দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায়।প্রিয় পাঠক আপনি যদি দ্রুত দোয়া কবুল
হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বে আজকে আমরা
আলোচনা করব কিভাবে আল্লাহ তাআলার নিকটে আমাদের দোয়া দ্রুত সময়ে কবুল হয় সেই
সম্পর্কে। আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে সব সময়ের জন্য দোয়া চেয়ে থাকি। তাই চলুন
আজকের এই পর্বে জেনে নেওয়া যাক আল্লাহর নিকট দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায়
সম্পর্কে।
আমরা বিপদে-আপদে সবসময় আল্লাহর নিকট দোয়া চেয়ে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন
আল্লাহর নিকট এই দোয়া দ্রুত সময়ে পৌঁছানোর উপায় বা কবুল হওয়ার শর্ত
কি। যদি জানতে চান তবে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন জেনে নেওয়া
যাক দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায়।
দোয়া কবুলের সময়
আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তার কাছে সব সময় দোয়া চেয়ে থাকে। কিন্তু আমাদের মাথায়
রাখতে হবে যে দোয়া কবুলের জন্য একটি উত্তম সময় রয়েছে। যে সময়ে আল্লাহ
তায়ালার কাছে কোন কিছু চাওয়া মাত্রই সাথে সাথে কবুল হয়ে যায়। তাই চলুন আজকের
এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক দোয়া কবুলের সময় সম্পর্কে। নিচে দোয়া
কবুলের সময় দেওয়া হলঃ
রাখতে হবে যে দোয়া কবুলের জন্য একটি উত্তম সময় রয়েছে। যে সময়ে আল্লাহ
তায়ালার কাছে কোন কিছু চাওয়া মাত্রই সাথে সাথে কবুল হয়ে যায়। তাই চলুন আজকের
এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক দোয়া কবুলের সময় সম্পর্কে। নিচে দোয়া
কবুলের সময় দেওয়া হলঃ
আরো পড়ুনঃ কোরআন থেকে ছেলেদের নাম 1000+ অর্থসহ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন প্রতিদিন রাতের শেষ
তৃতীয়াংশে আমাদের সৃষ্টিকর্তা সবথেকে নিচের আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন কে আছো
আমাকে ডাকো আমি তোমার ডাকে সাড়া দেব। আমার কাছে চাও আমি তোমাকে দান করব। আমার
কাছে ক্ষমা চাও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব।
তৃতীয়াংশে আমাদের সৃষ্টিকর্তা সবথেকে নিচের আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন কে আছো
আমাকে ডাকো আমি তোমার ডাকে সাড়া দেব। আমার কাছে চাও আমি তোমাকে দান করব। আমার
কাছে ক্ষমা চাও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব।
আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী
সময়ে দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।(আবু দাউদ) তাই আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী
সময় দোয়া করা উচিত।
সময়ে দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।(আবু দাউদ) তাই আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী
সময় দোয়া করা উচিত।
জুম্মার দিনের দোয়া
জুম্মার দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোন মুমিন যদি নামাজ পড়া অবস্থায় আল্লাহর
কাছে কোন কিছু প্রার্থনা করে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই সেই চাহিদা পূরণ করবেন এবং
তিনি তার হাত দিয়ে ইশারা করে সেই সময়ের সংক্ষিপ্ত তার ইঙ্গিত দেন।(বুখারী)
তাই জুম্মার দিনে নামাজের সময় আমাদের বেশি বেশি দোয়া করতে হবে তাহলে আমাদের
দোয়া কবুল হবে।
কাছে কোন কিছু প্রার্থনা করে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই সেই চাহিদা পূরণ করবেন এবং
তিনি তার হাত দিয়ে ইশারা করে সেই সময়ের সংক্ষিপ্ত তার ইঙ্গিত দেন।(বুখারী)
তাই জুম্মার দিনে নামাজের সময় আমাদের বেশি বেশি দোয়া করতে হবে তাহলে আমাদের
দোয়া কবুল হবে।
সেজদার সময়ের দোয়া
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে সময়টাতে মুমিনগণ আল্লাহর
সবচেয়ে নিকটতম স্থানে চলে যায় সেই সময়টা হল সেজদার সময়। এই সময়ে আল্লাহ
