প্রিয় পাঠক আপনি কি থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন?
হ্যাঁ আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব
থ্যালাসেমিয়ার রোগের লক্ষণ কি এবং কেন থ্যালাসেমিয়া রোগ হয়ে থাকে সেই
সম্পর্কে। আজকের এই পর্ব শেষ আমরা আরো জানতে পারবো থ্যালাসেমিয়া রোগ হলে করণীয়
কি। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও লক্ষণ।
থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা জেনে নেব কি
কারনে থ্যালাসেমিয়া রোগ হয়ে থাকে বা এই রোগের লক্ষণ কি। তাহলে চলুন জেনে
নেওয়া যাক থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও লক্ষণ।
থ্যালাসেমিয়া কি
জন্য। আজকের এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি জানতে পারবেন থ্যালাসেমিয়া
রোগ কি বা কেন হয়। থ্যালাসেমিয়া(Thalassemia) হল রক্তের এক প্রকারের জিনঘটিত
বংশগতরোগ। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর রক্তের অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিনের
উৎপাদনে ত্রুটি থাকে। যার ফলে আক্রান্ত রোগী রক্তস্বল্পতা বা রক্তে অক্সিজেনের
স্বল্পতায় ভুগেন।
জন্মগ্রহণ করে।
থ্যালাসেমিয়া রোগের অপর নাম কি
এই রোগের অপর নাম কি জানতে আজকের পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক থ্যালাসেমিয়া রোগের অপর নাম কি।
থ্যালাসেমিয়া নামক এ রোগের অপর নাম হল মেডিটেরিয়ান এনিমিয়া।
অ্যানিমিয়া বলে থাকে থ্যালাসেমিয়া রোগের প্রধান লক্ষ্যন হলো রক্তশূন্যতা।
থ্যালাসেমিয়া(Thalassemia) হল রক্তের এক প্রকারের জিনঘটিত বংশগতরোগ।
থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর রক্তের অক্সিজেন বহনকারী হিমোগ্লোবিনের উৎপাদনে
ত্রুটি থাকে। যার ফলে আক্রান্ত রোগী রক্তস্বল্পতা বা রক্তে অক্সিজেনের
স্বল্পতায় ভুগেন।
থ্যালাসেমিয়া রোগ কি ভাল হয়
থ্যালাসেমিয়া রোগ কি ভাল হয়। হ্যাঁ আপনি সব প্রশ্নের উত্তর গুলো পাবেন
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া
যাক থ্যালাসেমিয়া রোগ কি ভাল হয় কিনা। যেহেতু থ্যালাসেমিয়া একটি জিন
ঘটিত রোগ, রোগ সেহেতু থ্যালাসেমিয়া কখনোই ভালো হয় না।
তত্ত্বাবধায়নের সুচিকিৎসা গ্রহণ করলে একজন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত
রোগীকেদীর্ঘদিন সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়। তবে এর থেকে আরও একটি
কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে সেটি হল অস্থিমজ্জা স্থাপন। তবে,এটি অনেক এবং
ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। যা সবার পক্ষে এ চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়ে ওঠেনা।
শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ
সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন শিশুর
থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ গুলো কি কি সেই সম্পর্কে। যেহেতু
থ্যালাসেমিয়া একটি জিনগত রোগ সেহেতু একটি শিশু জন্মগতভাবে এর রোগটি
নিয়ে আসে।
বাহক হয়ে থাকেন তবে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হবে। এক্ষেত্রে
শিশুর দুই বছরের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পাবে। যতদূত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন
হতে হবে এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই রোগ নিরূপণ করা সম্ভব।
এক্ষেত্রে বাহক মা-বাবার প্রথম সন্তান 30 বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।
শিশুদের ক্ষেত্রে থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণগুলো নিম্নরূপ-
- স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়ে থাকে
- রক্তস্বল্পতা
- রুচিহীনতা
- দুর্বলতা
- ওজন হ্রাস
- অপুষ্টি
- খিটখিটে
নিয়ে আসে। বাবা মা উভয়ই কিংবা বাবা অথবা মা যে কোন একজন যদি
থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয়ে থাকেন তবে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত
হবে। এক্ষেত্রে শিশুর দুই বছরের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পাবে। যতদূত সম্ভব
ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই রোগ
নিরূপণ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে বাহক মা-বাবার প্রথম সন্তান 30 বছর পর্যন্ত
বেঁচে থাকে।
থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ কি
এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ কি বা কেন হয়
এই রোগটি। তাহলে চলুন এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক থ্যালাসেমিয়া রোগের
কারণ কি।আমরা ইতিপূর্বেই জেনেছি থালাসমিয়া কি এবং থ্যালাসেমিয়া কেন হয়ে
থাকে। থ্যালাসেমিয়া সাধারণত ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিন এর কারণে হয়ে
থাকে।
পূর্বপুরুষদের কারণ যদি থেকে থাকে তবেই আপনার মাঝে ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
এটি কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়।
পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়া জিন বহনকারী হয়ে থাকে তবে তাদের সন্তানের
মধ্যে থ্যালাসেমিয়া উপস্থিত থাকবে।
থ্যালাসেমিয়া জিন বহনকারী পিতা-মাতার সন্তানদের চারজনের মধ্যে একজন
থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হবেন বাকি তিনজন সুস্থ এবং স্বাভাবিক হলেও তাদের
মধ্যে থ্যালাসেমিয়ার জিন থেকে যাবে এবং বংশানুক্রমে তাদের সন্তান সন্ততিতে
থ্যালাসেমিয়া রোগ ছড়াতে পারে।থ্যালাসেমিয়া সাধারণত দুই প্রকার। আলফা
থ্যালাসেমিয়া ও বিটা থ্যালাসেমিয়া।
থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও লক্ষণ
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পর্বে মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন
থ্যালাসেমিয়ার রোগের কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক
থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ ও কারণ কি।
রোগের কারণ
এক ধরনের জিনগত রোগ। তাহলে বুঝতেই পারছেন,এটি আপনার বংশের বা পূর্বপুরুষদের
কারণ যদি থেকে থাকে তবেই আপনার মাঝে ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কোন
ছোঁয়াচে রোগ নয়। কোন পিতা বা মাতা যদি থ্যালাসেমিয়া জিন বহনকারী বাহক হয়ে
থাকে কিংবা পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়া জিন বহনকারী হয়ে থাকে তবে তাদের
সন্তানের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া উপস্থিত থাকবে।
লক্ষণ
- স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়ে থাকে
- রক্তস্বল্পতা
- রুচিহীনতা
- দুর্বলতা
- ওজন হ্রাস
- অপুষ্টি
- খিটখিটে
বিটা থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট ট্রিটমেন্ট
বিটা থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে নিচে দেওয়া হলো এক নজর এ দেখে নিতে পারেন এবং আপনারা আপনার অবস্থার সাথে মিলিয়ে নিবেন এবং দেখবেন আপনার পরিস্থিতি এর সাথে মিলে যায় কি , না ৷ তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক যে , বিটা থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট ট্রিটমেন্ট -থ্যালাসেমিয়া মাইনরে সাধারণত কোন প্রকার কোন চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না ।
থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ কোন বয়সে প্রকাশ পায়
থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ কোন বয়সে প্রকাশ পায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে অবগত নন তাদের কে এই থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ কোন বয়সে প্রকাশ পায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে অবগত করার জন্য নিচে থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ কোন বয়সে প্রকাশ পায় এ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে দেওয়া হলো এক নজর এ দেখে নিতে পারেন এবং আপনারা আপনার অবস্থার সাথে মিলিয়ে নিবেন এবং দেখবেন আপনার পরিস্থিতি এর সাথে মিলে যায় কি , না ৷ তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক যে , থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ কোন বয়সে প্রকাশ পায় –
থ্যালাসেমিয়া রোগের প্রতিকার
থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিকার করা সম্ভব । এটি একটি প্রতিরোধ যোগ্য রোগ । যদি স্বামী – স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক বা একজন থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক এবং একজন হিমোগ্লোবিন – ই এর বাহক হয়ে থাকে , তবে প্রতি গর্ভাবস্থায় এই রোগে আক্রান্ত শিশু জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা থাকে শতকরা ২৫ ভাগ , বাহক শিশু জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকে শতকরা ৫০ ভাগ , আর সুস্থ শিশু জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকে শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ ।
শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ
শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে অবগত নন তাদের কে এই শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে অবগত করার জন্য নিচে এই শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে দেওয়া হলো এক নজর এ দেখে নিতে পারেন এবং আপনারা আপনার অবস্থার সাথে মিলিয়ে নিবেন এবং দেখবেন আপনার পরিস্থিতি এর সাথে মিলে যায় কি , না ৷ তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক যে , শিশুর থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ –
শিশুদের ক্ষেত্রে থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ গুলো –
শেষ কথা: থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও লক্ষণ
লক্ষণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়েছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত
থেকে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো
লেগে থাকে তবে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।







Leave a Reply