প্রিয় পাঠক আপনি যদি কুমিল্লা কিসের জন্য বিখ্যাত জানতে চান তবে এই পর্বটি
আপনার জন্য।আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা কেন বিখ্যাত এবং
কুমিল্লার বিখ্যাত কিছু স্থান সম্পর্কে। কুমিল্লার বিখ্যাত স্থান এবং কুমিল্লার
ইতিহাস সম্পর্কে জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বে
জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লা কিসের জন্য বিখ্যাত।
আপনি যদি কুমিল্লার ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পর্বটি মনোযোগ
সহকারে পড়ুন। কারণ আজকের এই পর্বে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লার সকল জানা-অজানা
তথ্য সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লা
ইতিহাস এবং কুমিল্লা কিসের জন্য বিখ্যাত।
কুমিল্লা কোন খাবারে জন্য বিখ্যাত
আপনি নিশ্চয়ই জানতে চাচ্ছেন কুমিল্লা কোন খাবারে জন্য বিখ্যাত? আপনি সঠিক
জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা জেলা কোন
খাবারের জন্য বিখ্যাত এবং সেখানকার বিখ্যাত খাবার গুলো সম্পর্কে।
জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা জেলা কোন
খাবারের জন্য বিখ্যাত এবং সেখানকার বিখ্যাত খাবার গুলো সম্পর্কে।
তাহলে চলুন
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লা কোন খাবারে জন্য বিখ্যাত।
কুমিল্লা হল বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে অবস্থানরত একটি মহানগরী। প্রাচীন
বাংলা শহর এর মধ্যে কুমিল্লা একটি। এই জেলার বিখ্যাত খাবার হলো রসমালাই।
আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লা কোন খাবারে জন্য বিখ্যাত।
কুমিল্লা হল বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে অবস্থানরত একটি মহানগরী। প্রাচীন
বাংলা শহর এর মধ্যে কুমিল্লা একটি। এই জেলার বিখ্যাত খাবার হলো রসমালাই।
আরো পড়ুনঃ কিশোরগঞ্জ কিসের জন্য বিখ্যাত
এক কথায় বলা যায় কুমিল্লা রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত। ধারণা করা যায় যে 19
শতকের মধ্য থেকে কুমিল্লা শহরের রসমালাই বিক্রি করা শুরু হয়েছে। কমপক্ষে দুই
ঘন্টা ধরে দুধ জ্বাল দেওয়ার পর মনে হয় আসলে তাদের ছানা তৈরি করা হয় এবং তার
ওপরে থানা কেটে ছোট ছোট মিষ্টি তৈরি করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে রসের মধ্যে দিয়ে
তৈরি করা হয় রসমালায়।
শতকের মধ্য থেকে কুমিল্লা শহরের রসমালাই বিক্রি করা শুরু হয়েছে। কমপক্ষে দুই
ঘন্টা ধরে দুধ জ্বাল দেওয়ার পর মনে হয় আসলে তাদের ছানা তৈরি করা হয় এবং তার
ওপরে থানা কেটে ছোট ছোট মিষ্টি তৈরি করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে রসের মধ্যে দিয়ে
তৈরি করা হয় রসমালায়।
কুমিল্লার বিখ্যাত ব্যাক্তি
আপনি যদি কুমিল্লার বিখ্যাত ব্যক্তি তালিকা গুলো জানতে চান তবে এই পর্বটি
মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কুমিল্লা
জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের নাম এবং ইতিহাস সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই
পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত ব্যাক্তি নামের তালিকা।
কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ
মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কুমিল্লা
জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের নাম এবং ইতিহাস সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই
পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত ব্যাক্তি নামের তালিকা।
কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ
- শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত(ভাষা সৈনিক ও সাবেক গণপরিষদের সদস্য)
- শচীন দেব বর্মন
- ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন
- মেজর জেনারেল সুবিদ আলী ভূঁইয়া
- এম কে আনোয়ার
- ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম
- লেঃ জেনারেল মোঃ মইনুল ইসলাম
- আখতার হামিদ খান
- মুজিবুল হক মুজিব
- অধ্যাপক ডক্টর প্রাণ গোপাল দত্ত
- শিব নারায়ন দাস
