বর্তমানে অনেকেই শহরের চেয়ে গ্রামের দিকে ব্যবসা করার জন্য বেশি উদ্যোগ নিচ্ছে।
বর্তমান সময়ে মানুষ এখন শহর কেন্দ্রিক না হয়ে গ্রামে ব্যবসা করে থাকে। আপনিও
যদি গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া – গ্রামে লাভজনক ব্যবসা কোনটি জানতে চান তবে এই
পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন ব্যবসাটি
গ্রামে সব থেকে বেশি লাভজনক। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া
– গ্রামে লাভজনক ব্যবসা।
বর্তমানে গ্রামে থেকে অনেক লাভজনক ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। শুধু থাকতে হবে আপনার
বুদ্ধি ও ব্যবসা করার আইডিয়া। আপনি যদি সঠিক আইডিয়া নিয়ে গ্রামের ব্যবসা করতে
চান তবু আপনি লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন। তাই চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে
নেওয়া যাক গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া – গ্রামে লাভজনক ব্যবসা কি কি সেই
সম্পর্কে।
গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া
সঠিক আইডিয়া। কারন আপনার যদি ব্যবসার প্রতি আইডিয়া না থাকে তাহলে আপনি সেই
ব্যবসাতে সফলতা পাবেন না। বর্তমান সময়ে গ্রামে থেকে অনেক লাভজনক ব্যবসা গড়ে
তোলা সম্ভব। অনেকে রয়েছে যারা শহর থেকে চলে এসে গ্রামে নিজ ব্যবসা গড়ে
তুলেছেন। আপনি চাইলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আজকের পর্বের মাধ্যমে আমরা
আলোচনা করব গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া ও গ্রামে লাভজনক ব্যবসা কোনগুলো সেই
সম্পর্কে। গ্রামে থেকে ও গ্রামে লাভজনক ব্যবসা গড়ে তোলা এবং গ্রামে ব্যবসার
আইডিয়া নিতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ পড়ুন।
কোয়েল পাখির ব্যবসা
কোয়েল পাখির ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠিত এবং লাভবান হয়েছেন। আপনিও চাইলে গ্রামে
থেকে কোয়েল পাখির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কোয়েল পাখির লাভজনক ব্যবসা করতে
হলে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে আপনি কোয়েল পাখির খামার তৈরি করবেন।
পাখির পালন করা। বর্তমানে কোয়েল পাখি পালন করা সাধারণত সহজ সৌখিনতা ও লাভজনক
একটি ব্যবসা। গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া অথবা গ্রামের লাভজনক ব্যবসা মধ্যে কোয়েল
পাখির ব্যবসা অন্যতম।
কাঁচামালের ব্যবসা
ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনি অনেক ধরনের বা অনেক রকম ভাবে এই ব্যবসা শুরু করতে
পারবেন। প্রথমেই বলে রাখা ভালো এই ব্যবসাতে স্বল্প পুঁজিতে অধিক লাভ করা যায়।
কাঁচামালের ব্যবসা করতে হলে আপনার খুব স্বল্প পুঁজি থাকলেই শুরু করতে পারবেন।
বর্তমানে অনেকেই এই ব্যবসাটি পেশা হিসেবে নিয়েছে কারণ এই ব্যবসাতে স্বল্প
বিনিয়োগে অধিক লাভ করা সম্ভব। কারণ কাঁচামালের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে বাইরে
থেকে কোন কিছুই আনতে হবে না। গ্রামে থেকে কাঁচামালের ব্যবসা সবথেকে সহজ। এ
ব্যবসাতে তেমন কোন যানবাহন ভোগান্তি হবে না। কারণ কাঁচামালের উৎপাদন সব থেকে
বেশি গ্রাম অঞ্চলেই হয়ে থাকে।
মুদি দোকানের ব্যবসা
হলে আপনাকে কিছু বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে। কারণ মুদি দোকানের ব্যবসা সব স্থানে
ভালোভাবে করা সম্ভব নয়। মুদি দোকানের ব্যবসা করতে হলে প্রথমে আপনাকে স্থান
