আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার রাখা
প্রয়োজন। কারণ এই পুষ্টিকর খাবার গুলো আমাদের বিভিন্ন রোগের হাত থেকে
বাঁচাতে সাহায্য করে। এবং এই পুষ্টি উপকরণগুলোয় বিভিন্ন রোগের ঔষধি হিসেবে কাজ
করে। আগের থেকে বর্তমানে নতুন নতুন রোগের সৃষ্টি হয়েছে। এর মূল কারণ হলো
জলবায়ুর পরিবর্তন।
জলবায়ুর পরিবর্তন যে পরিবেশের উপরে খারাপ প্রভাব ফেলছে তা কিন্তু নয়। সেই সঙ্গে
সঙ্গে দের জন্য এটি খুবই ক্ষতিকারক। জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণেই বাড়ছে
বিভিন্ন ধরনের রোগের সংখ্যা। তাই সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদের
নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।তেমন এক ধরনের পোস্ট উপাদান হলো ভিটামিন
ই।
ভূমিকা
ভিটামিন ই মানব দেহের চর্বি কমাতে অনেক সাহায্য করে। সেইসঙ্গে এটি
মানবদেহে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এন্টি অক্সিজেন
আমাদের বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি শরীরের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আবার ভিটামিন ই চুল ও ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। অনেক
সময় চুল ও ত্বকের যত্ন ব্যবহারিত হয়ে থাকে।
ভিটামিন ই যুক্ত খাবারঃ
পুষ্টিকর উপাদান আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এতে আমাদের বিভিন্ন রোগের হাত
থেকে রক্ষা করে। এই পুষ্টিকর উপাদান গুলোকে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়।
আমাদের আশেপাশে কিছু জিনিস বা কিছু খাবারের মধ্যে এই পুষ্টিকর উপাদান গুলো
থাকে।
তেমনি ভিটামিন ই ও আমাদের আশেপাশে থাকা কিছু খাবারের মধ্যে রয়েছে। যেগুলো
আমাদের জানা প্রয়োজন। কারণ আমরা যদি সেসব সম্পর্কে জানতে পারি। তাহলে ভিটামিন ই
এর অভাবে যেসব রোগ হয়ে থাকে সেগুলো থেকে বাঁচতে পারব। তাই
অবশ্যই ভিটামিন ই যুক্ত খাবার সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
নিচে ভিটামিন ই যুক্ত খাবারের তালিকা দেওয়া হলঃ
- সূর্যমুখী ফুলের তেল
- কাঠ বাদাম
- লাল মিষ্টি মরিচ
- আম
- কিউই ফল
- পালন শাক
- অলিভ অয়েল
- পেঁপে
- রাজহাঁসের মাংস
- ব্রকলি
- সেলমন ফিশ
- অ্যাভোকাডো
ভিটামিন ই ক্যাপসুলঃ
পুষ্টিগু গুলো নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া অনেক সময় পুষ্টিকর খাবার গুলো খাওয়া হয়
না। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগতে হয়। এর সমাধানে বিশেষজ্ঞরা বিশেষ ধরনের
ক্যাপসুল তৈরি করেছন। যে ক্যাপসুলগুলো আমাদের সেই পুষ্টিগুণের চাহিদা মেটাতে
সাহায্য করে।
অভাব পূরণ করতে সাহায্য করে। এমন হতে পারে যে বেশ কিছুদিন ধরে ভিটামিন ই যুক্ত
খাবার খাওয়া হচ্ছে না। কিংবা সে খাবার থেকে পরিমাণ মতো ভিটামিন ই শরীরে
প্রবেশ করছে না। সেই ক্ষেত্রে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়া যেতে পারে।
থাকে। এছাড়াও জানা গেছে ত্বকের যত্ন ব্যবহৃত হয় ভিটামিন এ ক্যাপসুল। এতে থাকা
তৈলাক্ত পদার্থ যেটা আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য অনেক উপকারি। অর্থাৎ ভিটামিন ই এবং
ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর কাজ একই।
ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার উপকারিতা
ই এন্ড টি এজিং। আমাদের শরীরে তিন ধরনের অক্সিজেন ভিটামিন কাজ করে
থাকে। সে তিনটি হলঃ ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই। তাই
অবশ্যই ভিটামিন ই ক্যাপসুল আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
করে। মানবদেহে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকার পাশাপাশি কিছু খারাপ
ব্যাকটেরিয়া রয়েছে । যেগুলো আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।তাই
এই এন্টিঅক্সিডেন্ট গুলো সে খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলোকে নির্মূল করতে