- আপেল মাহমুদ
- মেজর আব্দুল গনি
- আজিজুর রহমান সরকার
- এনামুল হক মনি
- আ হ ম মোস্তফা কামাল লোটাস
- সুফিয়া কামাল
- বুদ্ধদেব বসু
- মহম্মদ তাফাজ্জল ইসলাম
- কাজী জাফর আহমেদ
- ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ
- আব্দুল মতিন খসরু
- জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া
- রফিকুল ইসলাম
- আতিকুল ইসলাম
- আসিফ আকবর
- আলম আরা মিনু
- ডক্টর মিজানুর রহমান আল আজহারী
- শামসুর রহমান শুভ
কুমিল্লার বিখ্যাত স্থান
আপনি যদি কুমিল্লার বিখ্যাত স্থান সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার
জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা জেলার সকল বিখ্যাত
স্থান এর নাম এবং ইতিহাস সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে
নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত স্থান সম্পর্কে। কুমিল্লার বিখ্যাত যে সকল স্থান
রয়েছে সেগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলঃ
জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা জেলার সকল বিখ্যাত
স্থান এর নাম এবং ইতিহাস সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে
নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত স্থান সম্পর্কে। কুমিল্লার বিখ্যাত যে সকল স্থান
রয়েছে সেগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলঃ
- শালবন বৌদ্ধ বিহার
- ময়নামতি জাদুঘর
- ময়নামতি ওয়ার সিম্রেটি
- ধর্মসাগর দিঘী
- নব শালবন বিহার
- ইটা খোলা মোড়া
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়নে একাডেমি
- রূপবান মুড়া
- রানী ময়নামতির প্রসাদ
- আনন্দবিহার
কুমিল্লার বিখ্যাত কবি সাহিত্যক
কুমিল্লার বিখ্যাত কবি সাহিত্যক দের নাম জানতে হলে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে
পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত
কবি সাহিত্যকদের নাম সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া
যাক কুমিল্লার বিখ্যাত কবি সাহিত্যক এর নাম। কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত কবি
সাহিত্যদের মধ্যে অন্যতম হলো বুদ্ধদেব বসু(জাতীয়তা ভারতীয় কিন্তু কুমিল্লার
বাংলাদেশ) এবং আব্দুল কাদির।
পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত
কবি সাহিত্যকদের নাম সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া
যাক কুমিল্লার বিখ্যাত কবি সাহিত্যক এর নাম। কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত কবি
সাহিত্যদের মধ্যে অন্যতম হলো বুদ্ধদেব বসু(জাতীয়তা ভারতীয় কিন্তু কুমিল্লার
বাংলাদেশ) এবং আব্দুল কাদির।
-
বুদ্ধদেব বসুঃ বুদ্ধদেব বসু ১৯০৮ থেকে ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের ৩০ কুমিল্লায়
জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবার এর আদি নিবাস আগে ছিল বিক্রমপুর মালখান নগরে।
১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা কলেজের স্কুল থেকে তিনি এসএসসি পাস করেন। ১৯২৬
খ্রিস্টাব্দের প্রকাশিত হয়েছিল তার প্রথম গল্পের বই” রজনী হলো উতলা”। -
আব্দুল কাদিরঃ আব্দুল কাদের একজন প্রাবন্ধিক ছন্দ বিশারদ সম্পাদক। ১৯০৬
সালের পহেলা জুন কুমিল্লা জেলার আড়াই সিধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার
পিতা ছিলেন একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।
কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত তিনটি স্থানের নাম
আপনি যদি কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত তিনটি স্থানের নাম সম্পর্কে জানতে চান তবে
আজকের এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা
জেলার অন্তর্গত বিখ্যাত তিনটি স্থানের নাম। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত তিনটি স্থানের নাম। নিচে কুমিল্লা
জেলার তিনটি স্থানের নাম এবং স্থান সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ
আজকের এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা
জেলার অন্তর্গত বিখ্যাত তিনটি স্থানের নাম। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত তিনটি স্থানের নাম। নিচে কুমিল্লা
জেলার তিনটি স্থানের নাম এবং স্থান সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ
আরো পড়ুনঃ মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ
ময়নামতি জাদুঘরঃ কুমিল্লা জেলার ঐতিহাসিক নিদর্শনের মধ্যে
ময়নামতির জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ একটি সংগ্রহশালা। ময়নামতি জাদুঘর কুমিল্লা জেলা
থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে সালমান পুরে অবস্থিত। এই জাদুঘরে কুমিল্লার চারপত্র,
রূপবান ও কোটলা মোড়া, এটা খোলা, রাজবাড়ি বিহার এবং আনন্দ বিহার খনন কালে খুঁজে
পাওয়া যায় এই তথ্যাতিক নিদর্শন গুলো। জাদুঘরের আঙ্গিনার বিশ্রামাগারে
ফুলবাগান জাদুঘরের সৌন্দর্যকে আরো বেশি ফুটিয়ে তুলেছে।
ময়নামতির জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ একটি সংগ্রহশালা। ময়নামতি জাদুঘর কুমিল্লা জেলা
থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে সালমান পুরে অবস্থিত। এই জাদুঘরে কুমিল্লার চারপত্র,
রূপবান ও কোটলা মোড়া, এটা খোলা, রাজবাড়ি বিহার এবং আনন্দ বিহার খনন কালে খুঁজে
পাওয়া যায় এই তথ্যাতিক নিদর্শন গুলো। জাদুঘরের আঙ্গিনার বিশ্রামাগারে
ফুলবাগান জাদুঘরের সৌন্দর্যকে আরো বেশি ফুটিয়ে তুলেছে।
ধর্মসাগর দিঘীঃ কুমিল্লা সদরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত রয়েছে
ধর্মসাগর দীঘি। ধর্মসাগর দীঘির এরিয়াতে ঢুকতে দেখা যাবে একটি সাইনবোর্ড যেখানে
লেখা রয়েছে এই দীঘির সকল ইতিহাস। ১৭৫০ থেকে ১৮০৮ সালে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে
রাজ্যে এক ভয়ানক দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তখন পাল বংশের এই জনদরদের জন্য খনন
করে ধর্মসাগর দীঘি।
ধর্মসাগর দীঘি। ধর্মসাগর দীঘির এরিয়াতে ঢুকতে দেখা যাবে একটি সাইনবোর্ড যেখানে
লেখা রয়েছে এই দীঘির সকল ইতিহাস। ১৭৫০ থেকে ১৮০৮ সালে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে
রাজ্যে এক ভয়ানক দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তখন পাল বংশের এই জনদরদের জন্য খনন
করে ধর্মসাগর দীঘি।
নব শালবন বিহারঃ কুমিল্লা জেলার প্রাচীন নিদর্শনের এক নতুন সংযোজন
কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত এই নব সালবহন বিহার। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শান্তির বিহার নামে পরিচিত বিহারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়
১৯৯৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। এই বিহারের মূল আকর্ষণ হল আবাদামস্তক ধাতু দিয়ে
মোড়ানো প্রায় ৬ টন ওজনের ৩০ ফুট উচ্চতার সোনালী রঙের এক বুদ্ধের মধ্যে
মুর্তি।
কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত এই নব সালবহন বিহার। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শান্তির বিহার নামে পরিচিত বিহারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়
১৯৯৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। এই বিহারের মূল আকর্ষণ হল আবাদামস্তক ধাতু দিয়ে
মোড়ানো প্রায় ৬ টন ওজনের ৩০ ফুট উচ্চতার সোনালী রঙের এক বুদ্ধের মধ্যে
মুর্তি।
কুমিল্লার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা
আপনি যদি কুমিল্লার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা দের নাম সম্পর্কে জানতে চান তবে আজকের
এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা
জেলার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে। কুমিল্লা জেলার
যোদ্ধা কালীন সময়ে থানা কমান্ডার যারা ছিলেনঃ
এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব কুমিল্লা
জেলার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে
জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে। কুমিল্লা জেলার
যোদ্ধা কালীন সময়ে থানা কমান্ডার যারা ছিলেনঃ
- আব্দুল মতিন(কতোয়ালি)
- আবুল বাশার
- আবু তাহের
- বেলায়েত হোসেন
- আলী আকবর
- সিরাজুল ইসলাম
- শারাফাত আলী
- কামরুল হাসান
- নজরুল ইসলাম