নির্ধারণ করতে হবে। সব স্থানে মুদির ব্যবসা করা সম্ভব নয়। তাই অবশ্যই সঠিক
স্থান এই ব্যবসাটি করতে হবে। মুদি দোকানের ব্যবসা করতে হলে সততার সহিত এবং
দোকানের ডেকোরেশন এর উপর ও নির্ভর করবে। সব সময় মাথায় রাখতে হবে আপনি যে
স্থানে মুদি দোকান দিতে চাচ্ছেন সেই স্থানের কোন প্রোডাক্টের চাহিদা বেশি।
জনগণের চাহিদা অনুযায়ী আপনার প্রোডাক্ট নির্ধারণ করতে হবে। এক কথায় বলা যায়
মুদি দোকানের ব্যবসা করতে হলে প্রোডাক্ট এর চাহিদা, স্থান এবং ডেকোরেশন
ভালোভাবে করলেই আপনি সফল হতে পারবেন।
বিউটি পার্লারের ব্যবসা
এই ব্যবসার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। শহর অঞ্চলের পাশাপাশি গ্রাম অঞ্চলেও বিউটি
পার্লারের ব্যবসা অনেক জাঁকজমক হয়ে উঠেছে। অল্প কিছু বিনিয়োগের মাধ্যমে এই
ব্যবসাটি আপনি লাভজনকভাবে করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে মেয়েদের পাশাপাশি
ছেলেরাও বিউটি পার্লারে গিয়ে থাকেন। সেই জন্য আপনি নিজেও এই ব্যবসাটি অর্থাৎ
একটি ছেলেও এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
পার্লারের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে প্রথমে একটি ধারণা করতে হবে আপনি যে স্থানে
এই ব্যবসাটি করতে চাচ্ছেন সেই স্থানে গ্রাহকের চাহিদা কেমন। অর্থাৎ কোন ধরনের
গ্রাহক আপনার কাছে বেশি আসে। সেই অনুযায়ী আপনাকে সেবা প্রদান করতে হবে তবে
আপনি সফলভাবে এই ব্যবসাটি করতে পারবেন।
মাছের চাষ
চাষে এখন প্রচুর পরিমাণ লাভ হয়ে থাকে। মাছ চাষ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিছু
কিছু ধারনা মাথায় রাখতে হবে। তা না হলে এই ব্যবসাটি আপনি সফলভাবে করতে পারবেন
না। মাছ চাষ করতে হলে প্রথমে আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন ধরনের মাছ চাষ
করতে চাচ্ছেন। সেই অনুযায়ী আপনাকে উপযুক্ত পুকুর নির্বাচন করতে হবে। সব সময়
মাথায় রাখতে হবে সব ধরনের পুকুরে সব প্রজাতির মাছ চাষ করা যায় না। যেমন কই
মাছের জন্য নিয়মিত পুকুরের পানি পরিবর্তন করতে হয়। আবার আপনি যদি কার্প
জাতীয় মাছ, চিংড়ি গুলসা ইত্যাদি মাস চাষ করতে চান তবে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো
পড়ে এমন স্থানে পুকুর নির্ধারণ করতে হবে। এক কথায় বলা যায় মাছের চাষ করার
জন্য আপনাকে সঠিক পুকুর নির্ধারণ করে মাছ চাষ করতে হবে।
মুরগি পালনের ব্যবসা
ব্যবসা। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এখন খামারের মাধ্যমে মুরগি পালন না করলেও সবার
বাড়িতেই মুরগি পালন করা হয়। আপনি চাইলে গ্রামে গিয়ে খামারের মাধ্যমে মুরগি
পালনের ব্যবসা করতে পারেন। আপনি যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে মুরগি পালন করতে চান
তাহলে অবশ্যই আপনাকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে খামার দিতে হবে। আপনি ১০০ থেকে ২০০
টি মুরগি পালনের জন্য বাড়ির আশেপাশে 20 থেকে 25 ফুট লম্বা এবং ১০ থেকে ১৫ ফুট
চওড়া জায়গা হলেই আপনি মুরগি পালন করতে পারবেন। মুরগি পালন করার জন্য প্রথম
অবস্থায় আপনাকে একটি ঘর এবং ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। তাহলে আপনি
মুরগি পালন করা শুরু করতে পারবেন।
কৃষি পণ্যের দোকান
অর্থনীতি বর্তমানে কৃষি উপর নির্ভরশীল। সব জায়গায় বা সব স্থান থেকেই আপনি
কৃষি পণ্যের দোকান দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। তবে কৃষি পণ্য ব্যবসা করতে
