মুসলমানদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস হল রমজান মাস। আর রমজান মাসে
রোজার গুরুত্ব এবং বৈশিষ্ট্য তাদের কাছে অপরিসীম। বছরে শুধু একটি মাসেই রোজা করা
হয়। আর এগুলো ফরজ রোজা । ফরজ অর্থই বাধ্যতামূলক। শুধু বাধ্যতামূলক নয় রোজা রাখার
ফলে, কারণ এই রোজার মাস এমন একটি মাস, যে মাসে আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের
ওপরে রহমত নাযিল করে।
ভূমিকা।রমজান মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৪
গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রোজা রমজানের মাধ্যমে প্রতিবছর প্রতিশ্রদ্ধে অনুষ্ঠিত
হয়, যা মুসলিমদের মধ্যে বিশেষ প্রশংসার ওপর অবস্থিত। রোজার সময়ে মুসলিম
দৈনন্দিন কাজ করে, খুব বেশি শয়তানের কৌশল থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে, মানুষের
মধ্যে করুন ও সহোদরতা বাড়ানোর চেষ্টা করে। সারা রমজানে দিনের প্রথম অংশে
মাসহারি সময় বিদায় হয়, যাকে “সেহরি” বলা হয়।
পর অধিকাংশ মানুষ ঘরে বা মসজিদে ফিরে গেয়ে নামায় পড়ে। সন্ধ্যার সময়ে সানাই
মার্কযুলের পর ইফতার করা হয়। রোজার শেষে তারাবিহ নামায়ের পর তাহাজ্জুদ
নামায়ের পর মুসলিমরা আল-কুরআন পড়তে থাকেন।
হয়।শুধু তাই নয় এ মাসে মানুষেরা আল্লাহর অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য অনেক দানও করেন।
তাই রোজাকে এক ধরনের দানশীলতার মাসও বলা হয়। আল্লাহ যেমন রোজার মাসে আমাদের প্রতি
দয়াশীল হয় তেমনি। আমাদের কেউ নিরীহ মানুষদের প্রতি দয়াশীল হতে হবে।
রমজান মাসের ফজিলতঃ
রমজান মাস অনেক ফজিলতপুর না একটু মাস। কারণ রমজান মাস বছরে একবার আসে, শুধুমাত্র
এই সময়ে আল্লাহ তা’আলা মুসলমানদের উপর অর্থাৎ আল্লাহর বান্দাদের ওপর
দয়ারশীল দৃষ্টিতে তাকায়। যারা রমজান মাসে রোজা পালন করে তাদের জন্য আল্লাহতালা
উপহারের ব্যবস্থা করেছেন। শুধু তাই নয় রমজান মাসে দোয়া কবুলের মাসও বলা
হয়। কারণ ইফতারের আগে, যখন মুসল্লীরা না খেয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া চান তখন
আল্লাহতালা তাদের দোয়া গুলো কবুল করে নেন।
আর সবচেয়ে বড় ফজিলত হলো শবে কদর। লাইলাতুল কদর অর্থ সম্মানিত রাত। যেটি মাত্র
এই রোজাতে পাওয়া যায়। আগে নবীদের আমলে মানুষেরা ১০০ কিংবা ২০০ বছর পর্যন্ত
বেঁচে থাকতো। হয়তো এর থেকে বেশি সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকত। তারা তাদের সারা জীবন
ধরে আল্লাহ তা’আলা ইবাদত করে আসছেন। কিন্তু মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর
উম্মতেরা সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।
তখন আল্লাহতালা শবে কদর সৃষ্টি করেছিলেন। শবে কদরের রাত এমন একটি রাত যে রাতে
নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করার ফলে আল্লাহ তাআলা তার সকল পাপ মাফ করে দেন
এবং হাজার মাসে ইবাদত বন্দেগী করার সওয়াব দিয়ে দেন। তাই এই মুসলমানদের কাছে
অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কোরআনে শবে কদরের নির্দিষ্ট দিন বলা নেই। তবে রমজানের শেষ ১০
রোজার মধ্যে প্রতিটা বিজোর রাতের মধ্যে যেকোনো একটি হলো কদরের রাত।
রমজান মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৪।রমজান মাসে ব্যাংকের সময়সূচী ২০২৪
প্রিয় পাঠক আপনাকে রমজান মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৪ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন এই পর্বে আমরা আপনাদের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৪ আপনাদের সামনে তুলে ধরব যা দেখে আপনারা অনেক খুশি হবেন এবং আপনাদের অনেক উপকারে লাগবে।
সোমবার সন্ধ্যায় তারাবির নামাজ পড়তে হবে এবং মঙ্গলবার ১২ তারিখ রোজা
রাখার প্রথম দিন। ৭ই এপ্রিল সোমবার ২৭ রোজা। আর বুধবার রোজার শেষ দিন এবং ২০২৪
সালের ১১ এপ্রিল ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। মূলত চাঁদের উপরে নির্ভর করবে উপরে
বর্ণিত তারিখ গুলো।
রমজান মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৪
রমজান মাসে ব্যাংকের সময়সূচী ২০২৪
আপনি যদি না জেনে থাকেন ২০২৪ সালের রমজান মাসে ব্যাংকের সময়সূচি তাহলে আজকের
এই পর্বটি আপনার জন্য। কেননা আজকের পর্বে আপনি জানতে চলেছেন রমজান মাসে
ব্যাংকের সময়সূচি। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই ২০২৪ সালের রমজান মাসের
ব্যাংকের সময়সূচী। ২০২৪ সালের রমজান মাসে ব্যাংকের সময়সূচী হল সকাল সাড়ে
নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত।
২০২৪ সালের রমজান কত তারিখ বাংলাদেশ
জেনে থাকেন তাহলে আজকের এই পর্বটি আপনার জন্য। আগে আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি
মূলত চাঁদের উপরে নির্ভর করে রোজা কবে হবে এবং ঈদুল ফিতর কবে হবে। যদি সবকিছু
ঠিকঠাক থাকে তাহলে আগামী ১১ই মার্চ সেহরি খেতে হবে এবং তারাবি পড়তে হবে। আশা
করছি আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তরটি পেয়ে গেছেন।



Leave a Reply