আলোচনা করব কাশির জন্য ফিটকিরির ব্যবহার-ফিটকারীর উপকারিতা। আপনারা
যারা কাশির জন্য ফিটকিরির ব্যবহার-ফিটকারীর উপকারিতা সম্পর্কে না জানেন,
তাহলে আজকে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন তাহলে আপনি জানতে পারবেন কাশির
জন্য কাশির জন্য ফিটকিরির ব্যবহার-ফিটকারীর উপকারিতা সম্পর্কে।
উপকারিতা সম্পর্কে। ঘরোয়া ওষুধের ক্ষেত্রে ফিটকারির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া
হয়। বিশেষ করে ত্বক বিকার বা চর্ম রোগে এটি খুবই উপকারী।
কাশির জন্য ফিটকিরির ব্যবহার
আপনারা যারা ফিটকিরির ব্যবহার সম্পর্কে না জেনে থাকেন কাশির সময় কিভাবে ফিটকারে
ব্যবহার করতে হয় তাহলে আজকের এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। যাদের কাশি ভালো
হয় না তারা ফিটকারির সাহায্য নিয়ে কাশি ভালো করতে পারেন।
পাঁচগ্রাম পরিমাণ মুখ দিলে কাশি সেরে যাবে। আর আপনার যদি শুকনো কাশি হয়ে থাকে ১০
গ্রাম ফিটকারি ও ২৫ গ্রাম মিশ্রি চূর্ণ করে মিশিয়ে খেলে কাশি ভালো হয়ে যাবে এটি
সেবনে শুকনো কাশি সম্পূর্ণ রূপে সেরে যাবে।
ফিটকিরির পানি কি চোখের জন্য ভালো
সম্পর্কে। আপনারা যারা জানেন না ফিটকারির পানি চোখের জন্য ভালো না খারাপ তারা
মনোযোগ সহকারে এই পর্বটি পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন ফিটকারী পানি চোখের জন্য কতটা
ভালো না খারাপ। ফিটকারি বহু ব্যবহার রয়েছে তবে এর মধ্যে থেকে আপনাকে জেনে বুঝে
ফিটকারি ব্যবহার করতে হবে।
ফিটকারি পানিতে ব্যবহার করলে সেই পানি চোখের জন্য ভালো না । ফিটকারি ব্যবহার করা
পানির চোখের সংস্পর্শে আসলে চোখ জ্বালাপোড়া করে চোখ দিয়ে পানি বের হয় তাই
ফিটকারি মিশ্রিত পানি চোখের জন্য ভালোনা।
ফিটকিরির পানি দিয়ে মুখ ধুলে কি হয়?
আপনি যদি না জেনে থাকেন ফিটকিরির পানি দিয়ে মুখ তুলে কি হয় তাহলে আজকের এই পর্ব
আপনার জন্য। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই ফিটকিরির পানি দিয়ে মুখ তুলে কি
হয়? মুখের দুর্গন্ধ ও জীবাণু পরিষ্কার করার জন্য ফিটকিরি গুরুত্ব অপরিসীম।
হয়। যদি আপনি মুখের ঘা তাড়াতাড়ি শুকাতে চান তাহলে ফিটকিরির পানি দিয়ে মুখে
কুলকুচি করতে হবে তবে এক্ষেত্রে একটু আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে এই পানি
যেন কোন ভাবেই মুখের ভিতরে না ঢুকে যায়।
ফিটকিরির ব্যবহার
প্রিয় পাঠক এই পর্বে আমরা জেনে নেব ফিটকিরির ব্যবহার সম্পর্কে। আগের পর্বে
আমরা জেনেছি কাশির জন্য ফিটকিরির ব্যবহার ফিটকারির উপকারিতা। তাহলে চলুন দেরি
না করে জেনে নেই ফিটকিরির ব্যবহার।
খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।
চর্মরোগঃ ফিটকিরির খুবই ফলপ্রদ আগেই বলেছি শরীরের যে জায়গায় চর্ম রোগ হয়েছে সেই
জায়গাটায় ফিটকির জল দিয়ে বার বার ধুলে রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
দাঁতের ব্যথাঃ যাদের দাঁতের ব্যথা আছে তারা ফিটকারী এবং রিঠার বিচি পুড়ানো ছাই একসঙ্গে মিশিয়ে
দাঁতে ঘষলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়।
আঘাত লাগাঃ শরীরে কোথাও যদি আঘাত
বা চোট লাগে তাহলে এক গ্লাস দুধে আধা গ্রাম ফিটকারি মিশিয়ে পান করলে অনেক উপকার
পাওয়া যায়।
কুষ্ঠ রোগঃ প্রিয় পাঠক যাদের কুষ্ঠ রোগ হয়েছে তারা ফিটকারী ব্যবহার করে কুষ্ঠ রোগ থেকে
মুক্তি পেতে পারেন।কুষ্ঠ রোগে ১০০ গ্রাম ফিটকারি গুড়ায় দুই রতি পরিমাণ
ফিটকারি এক চামচ মধু গাজর মুলোর রসে মিশিয়ে নিয়মিত সেবন করতে হবে। ১০০ গ্রাম
বিশুদ্ধ বন্ধক ও 100 গ্রাম ধাঁধা ফিটকারী একসঙ্গে মিশিয়ে নিমের রসে মেড়ে রায়ের
তেলে গরম করে নিন।
ওই তেল শরীরের যে জায়গায় কুষ্ঠ হয়েছে সেই জায়গায় ব্যবহার করতে হবে।
প্রায় তিন ঘন্টা পরে নিমের পাতা জলে ফুটিয়ে ওই জল দিয়ে সেই জায়গা পরিষ্কার
করতে হবে। ফিটকারির জল দিয়ে রোগীকে গোসল করাতে হবে। কিভাবে অল্প দিনে কুষ্ঠ রোগ
থেকে ইনশাল্লাহ সেরে যাবে।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক আমরা এতক্ষণ আলোচনা করেছি কাশির জন্য ফিটকারীর ব্যবহার ফিটকারির
উপকারিতা বিভিন্ন রোগে ফিটকিরির ব্যবহার ও উপকারিতা। যদি আজকের এই পর্ব আপনার কোন
উপকারে এসে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে এই আর্টিকেলটি
শেয়ার করবেন তাহলে হয়তো অনেকেরই উপকারে লাগবে।



Leave a Reply