হলে আপনার অধিক পরিমাণ মূলধনের প্রয়োজন হবে। এদের সাথে যেমন মূলধনের প্রয়োজন
রয়েছে তেমনি এই ব্যবসার মাধ্যমে অনেকেই লাভবান হয়েছে। কৃষি পণ্যের
দোকান দিতে হলে আপনার প্রথমেই প্রয়োজন হবে একটি নির্দিষ্ট স্থান। তবে
মাথায় রাখবেন দোকান দেওয়ার জন্য এই স্থানগুলো বাজার কেন্দ্রিক হলে একটু বেশি
ভালো হয়। গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী কৃষি পণ্য গুলো সংগ্রহ করতে হবে। এভাবে
আপনি চাইলে কৃষি পণ্য দোকান দিয়ে অধিক লাভবান হতে পারেন।
চাউল বিক্রি ব্যবসা
পারে অন্যতম। কারণ প্রত্যেকটি পরিবারে নিত্যদিন অন্যান্য কিছুর প্রয়োজন না
হলেও প্রত্যেকটি পরিবারে চাউলের প্রয়োজন হয়। কারণ বেঁচে থাকার জন্য চাউলের
গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি চাইলেই চাউলের ব্যবসা করে অথবা চাউল বিক্রি ব্যবসা করে
অধিক লাভবান হতে পারেন। আপনি যদি চাউলের ব্যবসা করতে চান তবে আপনার চাউলের
প্রতি সঠিক ধারণা থাকতে হবে। যেমন সব ধরনের চাউল রাখতে হবে যেন ক্রেতাগণকে ঘুরে
না যেতে হয়। চাউলের ব্যবসা কোন পর্যায়ে করতে চান সেই সিদ্ধান্ত নিতে
হবে। চাউলের ব্যবসা করার জন্য এমন স্থান নির্ধারণ করতে হবে যেখানে মানুষ বেশি
যাতায়াত করে থাকে।
সরিষা বিক্রির ব্যবসা
সঠিক ধারণা থেকে থাকে। বর্তমানে সরিষার তেলের চাহিদা বাজারে অনেক বেশি। আপনি
চাইলে সরিষা পাইকারি অথবা খুচরা বিক্রি করতে পারেন। দুটোতে অধিক পরিমাণ লাভ
রয়েছে। তবে প্রত্যেকটি ব্যবসার ক্ষেত্রেই একটি নির্দিষ্ট স্থানের প্রয়োজন
রয়েছে। যেখান থেকে আপনি প্রোডাক্ট সংগ্রহ এবং বিক্রি করতে পারবেন।
করতে পারেন। এভাবে যদি আপনি ব্যবসা করেন তাহলে আপনার একটু বেশি লাভ
থাকবে। গ্রামে লাভজনক ব্যবসা মধ্যে সরিষার ব্যবসা হতে পারে আপনার অন্যতম
একটি ব্যবসা। আপনি চাইলে খুব সহজেই গ্রামে থেকে সরিষা বিক্রির ব্যবসা করতে
পারেন।
বিকাশ ও মোবাইল লোড
বর্তমান সময়ে মোবাইল ছাড়া এখন কেউ নেই। প্রয়োজনের তাগিদে সবাইকেই মোবাইলে
ফ্লেক্সিলোড দিতে হয়। তাই বর্তমান সময়ে গ্রামে থেকেও আপনি এই ব্যবসাটি খুব
ভালোভাবেই করতে পারবেন। এখন বর্তমানে আবার অনেকেই বিকাশের ব্যবসা শুরু করেছে।
টাকা আদান-প্রদানের জন্য আমরা অনেকে এখন বিকাশ ব্যবহার করে থাকি। আপনি চাইলে
বিকাশ এজেন্টের সাথে কথা বলে আপনার মোবাইল ফোনে বিকাশ এজেন্ট নিতে পারেন। এই
ব্যবসাটি আপনি চাইলে আপনার যে কোন বাজারে আবার চাইলে আপনি বাড়িতেও অর্থাৎ
বাড়িতে যদি দোকান থাকে তবুও করতে পারবেন।
মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসা
মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসা কথা চিন্তা করতে পারেন। বর্তমানে আমরা সকলেই এখন
স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি। সেই স্মার্টফোন কিছুদিন না ব্যবহার করতেই নষ্ট
হয়ে যায় এবং মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকানে গিয়ে থাকে। এই সমস্যা শুধু আমার না
সকলেরই হয়ে থাকে। অনেক ব্যবসা রয়েছে যেগুলো পণ্য বিক্রি করে ব্যবসা করতে হয়।
মোবাইল সার্ভিসিং এর ব্যবসা শুরু করার পূর্বে আপনাকে স্থান নির্ধারণ করতে হবে।
সব স্থানে মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসা ভালোভাবে নাও হতে পারে। মোবাইল সার্ভিসিং এর
ব্যবসায় শুরু করতে প্রথমে আপনার ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন হতে পারে।
মধু বিক্রি
