প্রিয় পাঠক আজকে টাইটেল দেখে বুঝতে পারছেন আপনাদের সামনে কি নিয়ে আলোচনা
করব। হ্যাঁ আপনি ঠিকই দেখেছেন আজকে আমরা আলোচনা করব রুম হিটার নিয়ে। শীত
পড়লে অনেকে ব্যবহার করে রুম হিটার। ঘরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য যে
ডিভাইস আমরা ব্যবহার করি সেটি হচ্ছে রুম হিটার।
এই পর্যায়ে আপনি জানতে পারবেন রুম হিটার কিভাবে কাজ করে- রুম হিটারের ক্ষতিকর
দিক গুলো কি কি- walton রুম হিটার দাম কত এসব বিষয়। জানতে হলে আজকের এই পর্বটি
সম্পূর্ণ পড়ুন। তাহলে চলুন নিচে বিস্তারিত আলোচনা জেনে নেই।
রুম হিটার কি
রুম হিটার একটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম করা ডিভাইস। যেটা বৈদ্যুতিক
কানেকশনে সেটার ভিতর থেকে তাপ বের হবে এবং সে তাপ ঘরটাকে গরম করে তুলবে এ
ধরনের ডিভাইসকে বলা হয় রুমে যায়। বর্তমানে এই রুম এটার শীতকালের জন্য খুব
জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাজারে এসেছে নতুন নতুন কোম্পানির রুম হিটার। এই রুম হিটার
দিয়ে আপনি আপনার ঘরকে নিজের মতো করে তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
কানেকশনে সেটার ভিতর থেকে তাপ বের হবে এবং সে তাপ ঘরটাকে গরম করে তুলবে এ
ধরনের ডিভাইসকে বলা হয় রুমে যায়। বর্তমানে এই রুম এটার শীতকালের জন্য খুব
জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাজারে এসেছে নতুন নতুন কোম্পানির রুম হিটার। এই রুম হিটার
দিয়ে আপনি আপনার ঘরকে নিজের মতো করে তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
রুম হিটার এর দাম কত?
গরমের সময় রুমঠান্ডা করার জন্য যেমন আধুনিক যন্ত্র আছে। তেমনি শীতকালে
রুম গরম করার জন্য আধুনিক যন্ত্র আছে। আর সে যন্ত্রকে বলা হচ্ছে রুম হিটার। এটি
রুম গরম করতে সাহায্য করে।
রুম গরম করার জন্য আধুনিক যন্ত্র আছে। আর সে যন্ত্রকে বলা হচ্ছে রুম হিটার। এটি
রুম গরম করতে সাহায্য করে।
বাড়িতে যদি বৃদ্ধ বাবা-মা কিংবা ছোট বাচ্চা থেকে থাকে তাহলে রুমে রুম হিটার
লাগানো টা প্রয়োজন। কারণ বয়স্ক এবং ছোট বাচ্চারা ঠান্ডা জনিত রোগে
বেশি আক্রান্ত হয়। তাই শীতের সময় ঘরের রুম হিটার থাকা প্রয়োজন।
লাগানো টা প্রয়োজন। কারণ বয়স্ক এবং ছোট বাচ্চারা ঠান্ডা জনিত রোগে
বেশি আক্রান্ত হয়। তাই শীতের সময় ঘরের রুম হিটার থাকা প্রয়োজন।
আমরা যদি রুম হিটার কিনতে চায় তাহলে আমাদের আগে থেকে এর দাম সম্পর্কে জানতে
হবে। তাহলে। কেউ বেশি দামে আপনার কাছে বিক্রি করতে পারবে না। তাহলে আজ
আমরা একটি ভালো কোম্পানির রুম হিটারের মূল্য সম্পর্কে জেনে নেই। ভালো
কোম্পানির শীর্ষের মধ্যে একটি কোম্পানি হল ওয়ালটন কোম্পানি। এই কোম্পানির
প্রত্যেকটি পণ্য অনেক বিশ্বস্ত। তাই ওয়ালটন কোম্পানির রুম হিটার এর
দাম গুলো জেনে নেব। এ ওয়ালটন রুম হিটার গুলো সর্বনিম্ন দাম ১৫০০ টাকা এবং
সর্বোচ্চ দাম ৫০০০।
হবে। তাহলে। কেউ বেশি দামে আপনার কাছে বিক্রি করতে পারবে না। তাহলে আজ
আমরা একটি ভালো কোম্পানির রুম হিটারের মূল্য সম্পর্কে জেনে নেই। ভালো
কোম্পানির শীর্ষের মধ্যে একটি কোম্পানি হল ওয়ালটন কোম্পানি। এই কোম্পানির
প্রত্যেকটি পণ্য অনেক বিশ্বস্ত। তাই ওয়ালটন কোম্পানির রুম হিটার এর
