উপায় কি। আমরা সকলেই জানি পানি বা জল এর অপর নাম হচ্ছে জীবন। তাই বলা চলে জল হল
জীবন। বেঁচে থাকার জন্য জল হল অপরিহার্য। শরীরের সুষ্ঠুভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার
জন্য জলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে আসি জল এর সংজ্ঞা কি -জল পরিস্কার করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত বিষয়।
জল পরিষ্কার করার উপায় এসব বিষয়। যদি আপনি এসব বিষয়ে জানতে চান তাহলে আজকের এই
পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ার কারণে আপনি এসব
বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
জল কি কাজ করে
একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল পান করা উচিত। শরীরে অনেক কাজের
জন্য জলের যোগান খুবই জরুরী।আমাদের শরীরে জলের ভাগ হলো ৯৫% সুতরাং শরীরের অনেক
কাজকে সচল রাখতে আমাদের যথেষ্ট মাত্রায় জল পান করা দরকার। তাছাড়া জল আমাদের
শরীরের সমস্ত বর্জ্য অর্থাৎ নোংরা পদার্থ ঘাম ও মলমত্রের মধ্য দিয়ে বের করে দিতে
সাহায্য করে। চলুন আরো কিছু জেনে নেই জল কি কি কাজ করে।
- জল আমাদের ত্বক কোমল ও স্নিগ্ধ রাখতে সাহায্য করে
- বেশি জল পান করলে আমাদের শরীরের তাপের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।
বিষাক্ত পদার্থ বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে বেশ কিছু চর্মরোগ যেমন নেতা থোড়া
ফুসকুড়ি ইত্যাদি থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
ঘামের মধ্য দিয়ে নির্গত হয়ে যায় এতে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
তখনই আমাদের পিপাসা লাগে। তাই বেশি বেশি জল পান করে শরীরের সেই ঘাট থেকে পূরণ
করা উচিত।
সুতরাং জল তেস্না পেলে তাকে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয় তখনই জলপান করা উচিত কারণ
আমাদের শরীরে যত কিছু রাসায়নিক এবং জৈবিক ক্রিয়া হয় তার সবই দ্রবণীয় মাধ্যমে
সম্পন্ন হয় আর তা সম্ভব হয় জলের উপস্থিতি দ্বারা।
জলের উৎস কি
জলের উৎস কি? আপনি যদি না জেনে থাকেন জলের উৎস কি তাহলে আজকের এই পর্বটি খুব
মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে জানতে পারবেন জলের উৎস কি। আমরা অনেকেই জানি জলের
অনেকগুলো উৎস রয়েছে এর মধ্যে প্রধান উৎস হল সমুদ্র এর পর নদী -নালা খাল- বিল
টিউবয়েল আরো অনেক। এগুলো হলো জলের উৎসব।
জলবাহিত রোগের নাম
থাকেন জল বাহিত রোগের নাম তাহলে আজকে এই পর্বে আলোচনা করব জলবাহিত রোগের নাম
বিস্তারিত। আমরা অনেকেই জানিনা আমরা অধিকাংশ সময় যে সমস্ত রোগে ভুগি তার প্রায়
সবই জলবাহিত রোগ, কিছু রোগ আছে যা মানুষকে বেশি ভোগাই এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত হতে
পারে নিচে সেই সমস্ত রোগগুলো আলোচনা করা হলোঃ
- টাইফয়েড
- কলেরা
- ডিসেন্ট্রি বা আমাসয়
- ডায়রিয়া বা উদাময়
এর রোগ গুলো অশুদ্ধ জল থেকে হয় এবং এর থেকে রক্ষা পেতে জলকে পরিশুদ্ধ করা
দরকার।
জল পরিষ্কার করার উপায়
প্রিয় পাঠক এই পর্বে আমরা আলোচনা করব কিভাবে জল পরিস্কার করতে হয়. যদি আপনি না
জেনে থাকেন জল পরিস্কার করার উপায় সম্পর্কে তাহলে আজকের এই পর্বটি আপনার জন্য.
আজকের এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ার পরে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে জল পরিষ্কার
করতে হয় এবং জল পরিষ্কার করার সহজ উপায় কি। তাহলে চলুন জেনে নেই জল পরিষ্কার
করার সহজ উপায়
-
বাজারে ইদানিং জীবাণু নাশক অনেক ওষুধ পাওয়া যায় যেগুলো জলে দিলে জল
জীবানুমুক্ত হয়। -
বাজারে ভালো ফিল্টার মেশিন ও পাওয়া যায় তবে ফিল্টার মেশিনে জল বিশুদ্ধ হলেও
পুরো হয় না। এছাড়া জিরো বি ওয়াটার পিউরোফিয়ার ইত্যাদি বেশ কিছু উপকরণ পাওয়া
যায় যা দিয়ে জলকে পান করার উপযোগী করা সম্ভব। -
অনেকের মতে পিতল বা তামার পাত্রে জল রাখলে জল পরিষ্কার হয়। কারণ পিতল বা
তামাতে জল পরিস্কার করার প্রাকৃতিক গুণ বিদ্যমান আছে। -
শরীরের পক্ষে জল পরিস্কার করার জন্য সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে জল ফুটিয়ে পান
করা। জল ফোটানোর ফলে জলে বিদ্যমান জীবাণুগুলো ধ্বংস হয়ে যায়।
জলের ব্যবহার
পর্বটি আপনার জন্য। কারণ এই পর্বে আমরা আলোচনা করব জলের ব্যবহার সম্পর্কে। তাহলে
চলুন দেরি না করে জেনে নেই জলের সঠিক ব্যবহার। আমরা বিভিন্ন কাজে জলের ব্যবহার
করে থাকি আমাদের প্রত্যেকদিন জীবনে জল একটি অপরিহার্য পদার্থ।
শুরু করে গা গোসল ঘর পরিষ্কার করা খেতে খামারে প্রত্যেক জায়গায় জলের প্রয়োজন
আছে। জল ছাড়া এক মিনিটও কোন কাজ ভাবাই যায় না ।এছাড়াও জলের অপর নাম হচ্ছে
জীবন। কল কারখানাই, সেচের কাজের জন্য জলের ব্যবহার অপরিসীম।
জলের উৎস পিডিএফ
প্রিয় পাঠক আপনি নিশ্চয় জানতে চাচ্ছেন জলের উৎস পিডিএফ সম্পর্কে। তাহলে আপনি
সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব জলের উৎস পিডিএফ
সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেই জলের উৎস পিডিএফ সম্পর্ক।
না। আমারা ছোটবেলায় জেনে এসেছি জলের অপর নাম হচ্ছে জীবন। জল ছাড়া শুধু মানবজাতি
নয় কোন প্রাণী জাতি বাঁচতে পারবেনা । আমরা সকলেই জানি পৃথিবীর চারভাগের এক ভাগ
স্থল এবং বাকি তিন ভাগই হচ্ছে জল, তাহলে বুঝতে পারছেন জলের কত প্রয়োজন পৃথিবীতে।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক আশা করছি আজকের এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন। এবং আপনি নিশ্চয় জেনে গেছেন জল এর সংজ্ঞা কি, আজকের এই পর্বটি
পড়ার পরে এই পর্ব সম্পর্কে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট
করে জানাবেন এবং আজকের এই পর্বটি যদি আপনার যদি ভালো লেগে যায় তাহলে অবশ্যই
আপনার বন্ধু-বান্ধবের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।



Leave a Reply