মধু বিক্রি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসাটি শুরু করতে আপনার তেমন কোন
বিনিয়োগ করার প্রয়োজন হবে না। এই ব্যবসাটি এতটাই সহজে আপনি গ্রামে থেকেও
শহরেও মধু বিক্রি করতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে। অনেকেই এখন বেকার না থেকে মধু
বিক্রি করে টাকা উপার্জন করে। আপনি চাইলেই গ্রাম অঞ্চল থেকে মধু সংগ্রহ করে শহর
অঞ্চলে বিক্রি করতে পারবেন। আবার আপনি যদি ইচ্ছে করেন আপনার এলাকাতেও এই
ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। কারণ গ্রামের মানুষ এখন মধুর উপকারিতা সম্পর্কে
অবগত। গ্রামের মানুষ এখন মধু ক্রয় করে।
ওষুধের দোকান
ব্যবসা হল ওষুধের দোকান। আপনি ওষুধের দোকানের মাধ্যমে খুব সহজেই লাভজনক একটি
প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। আপনি চাইলে আপনার গ্রামে একটি ওষুধের
দোকান দিতে পারেন। ওষুধের দোকান দিতে আপনার প্রয়োজন হবে একটি নির্দিষ্ট স্থান
যেখানে মানুষের সমাগম একটু বেশি রয়েছে। ওষুধের দোকানে আপনি যত বিনিয়োগ করবেন
ততই আপনার জন্য ভালো। বর্তমানে অনেকেই বা অনেক যুবক রা এই ব্যবসাটি শুরু
করেছেন। আপনি চাইলে যে কোন স্থান থেকে তিন মাসের ট্রেনিং নিয়ে ওষুধের দোকান
দিতে পারেন। এক কথায় বলা যায় স্বল্প সময়ে গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া মধ্যে
গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হলো ওষুধের দোকান।
রোড সিমেন্টের ব্যবসা
হিসেবে তুলতে পারবেন। তবে রোড সিমেন্টের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি
ভালো স্থান দেখে দোকান দিতে হবে। কেননা এই ব্যবসাটি শুধুমাত্র আপনার গ্রাম
কেন্দ্রিক হলে হবে না। আপনার গ্রামের উপজেলা বা ইউনিয়ন বাজার কেন্দ্রিক
দোকান দিলে ভালো হয়। রোড সিমেন্টের ব্যবসায়ী অধিক পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হয়।
আপনি যদি এই ব্যবসাটি শুরু করতে চান তবে সর্বনিম্ন ২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে
হবে। তা না হলে আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন না।
পেঁপে চাষ করে ব্যবসা
জনপ্রিয়। পেঁপে উৎপাদন তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি এবং খরচও কম। অনেকেই ব্যবসা
করার উদ্দেশ্যে পেঁপে চাষ করে থাকেন। তাই আপনার যদি একটি জমি থেকে থাকে আপনিও
পেঁপে চাষ করে ব্যবসা তে সফল হতে পারেন। এই পেঁপে চাষ করতে হলে প্রথমে
আপনার প্রয়োজন হবে একটি উঁচু জমি। যেখানে আপনি পেঁপে উৎপাদন করতে পারবেন। আপনি
যদি পেতে চাষ করতে চান তবে সবথেকে ভালো হয় উপজেলা কৃষি অফিসারের থেকে অথবা
ইউনিয়ন পর্যায়ের কৃষি অফিসারের থেকে পরামর্শ নেওয়া। বর্তমানে বাংলাদেশে শাহী
পেঁপে ও স্থায়ী পেঁপে চাষ করা হয়ে থাকে। আপনিও চাইলে স্বল্প বিনিয়োগে এই
পেঁপে চাষ করে ব্যবসা করতে পারেন।
ফাস্টফুডের দোকানের ব্যবসা
তরুণ এই ব্যবসাটি করতে আগ্রহী প্রকাশ করছে। আপনিও চাইলে এই ব্যবসাটি শুরু করতে
পারেন। বর্তমান সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রুচি ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে
মানুষ এখন বেশি পছন্দ করেন। বড় থেকে ছোট সকলের পছন্দের তালিকায় রয়েছে
ফাস্টফুড জাতীয় খাবার। ফাস্টফুডের ব্যবসা করে আপনিও হতে পারেন প্রতিষ্ঠিত ও
লাভবান। এই ব্যবসাটি করতে হলে আপনার সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে স্থানের
