প্রিয় পাঠক আপনি যদি ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান
তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কিভাবে
ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করা যায় সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া যাক ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত।
ফুসফুসে ইনফেকশন থাকলে নানা ধরনের অসুবিধা বা রোগ হতে পারে। তাই ফুসফুসে ইনফেকশন
থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে হবে। চলুন আজকের
এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার উপায়
সম্পর্কে বিস্তারিত।
ফুসফুস ভালো আছে বোঝার উপায়
জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে চলুন জেনে নেওয়া যাক ফুসফুস ভালো আছে বোঝার
উপায়। একটি সাধারণ শ্বাস পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে আপনার ফুসফুস ভালো
আছে কিনা।
বোঝা যায়। যদি এই ব্যায়ামটি করার সময় রোগী দীর্ঘসময় শ্বাস আটকে রাখতে পারেন
তাহলে বোঝা যাবে তার ফুসফুসে কোন সমস্যা নেই। আর যদি আপনি দীর্ঘ সময় এই
ব্যায়ামটি করতে না পারেন তাহলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। তাহলে
চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্যায়ামটি কিভাবে করতে হয়ঃ
- সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার দুই হাত দুই থাইয়ের উপরে সমান্তরাল ভাবে রাখুন।
- এবার এ অবস্থায় মুখ খুলে যতটা সম্ভব বাতাস টেনে নিন।
- এবার ঠোঁট চেপে ধরে রাখুন
- যতক্ষণ সম্ভব ততক্ষণ শ্বাস শরীরের মধ্যে ধরে রাখার চেষ্টা করুন
-
আপনি যদি কমপক্ষে ২৫ সেকেন্ড আটকে রাখতে পারেন তাহলে আপনার ফুসফুসে কোন
সমস্যা নেই বলে গণ্য করা হবে।
ফুসফুসের সমস্যা দূর করার উপায়
পড়ুন। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফুসফুসের সমস্যা দূর
করার উপায়। চিকিৎসকের দেওয়া টেস্ট অনুযায়ী যদি আপনার ফুসফুসে ইনফেকশন
ধরা পড়ে থাকে তবে ফুসফুস ইনফেকশনের ধরন অনুযায়ী আপনাকে ঔষধ গ্রহণ করতে হবে।
ইনফেকশনের জন্য সাধারণত এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ প্রদান করা হয়। কিন্তু
ভাইরাস ঘটিত ইনফেকশনের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক কোন কাজ করে না যার ফলে শরীরকে
নিজস্ব এন্টিবায়োটিক তৈরি করে নিতে হয়। যার ফলে এর চিকিৎসা অনেক দীর্ঘায়িত
হয়।
যেমন কিটোকোনাজল বা ভরি কনা জল জাতীয় ঔষধব গ্রহণ করতে পারেন। ঔষধের
পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের পুষ্টিকর খাবার এর মাধ্যমে ইনফেকশন থেকে দ্রুত মুক্তি
লাভ করা যায়। যে খাবারগুলো আপনার শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমকে বাড়িয়ে দিয়ে
আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
ফুসফুসের ইনফেকশন থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে এগুলো হলো-প্রচুর পরিমাণে
পানি,আদা,মধু,লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করার মাধ্যমে এ ধরনের রোগ থেকে দ্রুত
উপশম পাওয়া সম্ভব। তবে মনে রাখবেন এন্টিবায়োটিকের শেষ না হওয়া পর্যন্ত
কোনোভাবেই ঔষধ বন্ধ করা যাবে না।
ফুসফুসে ইনফেকশন এর লক্ষণ
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফুসফুসে ইনফেকশন এর লক্ষণ কি।
ফুসফুসের ইনফেকশনের লক্ষণ নিচে দেওয়া হলঃ
- শ্বাসকষ্ট
- কাশি কিংবা শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে প্রচণ্ড ব্যথা
- কাশির সঙ্গে গলা দিয়ে হুইসিং এর মত শব্দ বের হওয়া
- মানসিক অসচেতনতা
- বিভ্রান্তি
- কাশির সঙ্গে কফ যাওয়া
- জ্বর
- কাঁপুনি দিয়ে জ্বর বা জ্বরের সঙ্গে ঘাম
- শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া
- গলা ব্যথা, মাথাব্যথা
- খাবারে অরুচি
- বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