দাম গুলো জেনে নেব। এ ওয়ালটন রুম হিটার গুলো সর্বনিম্ন দাম ১৫০০ টাকা এবং
সর্বোচ্চ দাম ৫০০০।
ওয়ালটন কোম্পানির রুম হিটারের দাম ২০২৩ঃ
ওয়ালটন কোম্পানির পণ্যগুলো এখন আমাদের কাছে অনেক বিশ্বস্ত হয়ে গেছে। কারণ
ওয়ালটন কোম্পানির যেকোনো পণ্যই অনেক ভালো মানের হয়। ওয়ালটন কোম্পানির যাত্রা
কিছু বছর আগে হলেও বর্তমানে এটি অনেক জনপ্রিয় একটি কোম্পানি। তাই আজকে আমরা
ওয়ালটন কোম্পানির রুম হিটারের দাম গুলো জানব।
ওয়ালটন কোম্পানির যেকোনো পণ্যই অনেক ভালো মানের হয়। ওয়ালটন কোম্পানির যাত্রা
কিছু বছর আগে হলেও বর্তমানে এটি অনেক জনপ্রিয় একটি কোম্পানি। তাই আজকে আমরা
ওয়ালটন কোম্পানির রুম হিটারের দাম গুলো জানব।
এগুলোর মডেল অনুসারে দাম ভিন্ন হয়ে থাকে। নিচে বিভিন্ন মডেলের দাম দেওয়া হলঃ
মডেল – দাম
১।WRH-FH004 – পূর্বে ছিল ৩২ ০০টাকা- বর্তমানে ২৮১৬ টাকা
২।WRH-PTC003 – পূর্বে ছিল ২৫০০ টাকা বর্তমানে ২২০০ টাকা
৩।WRH-PTC203T – পূর্বে ছিল ৪৫০০ টাকা বর্তমানে ৩৯৬০ টাকা
৪।WRH-PTC05T -পূর্বে ছিল- ৪৩৫০ টাকা
৫।WRH-PTC001 – পূর্বে ছিল ২৬০০ টাকা- বর্তমানে ২২৮০ টাকা
৬।WRH-PTC006 -পূর্বে ছিল ২৫৫০ টাকা -বর্তমানে ২২৪৪ টাকা
৮।WRH-PTC007 – পূর্বে ছিল- ১৯৫০ টাকা-বর্তমানে-১৭১৬ টাকা
৯।ডাবলু আর এইচ পি টি সি ০০৯ – পূর্বে ছিল – ২১০০ টাকা – বর্তমানে ১৮৪৮
টাকা
টাকা
১০। WRH-PTC3001W -পূর্বে ছিল – ৪৭০০ টাকা – বর্তমানে – ৪১৩৬ টাকা
রুম হিটার কেন ক্ষতিকর?
সাধারণত শীত আসলে আমরা রুম হিটার ব্যবহার করে থাকে। আমাদের দেশে যেসব রুম
হিটার পাওয়া যায় সেগুলো মূলত ইলেকট্রনিক রুম হিটার। একটি জিনিসের যেমন ভালো
দিক রয়েছে তেমনি এর খারাপ দিক ও কিন্তু রয়েছে। আজকে আমরা জানবো রুম হিটার
কিভাবে আমাদের ক্ষতি সাধন করে থাকে।
হিটার পাওয়া যায় সেগুলো মূলত ইলেকট্রনিক রুম হিটার। একটি জিনিসের যেমন ভালো
দিক রয়েছে তেমনি এর খারাপ দিক ও কিন্তু রয়েছে। আজকে আমরা জানবো রুম হিটার
কিভাবে আমাদের ক্ষতি সাধন করে থাকে।
১। রুম হিটারে এক ধরনের কয়েল থাকে। যা প্রচুর পরিমাণে উত্তপ্ত হয়। সেই সঙ্গে
বাতাস কেউ উত্তপ্ত করে। এর ফলে বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের সৃষ্টি হয়।
আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এটি আমাদের শরীরে অক্সিজেনের চলাচলের
বাধা প্রদান করে।
বাতাস কেউ উত্তপ্ত করে। এর ফলে বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের সৃষ্টি হয়।
আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এটি আমাদের শরীরে অক্সিজেনের চলাচলের
বাধা প্রদান করে।
২। বাতাসকে উত্তপ্ত করার ফলে এটি বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।
শীতকালে এমনি আবহাওয়া শেষ কোথায় থাকে। আর এই রুম হিটারের কারণে আরো আবহাওয়া
শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে আমাদের ত্বকের শুষ্ক শুষ্ক ভাব চলে আসে। এটি যে ত্বকের
শুষ্ক ভাব নিয়ে আসে তা নয় বরং এটি মাথা ব্যাথারও সৃষ্টি করতে পারে।
শীতকালে এমনি আবহাওয়া শেষ কোথায় থাকে। আর এই রুম হিটারের কারণে আরো আবহাওয়া
শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে আমাদের ত্বকের শুষ্ক শুষ্ক ভাব চলে আসে। এটি যে ত্বকের