তাআলার কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করতে বলেছেন।(মুসলিম)
সবচেয়ে নিকটতম স্থানে চলে যায় সেই সময়টা হল সেজদার সময়। এই সময়ে আল্লাহ
তাআলার কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করতে বলেছেন।(মুসলিম)
দোয়া কবুলের ইস্তেগফার
আপনারা নামাজ পড়ে বা বাইরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে দোয়া করে থাকেন । কিন্তু
আপনারা হয়তো জানেন না যে , আপনাদের এসব দোয়া কেন কবুল হয় না । এ নিয়েই অনেক সময়
অনেক মানুষ হতাশ হয়ে যায় । তবে হতাশ হওয়ার কিন্তু কোন কিছুই নেই । আপনাদের দোয়া
গুলো সব কবুলের জন্য আপনাদের বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে ।
আপনারা হয়তো জানেন না যে , আপনাদের এসব দোয়া কেন কবুল হয় না । এ নিয়েই অনেক সময়
অনেক মানুষ হতাশ হয়ে যায় । তবে হতাশ হওয়ার কিন্তু কোন কিছুই নেই । আপনাদের দোয়া
গুলো সব কবুলের জন্য আপনাদের বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে ।
তাহলে আপনাদের দোয়া গুলো সব কবুলের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে । যে ব্যক্তি বেশি
বেশি পরিমাণ ইস্তেগফার পাঠ করে মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন তাকে ক্ষমা
করে দেন ৷ মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনায় কোরআন – সুন্নাহতে অনেক দোয়া ও
ইস্তেগফার রয়েছে ।
বেশি পরিমাণ ইস্তেগফার পাঠ করে মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন তাকে ক্ষমা
করে দেন ৷ মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনায় কোরআন – সুন্নাহতে অনেক দোয়া ও
ইস্তেগফার রয়েছে ।
– أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লাহ ।
অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ।
যারা সব সময় এই ইস্তেগফার পাঠ করে মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন তার অপর
এতো বেশি পরিমাণ খুশি হন যে , মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন তাকে মুস্তাজা
আবু তোয়া বানিয়ে দেন ৷ অর্থাৎ , মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিনের সেই
বান্দার দোয়া করতে দেরি হলেও মহান আল্লাহর সেই দোয়া কবুল করতে সময় লাগে না ৷
এতো বেশি পরিমাণ খুশি হন যে , মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিন তাকে মুস্তাজা
আবু তোয়া বানিয়ে দেন ৷ অর্থাৎ , মহান আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিনের সেই
বান্দার দোয়া করতে দেরি হলেও মহান আল্লাহর সেই দোয়া কবুল করতে সময় লাগে না ৷
দোয়া কবুল হওয়ার সূরা
☞ আপনাকে প্রথমে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করতে হবে । ☞ এরপর আপনার সালাত শেষ
করে ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে । ☞ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে
বলেছেন যে : দুটি কলেমা ( বানী ) রয়েছে , যে গুলো হলো দয়াময় মহান আল্লাহর
কাছে অতি প্রিয় , উচ্চারণ করাটা ও খুবই সহজ ৷ ( আমলের ) পাল্লায় হবে অত্যন্ত
ভারী ।
করে ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে । ☞ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে
বলেছেন যে : দুটি কলেমা ( বানী ) রয়েছে , যে গুলো হলো দয়াময় মহান আল্লাহর
কাছে অতি প্রিয় , উচ্চারণ করাটা ও খুবই সহজ ৷ ( আমলের ) পাল্লায় হবে অত্যন্ত
ভারী ।
( বাণী দু’টিই হচ্ছে ) , সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহান্নাল্লাহিল আযীম ।
আমরা সব সময় মহান আল্লাহ তায়ালার সকল প্রশংসাসহ তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি ,
মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র । মুহাম্মদ (স) এর স্বয়ং দুরদ পড়ুন । ☞ বেশি বেশি
জিকির করুন । ☞ বেশি বেশি পরিমাণ তাসবিহ পড়ুন । ☞ কোরআন তিলাওত করুন । ✪✪ তারপর
মহান আল্লাহর কাছে আপনি আপনার দোয়া করুন ৷ ইনশাআল্লাহ মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আল্লাহ তা কবুল করবেন ৷ …
