যে কয়েক বেশি গুণ না বলি। এখন কথা হল এই না বলাও কি আবার শিখতে হয়। হ্যাঁ অবশ্যই
কারণ, সব ধরনের না বলা কিন্তু এক নয় এমন কিছু কিছু জায়গায় আপনি চাইলেও না বলতে
পারছেন না।
আমরা সরাসরি না বলতে পারি না। তাই সেসময় যদি বুদ্ধি খাটিয়ে অন্যরকম উপায়ে না
বলতে পারি। তাহলে জিনিসটা অনেক কাজে লাগবে।
ভূমিকা
দেই। এটি তার কাছে একটি অসম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সে বিষয়টি সবসময় পছন্দ
করেনা। তাই এই মুহূর্তে আপনি যদি কথাটাকে একটু ঘুরিয়ে বলতে পারেন। তাহলে সে খুব
সহজে মেনে নিবে। মানুষেরাই ঠিক এরকম।
হবে। আপনি যদি এগুলো একবার জেনে যান তাহলে, এগুলোকে খুব সহজে আপনার কাজে লাগাতে
পারবেন। আমাদের জীবনে শেখার কোন শেষ নেই। এমন কি এই না বলাটা কেউ আমাদের নতুনভাবে
শিখতে হয়।
সহজ হয়ে যাবে। তাই এগুলো অবশ্যই আমাদের জানা প্রয়োজন। তাহলে চলুন জেনে নিন
ভালোভাবে না বলার ৫টি উপায়। যে উপায়গুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি অনেক উপকারিত
হবেন।
ভদ্র ভাষায় না বলার পাঁচটি উপায়ঃ
এই টিপস গুলোকে যদি আমরা কাজে লাগাতে পারি তাহলে, আমাদের অনেক কাজগুলো সহজ হয়ে
যাবে। তাই এই টিপসগুলোকে কাজে লাগানো প্রয়োজন।
তার প্রশংসা করুনঃ
নিজেদের প্রশংসা শুনতে অনেক ভালো লাগে। তাই যখন আপনি কারো বিষয়ে প্রশংসা করে কথা
বলবেন। তখন সে অনেক খুশি হয়ে যাবে। তাই আপনি যে আবদারটি করবেন সেই আবদারটি সে
কোন বাহানা না দিয়ে সহজে মেনে নেবে।
যদি আপনি সরাসরি তারা মুখের উপর না বলে দেন তাহলে, তিনি আপনার উপর রেগে যেতে
পারে। এমনকি আপনার চাকরিটাও যেতে পারে। আপনি যদি কথাটাকে একটু ঘুরিয়ে বলেন যেমনঃ
স্যার আমি তো অনেকক্ষণ কাজ করছি এবং আপনি অনেকক্ষণ ধরে কাজ করছেন।
নিবেন না আমি পরে এগুলোকে করে দেব। মাঝে মাঝে আপনার শরীরও কিন্তু যত্ন প্রয়োজন।
আপনি যখন এভাবে তাকে বলছেন, তখন সে ভাবে যে আপনি তার বিষয়ে কতটা সিরিয়াস। আপনি
তাকে সম্মানের চোখে দেখেন। আপনি ভালো হওয়ার পাশাপাশি, আপনার অতিরিক্ত সে কাজটিও
করতে হবে না।
করে নিন। এটি আপনার অনেক কাজে দিবে
ইতিবাচক কথা সংযোগ করুনঃ
না বলার চেয়ে আপনি যদি আপনার কথাটাকে একটু সুন্দরভাবে বলতে পারেন। তাহলে
আপনার করা অনুরোধে সে খুব সহজে মেনে নিবে। সে আপনাকে জোর করতে পারবে না। তাই
মাঝে মাঝে না বলার সঙ্গে কিছু ইতিবাচক কথা যোগ করতে হবেনা।
এতে করে আপনার সম্মান টাও আসবে এবং আপনার সে কাজটিকে আর করতে হবে না। এক্ষেত্রে
উপায়টি হলোঃ যে, আপনি কি করতে পারবেন না তার ওপর ফোকাস না করে আপনি কি করতে
পারবেন তার উপরে ফোকাস করতে হবে। এমন হবে বলতে পারেন যে, এই মুহূর্তে এই
কাজটি আমি করতে পারছি না তবে আগামীকাল আমি আপনার কাজে সাহায্য করতে পারলে অনেক
খুশি হব।
এছাড়াও আপনি বলতে পারেন যে, এ মুহূর্তে আমার সময় কম থাকার কারণে আমি করতে
পারছি না কিন্তু আপনি যদি এরপর পরবর্তী কোন সময় কোন কাজ করতে বলেন আমি অনেক
খুশির সাথে সে কাজটি করব। কারণ আপনার কাজগুলো করতে আমার অনেক ভালো লাগে।
তাই আমি দুঃখিত বোধ করছি যে আজকে আমি আপনার কাজটি করতে পারছি না। বলার পরিবর্তে
আপনি যদি কথাটাকে একটু ঘুরিয়ে বড় করে বলেন তাহলেই কোন ধরনের সমস্যা হবে না।
প্রশংসা করার পাশাপাশি ইতিবাচক কথা বলাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ইতিবাচক কথা
বলার কারণে সে মানুষটি আপনার প্রতি খুশি হবে। তাই এটা কি আপনারা কাজে লাগাতে