- আব্দুল মতিন
- চৌধুরী আমির আলী
কুমিল্লার সবচেয়ে বড় উপজেলা
আপনি যদি কুমিল্লার সবচেয়ে বড় উপজেলা নাম সম্পর্কে জানতে চান এবং সেই স্থানের
বিস্তারিত জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা
আলোচনা করব কুমিল্লা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলার নাম এবং সেই স্থান সম্পর্কে।
কুমিল্লা জেলা সবচেয়ে বড় উপজেলা সম্পর্কে জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে
পড়ুন।
বিস্তারিত জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা
আলোচনা করব কুমিল্লা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলার নাম এবং সেই স্থান সম্পর্কে।
কুমিল্লা জেলা সবচেয়ে বড় উপজেলা সম্পর্কে জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে
পড়ুন।
তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যায় কুমিল্লার সবচেয়ে
বড় উপজেলা সম্পর্কে। কুমিল্লা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলার নাম হলো মুরাদনগর উপজেলা। বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা হলো মুরাদনগর
উপজেলা। মুরাদনগর উপজেলা ২ টি থানা এবং ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই উপজেলাটি
কুমিল্লা জেলার সর্ববৃত উপজেলা। মুরাদনগর উপজেলার আয়তন ৩৪০.৭৩ বর্গ কিলোমিটার।
বড় উপজেলা সম্পর্কে। কুমিল্লা জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলার নাম হলো মুরাদনগর উপজেলা। বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা হলো মুরাদনগর
উপজেলা। মুরাদনগর উপজেলা ২ টি থানা এবং ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই উপজেলাটি
কুমিল্লা জেলার সর্ববৃত উপজেলা। মুরাদনগর উপজেলার আয়তন ৩৪০.৭৩ বর্গ কিলোমিটার।
কুমিল্লার বিখ্যাত রসমালাই
আপনি যদি কুমিল্লার বিখ্যাত রসমালাই সম্পর্কে সকল তথ্য এবং বিস্তারিত জানতে চান
তবে এই পর্বটি শুধুমাত্র আপনার জন্য। আজকের এই প্রয়োজন মাধ্যমে আমরা আলোচনা
করব কুমিল্লা জেলা বিখ্যাত রসমালাই সম্পর্কে।
তবে এই পর্বটি শুধুমাত্র আপনার জন্য। আজকের এই প্রয়োজন মাধ্যমে আমরা আলোচনা
করব কুমিল্লা জেলা বিখ্যাত রসমালাই সম্পর্কে।
তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের
মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত রসমালাই সম্পর্কে বিস্তারিত।
কুমিল্লার রসমালাই হলো বাংলাদেশের বিখ্যাত রসমালাই। কথিত রয়েছে কুমিল্লা জেলার
পরিচিতি লাভ করে এই বিখ্যাত রসমালাইয়ের জন্য।
মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কুমিল্লার বিখ্যাত রসমালাই সম্পর্কে বিস্তারিত।
কুমিল্লার রসমালাই হলো বাংলাদেশের বিখ্যাত রসমালাই। কথিত রয়েছে কুমিল্লা জেলার
পরিচিতি লাভ করে এই বিখ্যাত রসমালাইয়ের জন্য।
রাষ্ট্র বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবং ভিনদেশী ও দেশী আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা
হয় মনোহরপুর এলাকার মাতৃভান্ডারের রসমালাই দিয়ে।
হয় মনোহরপুর এলাকার মাতৃভান্ডারের রসমালাই দিয়ে।
ধারণা করা হয় যে ১৯০০ সালের
দিকে কুমিল্লা অঞ্চলের রসমালাই তৈরি শুরু করা হয়। ১৯৩০ সালে কুমিল্লার
মাতৃভান্ডার রসমালাই দা নিয়ে এই নামকরণ করে থাকে। শংকর সেনগুপ্তের হাত থেকে
তৈরি বিকাশিত হয় এই রসমালাইয়ের সুনাম।
দিকে কুমিল্লা অঞ্চলের রসমালাই তৈরি শুরু করা হয়। ১৯৩০ সালে কুমিল্লার
মাতৃভান্ডার রসমালাই দা নিয়ে এই নামকরণ করে থাকে। শংকর সেনগুপ্তের হাত থেকে
তৈরি বিকাশিত হয় এই রসমালাইয়ের সুনাম।
শেষ কথা
উপরোক্ত আলোচনা সাপেক্ষে এতক্ষণে নিশ্চয় কুমিল্লা কিসের জন্য বিখ্যাত
জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত থেকে থাকে তবে অবশ্যই
কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই
বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।
জানতে পেরেছেন। আপনার যদি এই পর্বটি সম্পর্কে কোন মতামত থেকে থাকে তবে অবশ্যই
কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই
বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।



Leave a Reply