আমরা সব সময় মহান আল্লাহ তায়ালার সকল প্রশংসাসহ তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি ,
মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র । মুহাম্মদ (স) এর স্বয়ং দুরদ পড়ুন । ☞ বেশি বেশি
জিকির করুন । ☞ বেশি বেশি পরিমাণ তাসবিহ পড়ুন । ☞ কোরআন তিলাওত করুন । ✪✪ তারপর
মহান আল্লাহর কাছে আপনি আপনার দোয়া করুন ৷ ইনশাআল্লাহ মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আল্লাহ তা কবুল করবেন ৷ …
দোয়া কবুলের লক্ষণ
আপনি দোয়া করার সময় যখন আপনার মাঝে আন্তরিকতা সৃষ্টি হবে ৷ আপনার অন্তরের একদম
গহীন থেকে আপনার দোয়ার শব্দ গুলো সব বের হবে ৷ আপনি যখন মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিনের নিকট আপনার দোয়া করবেন তখন আপনার দোয়া করার সময় মহান আল্লাহর
ভয়ে আপনার সব লোম গুলো সব দাঁড়িয়ে যাবে ৷
গহীন থেকে আপনার দোয়ার শব্দ গুলো সব বের হবে ৷ আপনি যখন মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিনের নিকট আপনার দোয়া করবেন তখন আপনার দোয়া করার সময় মহান আল্লাহর
ভয়ে আপনার সব লোম গুলো সব দাঁড়িয়ে যাবে ৷
আপনার দোয়া করার সময় আপনার চোখ থেকে প্রতি নিয়ত অশ্রু ঝরে পরবে ৷ আর মহান
আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিনের নিকট চাওয়ার সময় আপনার তা পাওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি
হবে ৷ দোয়া করার সময় আপনার মাঝে অনুভূতির সৃষ্টি হবে এবং মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিনের নিকট আপনার দোয়া করতে অনেক বেশি পরিমাণ ভালো লাগবে ৷ তখন আপনি
বুঝে নিবেন যে আপনার দোয়া কবুল হয়েছে ৷
আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল আলামিনের নিকট চাওয়ার সময় আপনার তা পাওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি
হবে ৷ দোয়া করার সময় আপনার মাঝে অনুভূতির সৃষ্টি হবে এবং মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিনের নিকট আপনার দোয়া করতে অনেক বেশি পরিমাণ ভালো লাগবে ৷ তখন আপনি
বুঝে নিবেন যে আপনার দোয়া কবুল হয়েছে ৷
দোয়া কবুলের দোয়া
একবার হযরত আনাস ( রা. ) রসুল ( সা. ) – এর সঙ্গে এক সাথে বসা ছিলেন । এমন সময়
এক ব্যক্তি এসে নামাজ আদায় করলেন । নিচের এ দোয়াটি পাঠ করলেন ,
এক ব্যক্তি এসে নামাজ আদায় করলেন । নিচের এ দোয়াটি পাঠ করলেন ,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلَا أَنْتَ
الْمَنَّانُ بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالإِكْرَامِ
يَا حَىُّ يَا قَيُّومُ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল
হামদু , লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ , ইয়া
জালজালালি ওয়াল ইকরাম , ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়্যুম ।
الْمَنَّانُ بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالإِكْرَامِ
يَا حَىُّ يَا قَيُّومُ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল
হামদু , লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ , ইয়া
জালজালালি ওয়াল ইকরাম , ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়্যুম ।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করি । তুমিই তো সব প্রশংসার
মালিক , তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই । তুমি দয়াশীল । তুমিই আকাশসমূহ ও পৃথিবীর
একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ! হে মহান সম্রাট ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী , হে
চিরঞ্জীব , হে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ।’
মালিক , তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই । তুমি দয়াশীল । তুমিই আকাশসমূহ ও পৃথিবীর
একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ! হে মহান সম্রাট ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী , হে