পারেন।
ভালোভাবে অনুরোধ করুনঃ
উপরোক্ত উপায়গুলো কাজে লাগানোর পাশাপাশি, আপনি যদি কোন সময় অনুরোধ করে তাকে
বলেন। তাহলে সে খুব সহজে আপনাকে মানা করতে পারবে না তাই না বলার জন্য এই অনুরোধের
উপায়টি আপনি কাজে লাগাতে পারেন। কারণ এটি অনেক কার্য করে উপায় আমরা যখন কাউকে
অনুরোধ করি সে খুব সহজে না বলতে পারে না।
এমনকি সে ঘুরিয়েও যদি কথা বলে, তাহলে আপনি তাকে তার কাইন্ডনেস
সম্পর্কে মনে করিয়ে দিবেন। এতে করে সে খুব সহজে আপনার কথাটি মেনে নেবে। তাই তাই
এটা কি কাজে লাগে আপনার যেকোনো সমস্যার সমাধান করে নিতে পারবেন খুব সহজেই। তাই
ভালোভাবে অনুরোধ করাটা না বলার একটি অন্যতম উপায়। যেমন ধরুন আপনি কোন কাজ
করতে চাচ্ছেন না, কিন্তু তিনি আপনাকে দেশে কাজটি করে নেবে।
তখন আপনি আপনার বিভিন্ন ধরনের বাহানা দিয়ে তাকে অনুরোধ করতে পারেন। অনুরোধ করার
পাশাপাশি কাইন্ডনেস সম্পর্কেও মনে করে দিতে পারেন যেমন ধরুনঃ আমি জানি আপনি অনেক
দয়ালু, তাই আপনি অবশ্যই আমার উপর জোর করে কাজটি চাপিয়ে দিবেন না। এমন করে কথা
বলে আপনি চাইলে তাকে পটিয়ে নিতে পারবেন। তাই এই উপায়টি আপনার জন্য অনেক কার্য
করে হবে। যদি আপনি এটিকে কাজে লাগাতে পারেন ঠিক নিয়মে।
তাই সরাসরি না বলার পাশাপাশি মাঝেমাঝে ঘুরিয়ে কিংবা অনুরোধ করে আপনার কথাগুলোকে
বলতে পারেন। এতে করে সামনের ব্যক্তিটি আপনার অনুরোধ মেনে নিতে বাধ্য থাকবে।
এবং এর পরিবর্তে আপনাকে কোন কথা শুনিয়ে দিতেও পারবেনা।
দুঃখ প্রকাশ করাঃ
ধরুন কেউ আপনার ওপর জোরপূর্ব কাজটি চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। কিন্তু আপনি সেই কাজটি
একদমই করতে ইচ্ছুক নন। তাহলে এই মুহূর্তে আপনার কি করা প্রয়োজন। অবশ্যই সমস্যা
যখন রয়েছে এর সমাধানও রয়েছে। তাই এই সমস্যা দূর করতে তার কাছে আপনি দুঃখ প্রকাশ
করতে পারেন, যেমন আপনি তার কাজে অনেক কষ্ট পেয়েছেন।
অর্থাৎ তার এই কাজ নিয়ে জোরাজুরি করার জন্য। তখন আপনি বলতে পারেন যে, আপনি তো
আগে এরকম ছেলে না তাহলে কেন আপনি এরকম হয়ে গেলেন। আমি জানি হয়তো পরিস্থিতির
কারণে এমন হতে হয়েছে। আমি সত্যিই আপনার কাছে অনঙ্ক দুঃখ বোধ করছি।
এছাড়াও এমনিতেও আমি কাজ করে হাপিয়ে গেছি। আপনি যদি দয়া করে কাজটিকে তাল অথবা
একটু পরে দেন তাহলে, আমি অনেক ভালোভাবে এবং মনোযোগের সাথে কাজটি করতে পারব।
এমনটি বললে সে সরাসরি আপনাকে জোরপূর্ব কাছে দিতে পারবেনা। তাই এটা কি আপনারা
কাজে লাগাতে পারেন।
তাকে ধন্যবাদ দেওয়াঃ
ধন্যবাদ দেওয়া। ধন্যবাদ দেওয়া একটি অন্যতম উপায়। এখন ভাবতে পারেন ধন্যবাদ
বলে কিভাবে না বলা যায়। আসলে, যখন কেউ আপনাকে কোন কাছে দিচ্ছে। আপনি যদি তখন
তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি অনেক খুশি হয়েছি যে আপনি আমাকে এ কাজটি দিয়েছেন
কিন্তু আমার কিছু সমস্যার জন্য আমি কাজটিকে এই মুহূর্তে করতে পারছি না।
আপনি যদি এই কাজটি কিছুক্ষণ পরে অথবা কালকে দিতে পারেন তাহলে আমি অনেক খুশি
হব। তাই আপনি যে আমাকে কাছে দিয়েছেন এতে আমি অনেক খুশি। আমার কাজ করতে ভালো লাগে
কিন্তু এ সমস্যার জন্য না হতো তাহলে, আমি আপনার কাজটি অবশ্যই করে দিতাম। এরকম
মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে কারো মন খুব সহজে গোলে নেয়া যায়। তাই কথাটাকে ঘুরিয়ে
বলতে শিখুন। এটি পরবর্তীতে আপনার আরো বিভিন্ন কাজে লাগবে।



Leave a Reply