- ডায়রিয়া
- জয়েন্টে ব্যথা
- কাশির সাথে কখনো কখনো রক্ত যাওয়া
- ঠোঁট ও হাত-পায়ের আঙ্গুলের মাথার অংশ নীলবর্ণ হয়ে যাওয়া
- হাত ও পায়ের আঙ্গুলের নখ উল্টানো চামচের মতো হয়ে যাওয়া।
চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন
পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
ফুসফুসের পরীক্ষার নাম
এসেছেন। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফুসফুসের পরীক্ষার
নাম। ফুসফুসের যে কোন ধরনের সমস্যা হলে যত দ্রুত সম্ভব একজন বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক এর কাছে যেতে হবে। এরপর চিকিৎসক আপনার বিভিন্ন রকমের টেস্ট নেওয়ার আগে
আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবেন।
আপনি কাদের সঙ্গে ওঠাবসা করেন, আপনার বন্ধুবান্ধব এবং আপনার বন্ধুবান্ধব কোন
পেশায় নিয়োজিত আছে বা কোন এলাকায় বসবাস করে, আপনি কোন এলাকায় বসবাস করেন,
আপনার সর্বশেষ ভ্রমণ কিংবা আপনি কোন পানির স্পর্শে এসেছিলেন কিনা এ বিষয়ে
চিকিৎসক বিস্তারিত জানার পরে আপনার টেস্টগুলো দিবে। এক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ
চিকিৎসক আপনাকে যে ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা দিয়ে থাকবে এগুলো হলো-
- বুকের এক্সরে
- সিটি স্ক্যান
- স্পাইরোমেট্রি টেস্ট
- পাল্স অক্সিমেট্রি
- কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট
- ব্লাড কালচার। ইত্যাদি
ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ
চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যায় ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ।
- অতিরিক্ত কাশি
- কাশির সঙ্গে কফ বা রক্ত যাওয়া
- কাশি বা নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় বুকে তীব্র ব্যথা
- শ্বাসকষ্ট
- নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় গলার মধ্যে থেকে হুইজিং এর মত শব্দ
- দুর্বলতা ও ক্লান্তিবোধ
- খাবারে অরুচি
- জ্বর
- কাঁপুনি দিয়ে জ্বর বা জ্বরের সঙ্গে ঘাম
- শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া
- গলা ব্যথা, মাথাব্যথা
ফুসফুসে পানি দূর করার ঘরোয়া উপায়
ফুসফুসে পানি জমলে ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী ঔষুধ খাওয়াটাই হলো সব চেয়ে ভালো হবে । ডাক্তার ঔষুধ দেওয়ার মাধ্যমে যদি আপনি এটা কমিয়ে আনতে পারেন তাহলে সেটা হলো খুবই ভালো এবং যদি না কমাতে পারেন তাহলে আপনার সার্জারির বিষয় রয়েছে । এ ক্ষেত্রে ইনজেকশন দিয়ে ও ফুসফুস এর পানি বের করে আনা হয়ে থাকে অথবা ঔষুধ গুলোর মাধ্যমে সেটা আপনার প্রসাবের সাথে বেরিয়ে আসে । ফুসফুসে আপনার পানি জমার যে ঘরোয়া চিকিৎসা গুলো রয়েছে সে গুলো অনুসরণ করার চাইতে আপনার উচিত ডাক্তার কি বলছে সেটা ভালোমতো বুঝুন এবং তারপর সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে সুস্থতা অবলম্বন করতে পারবেন ।
ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার ঘরোয়া উপায়
ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার ঘরোয়া উপায় গুলো সম্পর্কে নিচে দেওয়া হলো এক নজর এ দেখে নিতে পারেন –
# . পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে ৷ পানি পান করার মাধ্যমে ফুসফুসে ইনফেকশন বা ফুসফুসে সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ৷
# . বিশ্রাম নেওয়া ৷ শরীরে যে কোন প্রকার কোন অসুস্থতার থেকে পরিত্রাণ পেতে বিশ্রামের কোন প্রকার কোন বিকল্প থাকে না ৷
# . বাষ্পীয় বাতাসে শ্বাস নেওয়া ৷
# . সব সময় মুখে মাক্স ব্যবহার করতে হবে ৷
# . ধুমপান বন্ধ করতে হবে ৷
# . পিঠে ম্যাসাজ করতে হবে ৷
# . মধু বা আদা দিয়ে গরম চা করে পান করতে হবে ৷
# . হলুদ কাঁচা বা গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে হবে ৷
# . পুদিনার চা করে পান করতে পারেন ৷
# . রসুন খেতে হবে সকালে খালি পেটে ৷
ফুসফুস পরিষ্কার করার উপায়