সাহায্য করে। ফলে আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে অনেক সাহায্য করে। ভিটামিন ই
ক্যাপসুলও আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরে বিভিন্ন
ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। সেই সঙ্গে ত্বকেও কিছু প্রভাব পড়ে। ত্বকে বিভিন্ন
ধরনের বয়সের ছাপ ফুটে ওঠে। আবার অনেক সময় এমনও হয় যে, কম
বয়সেও চেহারা দেখে মনে হয় অনেক বয়স্ক। এ ধরনের সমস্যা দূর করতে ভিটামিন ই
ক্যাপসুল অনেক সাহায্য করে
এন্টিঅক্সিডেন্ট বিভিন্ন ধরনের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। ফলে
ত্বকে থাকা বিভিন্ন ধরনের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। তাই ত্বকের
যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল অনেক উপকারী।
সাহায্য করে। ত্বকের বিভিন্ন ধরনের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ত্বকের
আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের বিভিন্ন ধরনের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য
করে। সেই সঙ্গে ত্বক নরম ও মূল্যায়ন রাখত সাহায্য করে। আর এসব কারণে ভিটামিন ই
আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।
রয়েছে বিভিন্ন ধরনের চুলের সমস্যা। কারো চুল পড়ার সমস্যা আবার কারো চুল বৃদ্ধি
না হওয়ার সমস্যা। এরকম চুলের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তাই সবারই রয়েছে।
আমাদের আশেপাশে আমরা অনেক সময় দেখে থাকি চুলের জন্য অনেকে ভিটামিন ই
ক্যাপসুল ব্যবহার করে থাকে।
কোনো কারণ রয়েছে। আমাদের চুলের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য
করে। চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি চুল দ্রুত বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। তাই
চুলের বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ক্যাপসুল ব্যবহার করতে পারেন।
এটি চর্বি কমাতে অনেক সাহায্য করে। অনেক সময় অতিরিক্ত চর্বির কারণে বিভিন্ন
ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে চর্বির কারণে হজমের সমস্যা অনেক দেখা দেয়।
অতিরিক্ত চলবে আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকারক।
যেসব সমস্যা হয়ে থাকে সেগুলো দূর করতে সাহায্য করে।
চুল ও ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর ব্যবহারঃ
ত্বকের জন্য অনেক উপকারে। তাই কিভাবে ব্যবহার করলে এর উপকারিতা আমরা পেতে
পারি সেটা অবশ্যই জানার প্রয়োজন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল কখনো সরাসরি ব্যবহার করা
যাবে না। এটি যে কোন জিনিসের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে।
করতে পারেন। আবার বিভিন্ন হেয়ারমাক্স এর সাথেও ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ
এলোভেরা , অলিভ অয়েল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল একসাথে মিক্স করে ব্যবহার
করতে পারেন। আপনার সুবিধার্থে এই তিনটি উপাদান একসাথে ব্লেন্ডার
করে ব্যবহার করতে পারেন।
ক্যাপসুল ব্যবহার করতে হলে যে কোন জিনিসের সাথে মিক্স করে ব্যবহার করতে হবে।
ফলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়ে যাবে। আর যদি সরাসরি তোকে ব্যবহার
করেন তাহলে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই সরাসরি ব্যবহার
না করাই ভালো।কারণ কোন জিনিসের অতিরিক্ত প্রভাব কখনো ভালো হয় না।
তাই কোন ধরনের ফেস মার্কসের সাথে ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা
অ্যালোভেরার সাথে ব্যবহার করা যায়।
ভিটামিন ই ক্যাপসুল কত দিন খেতে হয়?
Evion 400 খাওয়ার সঠিক সময়?
শেষ কথা
আর্টিকেল থেকে যদি আপনার কোন উপকার চলে আসে তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধু
বান্ধবের সঙ্গে শেয়ার করবেন। কেননা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনার বন্ধু-বান্ধব
ভিটামিন এ সম্পর্কে জানতে পারবে।







Leave a Reply