এখন শীতের সময়। শীত মানে পিঠাপুলির ধুম। শীত সময়টাই হল পিঠাপুলির
জন্য। এ সময় নানা রকম পিঠাপুলে বানানো হয়। এই শীতের সময় ঘরে নতুন ধান উঠে।
নতুন ধান থেকে চাল হয়, আর এই চাল থেকে তৈরি হয় চালের আটা। আবার এই সময়ে
খেজুর রস পাওয়া যায়।
খেজুর থেকে তৈরি হয় খেজুরের হয় গুড়। এ কারণেই মূলত শীতকালে পিঠা পুলি খুব বেশি
দেখা যায়। কারণ এটা পিঠাপুলের সবচেয়ে ভালো মৌসুম। আর ঘরে নতুন ধান ওঠার
কারণে সকলেরই মন আনন্দ উৎসবে ভরে ওঠে। এ কারণে মূলত তারা খুশি হয়ে ঘরে ঘরে
পিঠাপুলে আয়োজন করেন।
ভুমিকা
এর মধ্যে কিছু কিছু পিঠার সারা বছর তৈরি করা গেলও নির্দিষ্ট কিছু পিঠা আছে যা
শুধুমাত্র এই শীতকালে করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম একটি পিঠা হলো
ভাপা পিঠা। শীতকালে মূলত এর দেখা পাওয়া যায়। রাস্তায় রাস্তায় এটিকে
বিক্রিও করা হয়। এটি সত্যিই অনেক সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় পিঠা। শীতকালের নাম
উঠলে সবার প্রথমে এই পিঠার নামে মনে পড়ে।
এ পিঠাটি বানানো খুব সহজ। তবুও কিছু মানুষজন রয়েছে যারা এখনো পর্যন্ত ভাপা পিঠা
বানানো জানেন না। তাই আজকের পোস্টে আমরা জানবো ভাপা পিঠা তৈরি নিয়ম। কিভাবে
বাড়িতে খুব সহজেই ভাপা পিঠা তৈরি করা যায়। এবং এটি তৈরি করতে কি
কি প্রয়োজন।
ভাপা পিঠা বানাতে কী কী লাগে
এ ভাপা পিঠা বানানোটে খুব সহজ। বাড়িতে থাকা কিছু সহজ জিনিস দিয়ে এটিকে বানানো
যাবে। তাহলে চলুন জেনে নিয়ে ভাপা পিঠা করতে কি কি প্রয়োজন।
১। চালের গুড়ো
চালের গুঁড়ো কতখানি নিতে হবে সেটা নির্ভর করে আপনি কয়টা পিঠা বানাবেন।
এরপর আপনার পরিমাণ মতো চালের গুড়া নিয়ে নিতে হবে। এবারে চালের গুড়া গুলো একটি
পাত্রে ঢেলে নিতে হবে। এরপর সেখানে ঠান্ডা পানি দিয়ে চালের গুড়ার সাথে মিশ করে
নিতে হবে। মিশ করে নেওয়ার পরে চেলে নিতে হবে।
২।খেজুরের গুড়
ভাপা পিঠা সাত বাড়ানোর জন্য সর্ব প্রথমে প্রয়োজন খেজুরের গুড়। এটি ছাড়া ভাপা
পিঠা একদম অসমাপ্ত। আপনি যত পরিমাণে চালের গুড়ো নিয়েছেন বা আপনি
কয়টা ভাপা পিঠা বানাবেন। সেই পরিমাণ অনুযায়ী আপনাকে খেজুর নিয়ে নিতে হবে। আপনি
যদি ভাবা পিঠে বেশি খেজুর ব্যবহার করেন তাহলে বেশি লাগবে আর যদি কম ব্যবহার করেন
তাহলে কম লাগবে। এরপর এগুলোকে গুরু করে নিতে হবে। যারা ভাপা পিঠায় খুব সহজে
দেওয়া যায়।
৩। নারিকেল কোরা
এরপরে ভাপা পিঠা সাদ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন নারিকেল কোরা। আপনাদের কাছে যদি
নারকেল না থাকে, তাহলে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।এটি শুধু দাওয়া হয় মূলত পিঠার
সাদ বাড়ানোর জন্য।
৪।এরপর নারিকেল ও খেজুরের গুড় একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।
ভাপা পিঠা বানানোর নিয়ম
আমরা এতক্ষণ জেনে নিলাম ভাপা পিঠা তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন।। এবার দেখে নেব ভাপা
পিঠা কিভাবে তৈরি করতে হয়।
এরপর এখানেচালের গুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে । অর্ধেক দেওয়ার পর সেখানে নারিকেল ও
গুড়ের মিশ্রণ দিতে হবে। এরপর বাঁকে অংশের চালের গুড়া দিয়ে বাটিটির সমান সমান
করে দিতে হবে।
২।এরপর ভাপা পিঠা তৈরি করার হাঁড়িতে পানি দিতে হবে। পানিগুলো গরম হয়ে ফুটতে
শুরু করলে। এরপর একটি কাপড় কিংবা জালের মতো কোনো কিছুতে বাটিতে থাকা ভাপা পিঠাতে
বসিয়ে দিতে হবে। এরপর সে নেট কিংবা কাপড় দিয়ে ভালো করে ঢেকে নিতে হবে। এরপর
সেখানে একটি ঢাকনা দিয়ে দিতে হবে। এবার পাঁচ মিনিট পর ঢাকনাটি উঠিয়ে ভাপা
পিঠাটি বের করে নিতে হবে। তাহলেই তৈরি গরম গরম ভাপা পিঠা।
ভাপা পিঠা সাতটি অন্যরকম লাগবে। আগের থেকো একটু সুস্বাদু মনে হবে। এটি করতে হলে,
চালের গুড়োর সাথে খেজুরের গুড় ও নারিকেল কোরার মিশ্রণটি মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর
ভাপা পিঠা সেপ দিয়ে। আগের নিয়মে ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিতে হবে।
ভাপা পিঠা তৈরি করতে পারেন। আপনারা চাইলেও অন্য পদ্ধতিটি একবার করে দেখতে
পারেন।এতদিন যারা ভাপা পিঠা তৈরি করতে পারত না আজ এই পোস্টটি পড়া পড়ে তাদের
কাছে ভাপা পিঠা তৈরি করা খুব সহজ হয়ে যাবে।
ভাপা পিঠা সম্পর্কে ৫ টি বাক্য
জেনে থাকেন ভাপা পিঠা সম্পর্কে তাহলে আজকের এই পর্বটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
হয়।
ভাপা পিঠার ছবি
প্রিয় পাঠক এই পর্বে আমরা আপনাদেরকে ভাপা পিঠার ছবি দেখাবো। আশা করছি
আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন তাহলে দেরি না করে ভাপা পিঠার ছবি।
শিতের ভাপা পিঠা১
শিতের ভাপা
পিঠা২
শিতের ভাপা পিঠা৩
শিতের
ভাপা পিঠা৪
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক আশা করছি আজকের এই পর্বটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়েছেন। যদি আপনি
মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন। তাহলে ঘরে বসে তৈরি করতে পারবেন ভাপা পিঠা। আর আজকের
এই পর্ব যদি আপনার উপকারে লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।











Leave a Reply