১ . বাষ্প থেরাপি
বাষ্প থেরাপি বা বাষ্প নিঃশ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করলে সেটি আপনার ফুসফুস কে শ্লেষ্মা নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে থাকে । অনেক সময় ফুসফুস এর সমস্যা গুলোর কারণে বা ঠাণ্ডা অথবা শুষ্ক বাতাসে ফুসফুস এর শ্লেষ্মা ঝিল্লি শুকিয়ে যেতে পারে এবং তা রক্ত প্রবাহ কে কমিয়ে দিতে পারে ।
আর এই বাষ্প বাতাস নিলে তা আপনার ফুসফুসে উষ্ণতা ও আর্দ্রতা যোগ করে শ্বাস – প্রশ্বাস এর উন্নতি সাধন করতে পারে এবং শ্বাস নালি ও ফুসফুস এর ভেতরে শ্লেষ্মা আলগা করতে সাহায্য করে থাকে । এ ছাড়া ও এটি আপনার শ্বাস নিতে তাৎক্ষণিক ভাবে স্বস্তি প্রদান করতে পারে ।
২ . কাশি
শুনতে একটু অবাক লাগলে ও কাশি সাধারণত আপনার ফুসফুস কে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে । শরীরের প্রাকৃতিক ভাবে আপনার শ্লেষ্মা আটকে থাকা টক্সিন গুলোকে বের করে দেওয়ার উপায় হচ্ছে কাশি । আর নিয়ন্ত্রিত ভাবে কাশি আপনার ফুসফুসে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা ঢিলা করে থাকে এবং তা আপনার শ্বাসনালি দিয়ে ওপরে বের করে দেয় ।
নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করে ও আপনি আপনার ফুসফুস কে অনেকটা পরিমাণ পরিষ্কার করতে পারা যায় । এর জন্য আপনাকে সোজা হয়ে শুয়ে এবং আপনার কোমরের নিচের দিকে বালিশ নিতে হবে , যাতে বুক একটু পরিমাণ নিচের দিকে থেকে থাকে । পরে ধীরে ধীরে আপনার নাক দিয়ে শ্বাস নিতে ও মুখ দিয়ে ছাড়তে ও হবে । আর এ ক্ষেত্রে আপনার প্রতিটি শ্বাস ছাড়তে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ সময় নেওয়া উচিত ।
ফুসফুসে ইনফেকশন হলে কি হয়
যে কোনো প্রকারের কোন ফুসফুস এর সংক্রমণ যে কারণেই হোক না কেন তা নির্দিষ্ট পরিমাণ কিছু উপসর্গ সৃষ্টি করে থাকে । এর সাধারণত কিছু সাধারণ লক্ষণ রয়েছে । যেমন হলো –
১ ) কাশি : শুকনা হোক বা কফ যুক্ত হোক কাশি হতে পারে ।
২ ) শ্লেষ্মা উৎপাদন : পরিষ্কার বা হলুদ , সবুজ , মরিচা রঙ এর দুর্গন্ধ যুক্ত বা গন্ধহীন শ্লেষ্মা দেখা দিতে পারে ।
৩ ) হুইজিং : সাধারণত শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার সময় শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে , শ্বাস ফেলার সময় ও বুকে ঘর ঘর করে শব্দ ও হতে দেখা যায় । শ্বাসের সাথে সাথে বাঁশির মত তীক্ষ্ণ এই শব্দ কে মূলত হুইজিং বলা হয়ে থাকে । শ্বাসনালী আংশিক ভাবে বন্ধ থাকলে এরকম শব্দ হতে পারে । এই শব্দ গুলো আরো বেশি তীক্ষ্ণ হলে এবং শ্বাস নেয়ার সময় হলে ও তখন তাকে স্ট্রাইডর বলা হয়ে থাকে । ফুসফুস এর উপরের অংশ তে বা শ্বাসনালীতে ইনফেকশন হলে এই শব্দ গুলো পাওয়া যায় ।
৫ ) ঠান্ডা ও কাঁপুনি : জ্বর বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ঠান্ডা ভাব ও কিন্তু থাকতে পারে বা ঘাম দিয়ে জ্বর ও ছাড়তে পারে ।
৬ ) গলা ব্যথা ও মাথা ব্যথা : শ্বাসতন্ত্র এর উপরের দিকের অংশে ইনফেকশন হলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া , গলা ব্যথা অনুভব করে থাকে , গলা বসে যাওয়া জনিত সমস্যা গুলো পরিলক্ষিত করা হয়ে থাকে , ল্যারিঞ্জাইটিস , মাথা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
ফুসফুসের কাজ করার ক্ষমতা কমে গেলে কি সমস্যা হতে পারে
জেনে নিন। ফুসফুস আমাদের শ্বসনের সমস্ত প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
ফুসফুসের মাধ্যমেই অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সারা শরীরে পৌঁছে যায়।
সংক্রমণ হলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় যার ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। মানবদেহের
রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অন্যতম অঙ্গ হল ফুসফুস তাই ফুসফুস কে সুস্থ রাখা
জরুরি।আমাদের শরীরের পুরো সিস্টেমকে কাজ করতে ফুসফুস বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
রক্ত সংবহন কমে যাবে। যার ফলে শরীরের নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে এবং নানারকম
রোগ সৃষ্টি হবে। ফুসফুসের কাজ করার ক্ষমতা কমে গেলে যে ধরনের সমস্যাগুলো দেখা
দিতে পারে এগুলো নিম্নরুপ-
- শ্বাসকষ্ট
- কাশি কিংবা শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে প্রচণ্ড ব্যথা
- কাশির সঙ্গে গলা দিয়ে হুইসিং এর মত শব্দ বের হওয়া
- মানসিক অসচেতনতা
- বিভ্রান্তি
- কাশির সঙ্গে কফ যাওয়া
- জ্বর
- কাঁপুনি দিয়ে জ্বর বা জ্বরের সঙ্গে ঘাম
- শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া
- গলা ব্যথা, মাথাব্যথ
- খাবারে অরুচি
- বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
- ডায়রিয়া
- জয়েন্টে ব্যথা
- কাশির সাথে কখনো কখনো রক্ত যাওয়া
- ঠোঁট ও হাত-পায়ের আঙ্গুলের মাথার অংশ নীলবর্ণ হয়ে যাওয়া
ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার উপায়
চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করার
উপায়।চিকিৎসকের দেওয়া টেস্ট অনুযায়ী যদি আপনার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা
পড়ে থাকে তবে ফুসফুস ইনফেকশনের ধরন অনুযায়ী আপনাকে ঔষধ গ্রহণ করতে হবে।
এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ সেবন করুন।
হয়। কিন্তু ভাইরাস ঘটিত ইনফেকশনের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক কোন কাজ করে না
যার ফলে শরীরকে নিজস্ব এন্টিবায়োটিক তৈরি করে নিতে হয়।
অনেক দীর্ঘায়িত হয়। এবং যদি ছত্রাকের কারণে ইনফেকশন হয়ে থাকে তবে ছত্রাক
বিরোধী বিভিন্ন রকম ঔষধ যেমন কিটোকোনাজল বা ভরি কনা জল জাতীয় ঔষধব গ্রহণ
করতে পারেন।
মুক্তি লাভ করা যায়। যে খাবারগুলো আপনার শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমকে বাড়িয়ে
দিয়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
ফুসফুসের ইনফেকশন থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে এগুলো হলো-প্রচুর পরিমাণে
পানি,আদা,মধু,লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করার মাধ্যমে এ ধরনের রোগ থেকে দ্রুত
উপশম পাওয়া সম্ভব। তবে মনে রাখবেন এন্টিবায়োটিকের শেষ না হওয়া পর্যন্ত
কোনোভাবেই ঔষধ বন্ধ করা যাবে না।
ফুসফুসের সমস্যা ও সমাধান
সঠিক জায়গায় এসেছেন। চলুন এই পর্বে ফুসফুসের সমস্যা ও সমাধান জেনে নেওয়া
যাক। ফুসফুসের ইনফেকশন হলে এর প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় তবে বেশ কিছু নিয়ম
মেনে চললে এর থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। কিছুটা সতর্ক হলে এর ঝুঁকি থেকে
বেঁচে থাকা সম্ভব।
ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে। বিশেষ করে দূষিত ধূলিকণার মাধ্যমে এরূপ ছড়িয়ে থাকে।
এ ধরনের রোগ থেকে মুক্তির জন্য যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি এগুলো হল-
- ঘরের বাহিরে মাক্স ব্যবহার করুন
- নিয়মিত হাত পরিষ্কার করুন
- ময়লা হাতে মুখ ও নাকে খোঁচানো থেকে বিরত থাকুন
- অন্যদের সাথে খাবারের পাত্র, খাবার বা পানীয় শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন
- জনবহুল এলাকা এড়িয়ে চলুন
- ধূমপান থেকে বিরত থাকুন
- ইনফেকশন প্রতিরোধে ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন
শেষ কথা
উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত থেকে
থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে
তবে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।



Leave a Reply