চিরঞ্জীব , হে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ।’
তখন প্রিয় নবীজি ( সা. ) বললেন যে , এ ব্যক্তি ‘ইসমে আজম’ পড়ে দোয়া করেছেন , (
‘ইসমে আজম’ হলো মহান আল্লাহর এমন নাম ) যেই নামে ডাকলে মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিন সাড়া দিয়ে থাকে । যেই নামে তার কাছে কোন প্রকার কোন কিছু চাওয়া
হলেই তিনি সব সময় সেই চাওয়া গুলো সব পূরণ করেন । ( আবু দাউদ ) এই দোয়াটি হলে
‘ইসমে আজম’ । এটি পড়ে দোয়া করলে মনের সকল কল্যাণকর দোয়া আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল
আলামিন কবুল করবেন ।
‘ইসমে আজম’ হলো মহান আল্লাহর এমন নাম ) যেই নামে ডাকলে মহান আল্লাহ তায়ালা
রাব্বুল আলামিন সাড়া দিয়ে থাকে । যেই নামে তার কাছে কোন প্রকার কোন কিছু চাওয়া
হলেই তিনি সব সময় সেই চাওয়া গুলো সব পূরণ করেন । ( আবু দাউদ ) এই দোয়াটি হলে
‘ইসমে আজম’ । এটি পড়ে দোয়া করলে মনের সকল কল্যাণকর দোয়া আল্লাহ তায়ালা রাব্বুল
আলামিন কবুল করবেন ।
দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায়
আপনি নিশ্চয়ই দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? হ্যাঁ
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পর্বটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি জানতে
পারবেন দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায় সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক
দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত।
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পর্বটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি জানতে
পারবেন দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায় সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক
দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত।
-
আপনি যদি নামাজ শেষ করে আল্লাহ তাআলার কাছে মোনাজাত করে দোয়া করেন তবে
আল্লাহ তা’আলা আপনার দোয়া কবুল করবেন। -
আল্লাহ তাআলার উপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে যদি মুমিন বান্দা দোয়া করে আল্লাহ
তায়ালা দোয়া কবুল করে। -
দোয়া করার পর আল্লাহ তাআলার প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস রাখতে হবে। আল্লাহ তাআলার
উপর এই বিশ্বাস রাখতে হবে যে আল্লাহ তায়ালা আমার দোয়া কবুল করবে।
নেতিবাচক কথা চিন্তা করাও যাবে না অন্যথায় আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে এই
দোয়া কবুল নাও হতে পারে। -
হালাল পথে উপার্জন করে এবং হালাল পথে রিজিক উপার্জন করে আল্লাহর নিকট দোয়া
করতে হবে। আপনি যদি হারাম পথে উপার্জন করে থাকেন তবে আল্লাহ তায়ালার নিকট
যতই দোয়া করেন তা কবুল হবে না।
দোয়া কবুল হওয়ার আমল
আপনি যদি দোয়া কবুল হওয়ার আমল সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য।
এই পর্বের মাধ্যমে আজকে আমরা আলোচনা করব দোয়া কবুল হওয়ার আমল সম্পর্কে।
তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন আমল করলে দোয়া কবুল হয়।
এই পর্বের মাধ্যমে আজকে আমরা আলোচনা করব দোয়া কবুল হওয়ার আমল সম্পর্কে।
তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন আমল করলে দোয়া কবুল হয়।
-
পবিত্র কোরআন শরীফ থেকে যে কোন আয়াত তেলাওয়াত করে দোয়া করা। দোয়া
কবুলের জন্য নির্দিষ্ট কোন কোরআন শরীফের অংশ, আয়াত সূরা তেলাওয়াত করার
প্রয়োজন নেই। কোরআন শরীফের যেকোনো অংশ তেলোয়াত করলে হবে। - ২৪ ঘন্টায় অবসর সময় পেলেই নফল নামাজ আদায় করার পর দোয়া করা।
- রোজার মাসে রোজা রেখে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলার দোয়া কবুল করেন।
- ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে ইফতারের সামনে রেখে দোয়া করা।
- মহান আল্লাহ তাআলার জন্য দান সদগা ইত্যাদি নেক আমল করার পর দোয়া করা।
কোন সূরা পড়লে দোয়া কবুল হয়
কোন সূরা পড়লে দোয়া কবুল হয় আপনি যদি জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য।