শুষ্ক ভাব নিয়ে আসে তা নয় বরং এটি মাথা ব্যাথারও সৃষ্টি করতে পারে।
৩। রুম হিটারগুলো যদি অসাবধানতার সাথে চালানো হয়। তাহলে রুমে অগ্নিকাণ্ডের মতো
দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে।
দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে।
এখন হয়তো আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগছে যে, যে দেশগুলো সেই প্রধান তারও তো রুম এটার
ব্যবহার করে। হ্যাঁ অবশ্যই তার রুম হিটার ব্যবহার করে। কিন্তু আমাদের দেশে যেসব
রুম হিটার ব্যবহার করা হয় সেগুলো নয় । তারা Oil Fell রুম হিটার ব্যবহার
করে। কিন্তু এগুলোর তুলনামূলক দাম বেশি।
ব্যবহার করে। হ্যাঁ অবশ্যই তার রুম হিটার ব্যবহার করে। কিন্তু আমাদের দেশে যেসব
রুম হিটার ব্যবহার করা হয় সেগুলো নয় । তারা Oil Fell রুম হিটার ব্যবহার
করে। কিন্তু এগুলোর তুলনামূলক দাম বেশি।
রুম হিটার ব্যবহারের নিয়মঃ
রুম হিটার অতি সাবধানের সাথে ব্যবহার করতে হবে। কারণ এটি থেকে প্রচুর পরিমাণে
তাপ উৎপন্ন হয়। কাজে কোন ছোট বাচ্চা যদি এর আশেপাশে যায় তাহলে যেকোনো ক্ষতি
হয়ে যেতে পারে। রুম হিটার ব্যবহার করার ফলে যখন রুম গরম হয়ে যাবে। তখন
রুম হিটার বন্ধ করে দেওয়ায় ভালো।
তাপ উৎপন্ন হয়। কাজে কোন ছোট বাচ্চা যদি এর আশেপাশে যায় তাহলে যেকোনো ক্ষতি
হয়ে যেতে পারে। রুম হিটার ব্যবহার করার ফলে যখন রুম গরম হয়ে যাবে। তখন
রুম হিটার বন্ধ করে দেওয়ায় ভালো।
কারন কোন জিনিসের অতিরিক্ত ব্যবহার কখনোই ভালো নয়। এটি তিন থেকে চার
ঘন্টা চালিয়ে রাখলে আপনার রুম অনেকটা গরম হয়ে যাবে। তখন এটিকে বন্ধ করে
দিতে হবে। কারণ রুম হিটারের তাপ বাতাসকে উত্তপ্ত করে যা বাতাসের জলীয় বাসে
পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ফলে আমাদের ত্বকের মধ্যে শুষ্কতা ভাব দেখা দেয়। অনেকের
এলার্জি থাকলে তাদের শরীরে চুলকানি দেখা দিতে পারে।
ঘন্টা চালিয়ে রাখলে আপনার রুম অনেকটা গরম হয়ে যাবে। তখন এটিকে বন্ধ করে
দিতে হবে। কারণ রুম হিটারের তাপ বাতাসকে উত্তপ্ত করে যা বাতাসের জলীয় বাসে
পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ফলে আমাদের ত্বকের মধ্যে শুষ্কতা ভাব দেখা দেয়। অনেকের
এলার্জি থাকলে তাদের শরীরে চুলকানি দেখা দিতে পারে।
তাই পর্যন্ত পড়ে মানে রুম হিটার ব্যবহার করা ভালো। তাহলে যেকোনো ধরনের বিপদ
আপদ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। তাই এগুলোকে সতর্কের সাথে ব্যবহার করতে হবে।
আপদ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। তাই এগুলোকে সতর্কের সাথে ব্যবহার করতে হবে।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক আজকে আমরা এই আর্টিকেলে শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। আশা করছি
আজকের আর্টিকেলটি আপনার অনেক উপকার লাগবে। আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে যদি
আপনার কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
আজকের আর্টিকেলটি আপনার অনেক উপকার লাগবে। আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে যদি
আপনার কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।


Leave a Reply