের মাধ্যমে
সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ২০২৩।
জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন বর্তমানে সার্টিফিকেট সংশোধন করার
পদ্ধতি সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনের মাধ্যমে
সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ২০২৩।
- সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য প্রথমে আপনাকে সংশোধন ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে।
-
এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ সংশোধন ফি 558 টাকা সোনালী সেবার মাধ্যমে
ব্যাংক ড্রাফট করে শিক্ষা বোর্ড বরাবর আবেদন করতে হবে। -
অনলাইনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য ঢাকা বোর্ডের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন এপ্লিকেশন করতে হবে। -
মোবাইল নাম্বার ও জন্ম নিবন্ধন সনদ পিডিএফ এবং আবেদনকারীর ছবি দিয়ে সাবমিট
করতে হবে। -
আবেদনপত্র প্রিন্টের কপি অপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলো সংগ্রহ করে রাখতে
হবে। -
আপনার সকল তথ্য যাচাই করার পরে বোর্ড থেকে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকা
হবে তখন ডকুমেন্টগুলোর সাথে নিয়ে যেতে হবে। -
অবশ্যই পেমেন্ট জমা দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে অনলাইন ব্যাংকিং অথবা সোনালী
ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন ফ্রি পরিশোধ করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম
সার্টিফিকেটে মায়ের নাম সংশোধন করার নিয়ম
সার্টিফিকেটে মায়ের নাম সংশোধন করার নিয়ম জানতে হলে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে
পড়ুন। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেটে
মায়ের নাম সংশোধন করার নিয়ম। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছরের কম হয়ে থাকে অথবা
যদি তার বাবার বা মায়ের নাম সংশোধন করতে চান তাহলে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের
প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নটারি পাবলিকের কাছ থেকে
এবি ডেভিড করতে হবে।
পড়ুন। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক সার্টিফিকেটে
মায়ের নাম সংশোধন করার নিয়ম। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছরের কম হয়ে থাকে অথবা
যদি তার বাবার বা মায়ের নাম সংশোধন করতে চান তাহলে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের
প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নটারি পাবলিকের কাছ থেকে
এবি ডেভিড করতে হবে।
একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার মাধ্যমে হলফনানা সম্পাদন করতে
হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেটের নাম বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা,
পরীক্ষার সাল পরীক্ষার কেন্দ্রের নাম, রোল নাম্বার বোর্ডের নাম এবং জন্ম তারিখ
উল্লেখ করে মায়ের নাম সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেটের নাম বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা,
পরীক্ষার সাল পরীক্ষার কেন্দ্রের নাম, রোল নাম্বার বোর্ডের নাম এবং জন্ম তারিখ
উল্লেখ করে মায়ের নাম সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
পরবর্তীতে সকল কাগজপত্র আপনি যে বোর্ডের আওতাধীন রয়েছেন সেই বোর্ডে জমা
দিতে হবে।
দিতে হবে।
সার্টিফিকেট নাম সংশোধন ফরম
আপনি নিশ্চয়ই সার্টিফিকেট নাম সংশোধন ফরম সংগ্রহ করতে চাচ্ছেন? হ্যাঁ আপনি
সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন করার
ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য ফরম সংগ্রহ করতে এই
পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন করার
ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। সার্টিফিকেট সংশোধন করার জন্য ফরম সংগ্রহ করতে এই
পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
তাহলে চলুন এই পর্বের মাধ্যমে সার্টিফিকেট নাম সংশোধন ফরম দেখে নেওয়া
যাক। আপনি যদি সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন করার জন্য ফরম সংগ্রহ করতে চান
তবে এখানে ক্লিক করুন। ফর্মটি পূরণ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে
আবেদন করে আপনার সার্টিফিকেট সংশোধন করতে পারবেন।
যাক। আপনি যদি সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন করার জন্য ফরম সংগ্রহ করতে চান
তবে এখানে ক্লিক করুন। ফর্মটি পূরণ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে
আবেদন করে আপনার সার্টিফিকেট সংশোধন করতে পারবেন।
এই ফর্মের মাধ্যমে আপনি যেকোন সার্টিফিকেট সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন।
শেষ কথা
উপরোক্ত আলোচনা সাপেক্ষে এতক্ষণে নিশ্চয় সার্টিফিকেট সংশোধন করার নিয়ম ই
সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত থেকে থাকে তবে
অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে
অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।
সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত থেকে থাকে তবে
অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে
অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।




Leave a Reply