এই পর্বের মাধ্যমে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন সূরাটি পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা
আমাদের দোয়া কবুল করেন। কোন সূরা পড়লে দোয়া কবুল হয় নিচে দেওয়া হলঃ দোয়া
হলো মমিন ব্যক্তিদের জন্য একটি হাতিয়ার।
এই পর্বের মাধ্যমে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন সূরাটি পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা
আমাদের দোয়া কবুল করেন। কোন সূরা পড়লে দোয়া কবুল হয় নিচে দেওয়া হলঃ দোয়া
হলো মমিন ব্যক্তিদের জন্য একটি হাতিয়ার।
দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া চেয়ে অসম্ভব কেউ সম্ভব করা
যায়। পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালা বলেন তোমরা আমার কাছে দোয়া কর আমি
তোমাদের দোয়া কবুল করবো(সূরা মুমিন আয়াত ৬০)।
যায়। পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালা বলেন তোমরা আমার কাছে দোয়া কর আমি
তোমাদের দোয়া কবুল করবো(সূরা মুমিন আয়াত ৬০)।
আরো পড়ুনঃপাকিস্তানি মেয়েদের ইসলামিক নাম
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন দোয়া ছাড়া আর কিছুই আল্লাহর
সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারেনা(তিরমিজি হাদিস নাম্বার ২১৩৯)। আপনি দোয়া করার সময়
সূরা আম্বিয়ার ৮৭ নাম্বার আয়াত পড়বেন। সেখানে উল্লেখ রয়েছে তুমি ব্যতীত কোন
উপাস্য নেই তুমি নির্দোষ আমি গুনাগার। হযরত জাকারিয়া (আ.) হে আমার
পালনকর্তা! আমাকে একা রেখো না তুমি তো উত্তম ওয়ারিশ।(সূরা আম্বিয়া ৮৯)।
সিদ্ধান্তকে বদলাতে পারেনা(তিরমিজি হাদিস নাম্বার ২১৩৯)। আপনি দোয়া করার সময়
সূরা আম্বিয়ার ৮৭ নাম্বার আয়াত পড়বেন। সেখানে উল্লেখ রয়েছে তুমি ব্যতীত কোন
উপাস্য নেই তুমি নির্দোষ আমি গুনাগার। হযরত জাকারিয়া (আ.) হে আমার
পালনকর্তা! আমাকে একা রেখো না তুমি তো উত্তম ওয়ারিশ।(সূরা আম্বিয়া ৮৯)।
কিভাবে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়
আপনি কি জানেন কিভাবে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়? যদি না জেনে থাকেন তবে আজকের
পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বে আজকে আমরা আলোচনা করব কিভাবে দোয়া করলে দোয়া
কবুল হয় সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যায় কিভাবে দোয়া করলে আপনার
দোয়া কবুল হবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য।
পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বে আজকে আমরা আলোচনা করব কিভাবে দোয়া করলে দোয়া
কবুল হয় সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যায় কিভাবে দোয়া করলে আপনার
দোয়া কবুল হবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য।
- আল্লাহর নিকটে দোয়া করে কবুল করার জন্য তাড়াহুড়া না করা।
- নিবিষ্ট বা সৎ মনে দোয়া করা
- আল্লাহর কাছে আশা ও বিশ্বাস নিয়ে দোয়া করা
- অশ্রুসিক্ত অর্থাৎ দোয়া করার সময় আল্লাহর নিকটে দোয়া চেয়ে কান্না করা
- আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নাম দিয়ে দোয়া করা
শেষ কথা-দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায়
উপরোক্ত আলোচনা সাপেক্ষে এতক্ষণে নিশ্চয় দ্রুত দোয়া কবুল হওয়ার উপায়
সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত
থেকে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে
থাকে তবে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। এ ধরনের পোস্ট আরো পেতে আমাদের
সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।
সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত
থেকে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে
থাকে তবে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। এ ধরনের পোস্ট আরো পেতে আমাদের
সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।


Leave a Reply