প্রতি। কারণ স্থান ভেদে ফাস্টফুডের ব্যবসা হয়ে থাকে। আপনি যদি ফাস্টফুডের
দোকানের ব্যবসা করতে চান তবে আপনি স্বল্প বিনিয়োগে এই ব্যবসাটি শুরু করতে
পারবেন।
টি-শার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা
শুরু করতে চান তবে সফলভাবে করতে পারবেন। কারণ এই ব্যবসায় প্রতিদ্বন্দ্বী কম
হয় আপনার জন্য অনেক ভালো। এছাড়াও টি-শার্ট প্রিন্টিং করা অনেক সহজ কাজ। আপনি
আনন্দ সাথে এবং সহজভাবে টি-শার্ট পেন্টিং কাজটি করতে পারবেন। টি শার্ট
প্রিন্টিং ব্যবসা করতে হলে আপনাকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ইনভেস্ট করতে হবে। এই
টাকা দিয়ে আপনি প্রিন্টিং মেশিন কেনার পর খুব সহজেই যেকোন শার্ট পাঁচ থেকে দশ
মিনিটের মধ্যে পেইন্টিং করে দিতে পারবেন এবং এর থেকে আপনি ভালো একটি অ্যামাউন্ট
উপার্জন করতে পারবেন।
লাইব্রেরীর ব্যবসা
লাইব্রেরীর ব্যবসা করে অনেকেই আজকে সফল হয়েছেন। আপনি যেকোনো একটি ভালো স্থান
দেখে অথবা কলেজ বা স্কুলের সামনে এই ব্যবসাটি করতে পারেন। দিন দিন
পাঠ্যপুস্তকের গুরুত্ব বেড়ে চলেছে। বর্তমানে এখন শুধু লাইব্রেরীর দোকানে গিয়ে
সবাই বই ক্রয় করে না। অনলাইনের মাধ্যমে ও এখন বই কেনাবেচা হয়ে থাকে। তাই আপনি
এই সুযোগটি এখনই কাজে লাগাতে পারেন। আপনি চাইলে একটি লাইব্রেরীর দোকান দিয়ে
অনলাইনে এবং দোকান থেকে লাইব্রেরীর ব্যবসাটি সফলভাবে করতে পারবেন।
থাই গ্লাসের ব্যবসা
গ্লাসের ব্যবসা সফলভাবে করতে পারেন। যেহেতু এই ব্যবসায় আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী
কম থাকায় এই ব্যবসাতে আপনার তেমন কোন ভোগান্তি পোহাতে হবে না। এই ব্যবসাটি
করতে হলে আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে ভালো একটা স্থান। প্রথমেই বলে রাখা ভালো থাই
গ্লাসের ব্যবসা করতে হলে আপনার বিনিয়োগ বেশি করা প্রয়োজন হতে পারে। যেহেতু এই
ব্যবসায়ী বিনিয়োগ বেশি সেহেতু এই ব্যবসাতে লাভ ও অনেক।
চা দোকান
ইনভেস্ট করে সর্বোচ্চ বেশি টাকা লাভ করা যায়। আপনি চাইলেই এই ব্যবসাটি সফলভাবে
করতে পারেন। কেননা এই ব্যবসায়ী তিনভাগের দুই ভাগ লাভ থেকে যায়। এই ব্যবসাটি
করতে হলে আপনার প্রথমের প্রয়োজন হবে একটি নির্দিষ্ট স্থান। যেখানে সব সময়
মানুষের সমাগম থেকে থাকে। যে স্থানের সবথেকে বেশি মানুষ যাতায়াত করবে সেই
স্থানগুলো তে সব থেকে বেশি এই দোকানে লাভ করা যাবে। আপনি ইচ্ছে করলেই খুব কম
টাকা ইনভেস্ট করে চা দোকান ব্যবসাটি সফলভাবে করতে পারেন।
কম্পিউটার কম্পোজ
ব্যবসা। এই ব্যবসাটি একজন চাইলে খুব সহজেই সফলভাবে করতে পারবেন। এই ব্যবসাটি
শুরু করতে আপনার প্রয়োজন হবে ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। কম্পিউটার কম্পোজ
ব্যবসা হল প্রত্যয়নপত্র বানানো, ব্যানার তৈরি করা/বিভিন্ন সনদপত্র ইত্যাদি
তৈরি করা। যে কাজগুলো আপনি নির্দিষ্ট একটি স্থানের দোকানের মাধ্যমে খুব সহজেই
করতে পারবেন। যার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার ও
স্ক্যানার।
শেষ কথা
লাভজনক ব্যবসা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেয়েছেন। আপনি চাইলে এখান থেকে যে ব্যবসাটি
আপনার পছন্দ হয় সেই ব্যবসাটি করে সফল হতে পারেন। এই পর্বটি সম্পর্কে আপনার যদি
কোন মতামত থেকে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি ভাল লাগলে
অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।


Leave a Reply