তাহলে ঘরেও যে থাকা যাবে না। শীতকালে মানুষ বেশি ঘরে থাকে বাইরে ঠান্ডা থেকে
বাঁচার জন্য। এখন যদি ঘরে ঠান্ডা থাকে তাহলে মানুষ ঘরে কি করে থাকবে। অনেকেই ঘর
গরম করার জন্য হিটার ব্যবহার করেন। কিন্তু সবাই হয়তো এটা জানেনা হিটার ব্যবহারের
ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
ভূমিকা
ঠান্ডা রাখার জন্য আমরা ডানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করি। সবচেয়ে কম সময়ের ঘরকে
গরম করার জন্য আমরা ব্যবহার করে থাকি রুম হিটার। এই রুম হিটার ব্যবহারের ফলে
আমাদের ঘর গরম ঠিকই হয় কিন্তু অনেক খরচ করতে হয় এবং অনেক ঝুঁকিও থেকে যায়।
তাই আজকে আলোচনা করব কোনরকম খরচ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরকে উষ্ণ রাখার ৭
উপায়।
হিটার কেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণঃ
স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । কারণ এই রুম হিটার থেকে যেকোনো ধরনের বিপদ আসতে
পারে।যেমন হিটার থেকে যেকোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
পারে। কারণ ঘরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা কখনোই ভালো না। বাচ্চাদের রোগের সৃষ্টির
পাশাপাশি যে কোন ধরনের ক্ষতিও করতে পারে বাচ্চাদের। রুম হিটারটি অনেক গরম হয়ে
থাকে তখন এটিকে চালু করা হয়। এসময় যদি কোন বাচ্চা এর আশেপাশে যায়। তাহলে যে
কোন বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারি। তাহলে চলুন জেনে নেই প্রাকৃতিক উপায়ে ভরা গরম গরম
করার কিছু কৌশল।
প্রাকৃতিক উপায়ে গরম করার ফলে কি কি উপকারিতা পাওয়া যায়ঃ
আমরা দেখলাম যে হিটার ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। প্রাকৃতিক
উপায়ে ঘর গরম করি তাহলে এ ধরনের বিপদ থেকে এড়িয়ে চলতে পারবো।
আমরা ঘর গরম করি কারণ শীতের অতিরিক্ত ঠান্ডা থেকে বাঁচার জন্য। শীতের অতিরিক্ত
ঠান্ডার জন্য বিভিন্ন ধরনের ঠান্ডা জনিত রোগের সৃষ্টি হয়। আবার বাড়িতে
বয়স্ক কিংবা বাচ্চাদের জন্য অতিরিক্ত ঠান্ডাও ক্ষতিকর।এসব কারণেও মূলত হিটার
ব্যবহার করা হয়। কিন্তু উপকারের নাম করে যদি এটি ক্ষতি সাধন করে তাহলেএটি
কি ব্যবহার করা উচিত । কখনোই নয়।
আর প্রাকৃতিক উপায়ে যদি আমরা ঘর গরম করে থাকি তাহলে এ ধরনের সমস্যাগুলো দেখা
দিবে না। আবার ঘর গরম থাকবে। ফল আমাদের দুদিক থেকে লাভ হচ্ছে। তাই প্রাকৃতিক
উপায়ে ঘর গরম করা ভালো।
কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর গরম করা যায়ঃ
প্রাকৃতিক উপায়ে যেহেতু যে কোন ধরনের বিপদ থেকে বাঁচা যায়। এমন কিছু কিছু
ঘরোয়া উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে খুব সহজে কম টাকা খরচে ঘর গরম করা যাবে।
নিচে সেগুলো দেওয়া হলোঃ
১।ঘরের জানালা দরজা প্রয়োজন ছাড়া খোলা না রাখা
শীতকালে অনেক বাতাস হয়। চারিদিকে ঠান্ডা হাওয়া বয়ে বেড়ায়। এই ঠান্ডা হওয়ার
কারণে মূলত ঘর অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে থাকে। তাই যদি জানালা দরজা বন্ধ করা থাকে
তাহলে ঘর খুব সহজেই গরম থাকবে।
২। তাপ বৃদ্ধি বাল্ব লাগানো
ঘর গরম রাখার জন্য বাল্ব ব্যবহার করা যেতে পারে। ১০০ পাওয়ারের কাঁচের বাল্ব গুলো
ঘরকে সহজে গরম করতে পারে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে ঘর খুব সহজে গরম
থাকবে।
৩।কার্পেট ব্যবহার করা
ঘর গরম করার জন্য মেঝেতে কার্পেট ও বিছাতে পারেন। কারণ বেশিরভাগ সময়ে মেঝে থেকে
ঘরে ঠান্ডা উঠে আসে । তাই মেঝেতে কার্পেট ব্যবহার করলে মেঝের ঠান্ডা টা আর বোঝা
যাবে না।
৪।ঘরে জুতা ব্যবহার করা
যারা হয়তো কার্পেট ঘরে বিছাতে চান না কিংবা বাড়তি খরচ করতে চান না। তারা মেঝের
ঠান্ডার জন্য ঘরে জুতা পড়ে থাকতে পারেন। ফলে মেঝের ঠান্ডা আপনার পায়ে লাগবে না
এবং আপনি সহজে অসুস্থ হবেন না। এবং অনেক স্বস্তি পাবেন।
৫।মোটা পর্দা ব্যবহার করা
জানালা দরজা লাগানোর পাশাপাশি মোটা পর্দা ব্যবহার করা দরকার। মাঝে মাঝে
জানালার ছোট ফাক দিয়ে ঘরে বাতাস ঢুকে আসতে পারে। তাই মোটা পর্দা
ব্যবহার করলে সে বাতাসটি আর ঘরে ঢুকতে পারবে না। এতে করে আপনার ঘর এমনিতে
গরম থাকবে।
৬।দেওয়ালে পেপার ব্যবহার করা
মাঝে মাঝে দেওয়ালের জন্য ঘরে ঠান্ডা ঢুকে। তাই আপনারা চাইলে দেওয়ালে রঙিন কাগজ
ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে সস্তা দামে অনেক দেওয়ালের এই কাগজ গুলো পাওয়া যায়।
আপনি এই কাগজগুলো ব্যবহার করলে দেয়ালের ঠান্ডা হাত থেকে আপনি বাঁচতে পারবেন। এবং
আপনার ঘর থাকবে উষ্ণ।
৭।অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার
আপনি ঘরকে উষ্ণ রাখার জন্য অ্যালুমিনিয়ামের ফুয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এটি
ব্যবহার করে রান্নাঘরের তাপ আবার ঘরে ফিরে আসবে। এতে করে আপনার ঘর উষ্ণ ও গরম
থাকবে।
শেষ কথা
নিশ্চয় জেনে গিয়েছেন শীতে হেটার ছাড়া ঘর উষ্ণ রাখার .৭ উপায় সম্পর্কে। যদি
আজকের আর্টিকেলটি আপনার কোন কাজে লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি কমেন্ট করে
জানাবেন।


Leave a Reply